Az első 200 sor.
C
Cr
Cre
Crea
Creat
Create
Created
Created
Created b
Created by
Created by:
Created by:
Created by:
Created by: N
Created by: NU
Created by: NUR
Created by: NURU
Created by: NURUL
Created by: NURULL
Created by: NURULLA
Created by: NURULLAH
Created by: NURULLAH
Created by: NURULLAH M
Created by: NURULLAH MA
Created by: NURULLAH MAS
Created by: NURULLAH MASH
Created by: NURULLAH MASHH
Created by: NURULLAH MASHHU
Created by: NURULLAH MASHHUR
Created by: NURULLAH MASHHUR
Created by: NURULLAH MASHHUR
Created by: NURULLAH MASHHUR H
Created by: NURULLAH MASHHUR HA
Created by: NURULLAH MASHHUR HAS
Created by: NURULLAH MASHHUR HASA
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN S
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SH
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHU
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUV
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO K
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO KU
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO KUS
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO KUSH
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO KUSHA
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO KUSHAL
Created by: NURULLAH MASHHUR HASAN SHUVO KUSHAL
সম্পাদনাঃ কুশল ০১৯১৮১১০০৯৯ Our group on facebook: Bangla Subtitle
কথায় আছে, কোনো গল্প শোনানোর নিয়ম হচ্ছে
একদম শুরু থেকে বলা।
এতোটা শুরু থেকেও না।
আমি হলাম হার্লিন কুইঞ্জেল।
যখন আমি ছোট ছিলাম, তখন বাবা আমাকে মাত্র ছয় প্যাক বিয়ারের জন্যে বিক্রি করে দেয়।
কিন্তু যতবারই সে আমায় ছুঁড়ে ফেলতে চেয়েছিল...
- বাবা! - ... আমি বারবারই ফিরে এসেছিলাম।
শেষমেশ আমার জন্যে একটা নতুন ঘরের ব্যবস্থা হল।
সেন্ট বার্নডেট এর সিস্টার'রা আমাকে কম শেখায় নি।
কিন্তু আমি কখনোই শোধরাবার মেয়ে ছিলাম না।
সবকিছু বিবেচনা করলে বলতে হবে, ভালোই করেছিলাম। কলেজে পড়েছি।
পিএইচডি করেছি। দুয়েকবার তো হৃদয়টাও ভেঙে খানখান হয়েছে।
সত্যিকারের ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া অতোটাও সহজ ব্যাপার না।
এ কারণেই আমি ক্যারিয়ারে মন দিয়ে ছিলাম, সাইকিয়াট্রিস্ট হয়েছিলাম।
আর তখনই তার সাথে আমার দেখা। মি. J -আমার জোকার।
প্রেমে এতোটাই মজে গিয়েছিলাম, যেন বিমান থেকে প্যারাসুট ছাড়া
লাফিয়ে নিচে পড়ে গিয়ে থোঁতামুখ ভোঁতা হয়ে গিয়েছিল।
আমার সকল বোধবুদ্ধি যেন লোপ পেয়েছিল।
চোখে শুধু আমার পুডিন'কে দেখতাম। কথায় আছে,
প্রত্যেক সফল পুরুষের পেছনে থাকে একজন হার না মানা নারী।
আমিই হলাম সেই নারী। মি. J এর সমস্ত কলাকৌশলের
পরিকল্পনা করতাম আমি। কিন্তু এ কথা সে কাউকেই জানতে দেয়নি।
পুডিন?
কিন্তু সব ভালো কিছুরই একটা শেষ আছে।
আর তাই একদিন...
...আমাদের ব্রেক আপ হয়ে গেল।
আমি সব ভালোভাবেই সামলেছিলাম।
কিন্তু মি. J ব্রেক আপের ব্যাপারে অনড় ছিল।
নিজের মনের মত একটা অসাধারণ জায়গার খোঁজ পেলাম।
এটা আমাকে পুরোনো ভুলগুলো শুধরে নতুন করে বাঁচার
একটা সুযোগ করে দিয়েছিল।
একটা নতুন পরিচিতির প্রয়োজন ছিল।
একজন নতুন আমি।
কাজটা অতোটা সহজ ছিল না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে, নতুন প্রেমের আশায়
আমি আমার বাঁধ ভাঙতে শুরু করলাম।
হাই। হ্যালো, মিষ্টি বেবি।
- নতুন প্রেমের বিষয়ে একটা কথা- - টাকার পরিবর্তে অন্য কিছু হলেও চলবে।
...তোমার ওকে খাওয়াতে হবে।
কিছুদিনের মধ্যেই, নিজের পায়ের নিচের মাটি মজবুত করলাম।
নতুন নতুন বন্ধু পেতে নিজেকে প্রস্তুত করলাম।
সে ছলনার আশ্রয় নিচ্ছে!
