最初の172行です。
Moshiur Shuvo Presents
হাহ, বার্বি।
হেই।
হেই।
তো, আমি না আসলে তুমি কীভাবে
বাড়িতে ফিরতে?
এখান থেকে তুমি অন্য জায়গাতে