- এইতো! - আমাকে জোরে টান দাও!
সে এত দ্রুত ঘুরেছে যে গুলতির মত শীর্ষে পৌঁছে গেছে।
ওহ!
ইয়েহ!
গোথাম শহরের সাথে নতুন হার্লি কুইন এর পরিচয় করিয়ে দেয়ার সময় এসে গিয়েছিল।
তাই সীমাহীন উল্লাসে মেতে উঠলাম।
নিজের প্রেমিকের মত করে স্তম্ভটার উপরেও চড়ে বসো!
ধ্যাত্তিরি। নেমে বসো।
- কী? - আমি বললাম...
তোমার হাড্ডিসার পাছাটাকে একটু বসতে দাও, বয়রা বেশ্যা একটা।
বেশ।
আরে আমার পা দুটো গেলো রে!
কী?
এমন ছোটখাটো নাটক ছাড়া তো পার্টি জমেই না, ঠিক বলেছি না?
চলো চলো! আবার শুরু করো!
বাড়িটাকে মাতিয়ে তোলো।
আমাকে বলে বয়রা! আমি একজন পিএইচডি হোল্ডার, শালা চুতিয়া!
- মিস কুইন। - রোমি।
- সে আমার ড্রাইভার। - ওহ, উপস।
আমি জানি ভুলটা ওই করেছে। তাই তাকে ছাটাই করা হল।
আমি কৃতজ্ঞ। কারণ আমি জানি, তুমি আমাকে পছন্দ করো না।
তার মানসিক ভারসাম্য বোধ দেখে আমি হতাশ।
তার এমন মাত্রা ছাড়ানো বেয়াড়াপনার প্রতি মনোযোগ দেয়া উচিত।
তোমার প্রেমিক কি সন্ধ্যায় আমাদের সাথে যোগ দেবে?
আজ রাতে না, রোমি। আজ রাতে না।
বেশ, আনন্দ করো, মিস কুইন। জোকারকে আমার শুভেচ্ছা জানিও।
আচ্ছা, বেশ, আমি কাউকেই আমাদের ব্রেক আপের বিষয়ে জানাইনি।
- কিন্তু তুমি বুঝলে না। - একজন নতুন ড্রাইভারের ব্যবস্থা করো।
জোকারের প্রেমিকা হওয়ায় আমি যথেষ্ট নিরাপত্তা পাই।
যার তার সাথে যা-ই করি না কেন,
অভিযোগ করার সাহস কারোরই হয় না।
ওকে তোমার ওপর অত্যাচার করতে দেবে না, ঠিক আছে? তোমাকে নিজের জন্যে রুখে দাঁড়াতে হবে।
যতবারই সত্যিটা বলার চেষ্টা করেছি, কেউ মানতেই চায়নি।
আরে। ও আমাকে বলেছে- এবার সত্যি সত্যি ওদের ব্রেক আপ হয়েছে।
আন্দাজেই ব্রেক আপ হয়েছে? এ কারণেই এখনো সে ওই "J" নেকলেসটা গলায় পড়ে আছে।
জোকার যখনই তুড়ি বাজাবে, সে তখনই ফিরে গিয়ে ওর বাহুডোরে ঝাপিয়ে পড়বে।
সে না হলে, অন্য কোন ক্ষমতাধর পুরুষের বাহুতে।
কিছু কিছু মানুষের জন্মই হয় অন্যের ক্ষমতা নিয়ে বাঁচতে।
- বাদ দাও তো। চলো খাওয়া যাক। - বেশ।
বুঝে গিয়েছিলাম, বিশ্ববাসীকে জানানোর জন্যে আমায় একটা উপায় খুঁজে পেতেই হবে,
যে মি. J এর সাথে আমার সমস্ত ল্যাটা চুকে গেছে।
হার্লি!
মানুষের প্রেম শুরু হয় আইফেল টাওয়ার, অলিভ গার্ডেন থেকে।
আর আমাদের? আমাদের ভালোবাসার ফুল ফুটেছিল অত্যন্ত বিষাক্ত
কোনো এক শিল্প প্রক্রিয়াকরণ কারখানায়।
আমার সৌভাগ্য, সব ভালো ভালো বুদ্ধিগুলো নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আসে।
চমৎকার একটা বুদ্ধি পেয়ে গেলাম!
হেই! হেই! ফিরে এসো!
সব এখান থেকেই শুরু হয়েছিল, পুডিন'
চুতিয়া!
এই সবকিছুর অবসানের প্রয়োজন ছিল।
একটা নতুন শুরু। নিজের সাম্রাজ্যের রাণী হওয়ার সুযোগ।
কিন্তু গোথামে আমিই একমাত্র স্বাধীনতাকামী মেয়ে ছিলাম না।
এটা আমাদের সবার গল্প।
আর গল্পটা যখন আমিই শোনাচ্ছি, তাই আমার যেভাবে ইচ্ছা, সে ভাবেই শোনাব।
- চলুন পুলিশ অফিসারের সাথে আলাপ করিয়ে দেই। - পঞ্চাশজনের মতে, এটা একটা দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধ ছিল।
- ইনি না। - অন্যান্য বারের মত এবারো ভুল করেছ, মানরো।
ইনি। রেনি মনটোয়া
৮০'র দশকের ক্রাইম শো গুলো দেখে বড় হওয়ায়, সবসময় এ ধরণের আজেবাজে ডায়লগ ঝাড়ে...
গুলি একজনই চালিয়েছে।
গুলিটা কাচে গিয়ে লেগেছে।
এই যে, শোনো।
খোঁজ করে দেখো পার্ক করা গাড়িগুলোর কোনো একটায় গিয়ে গুলিটা লেগেছে কিনা।
দশ বছর আগে, ইনি একটা বড় কেসের নিষ্পত্তি করেছিলেন।
- কথা বুঝো না? - যাও, গিয়ে দেখো।
কিন্তু সমস্ত বাহবা কুড়াতো তার পার্টনার।
তাই সে হয়ে গেল ক্যাপ্টেন, আর ইনি গোয়েন্দা দপ্তরে ফেসে গেলেন এই বলদের সাথে।
- আচ্ছা, তাহলে আপনি মনে করেন একজন ব্যক্তি এই চারজনকে শুইয়ে দিয়েছে? - দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও।
বলছি, এখানে চারজনের লাশ আছে।
- একজন ব্যক্তি... একটা গর্ত। - আমি কাজ করার চেষ্টা করছি।
দুঃখিত। আপনি কাজ করুন। কাজ করুন।
গুলি চালানোর আগে শ্যুটার কাছাকাছি কোথাও ছিল। ছয় রাউন্ড গুলি চালিয়েছিল।
- একেকজনকে দুটো করে। - ঋণের কথা ভুলে যেয়ো না।
আমি তোমাদের বলছি, অ্যাঞ্জেলিনা মেয়েটা একটা রাজকন্যা।
- ওদিকে দেখো। আজ কি হ্যালোইন? - হেই। কী করছ তুমি?
সবাইকে মারাটা খুনির আসল উদ্দেশ্য ছিল না।
তার লক্ষ্য ছিল এই লোকটা।
জানো তো, কে আমি?
একটা বেশ্যা মাগী।
এবং গলায় তীর ছোড়ার অর্থ...
মেয়েটা তাকে কষ্ট দিয়ে মারতে চেয়েছিল।
-মেয়েটা মানে? -আমরা একটা চুল পেয়েছি।
- সে নতুন একজন খুনি পেয়ে গেছে। - কে?
রোমান সিওনিজ।
ঈশ্বর।
মনটোয়া বলছি। কিসের শব্দ ছিল ওটা?
ধুর!
ওয়াও!
ডিটেকটিভ মহাশয়। এই নেকলেসটা পেলাম।
ধুর মরা!
সাবাশ, অফিসার।
কী এসব?
- হার্লি কুইন আর জোকারের মধ্যে ব্রেক আপ হয়ে গেছে। - কী?
ওদের প্রেমের শুরু তো এখানেই। এভাবেই সে তার রিলেশনশীপ স্ট্যাটাসের কথা সবাইকে জানিয়ে দিল।
হার্লি কুইন নিজেকে স্বাধীন ঘোষণা করেছে।
সে ভাবতেও পারেনি, ব্যাপারটা তার জন্য কত কঠিন হবে।
হ্যাঁ, ভারে আমার ঘাড় কাত হয়ে যাচ্ছে গো!
আমি জানি, এই শহরের অনেক লোক আমার মৃত্যু কামনা করে।
তার মধ্যে এই লোকটি অন্যতম।
মি. কিও, ওনার সুন্দরী স্ত্রী আর মেয়ে।
এসবে জড়াতে আপনারাই আমাকে বাধ্য করেছেন। বলতেই হচ্ছে, আমি কিছুটা হতাশ হয়েছি।
আমি আপনার দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছিলাম, বাড়াইনি?
এবং আমি ভেবেছিলাম... চুপ!
ভেবেছিলাম আমরা একসাথে মিলে দারুণ কিছু করব।
ভেবেছিলাম একটা পরিবার হব।
আমি তোমাকে ছেড়ে দেব।
হুমম...
No comments yet. Be the first to leave one.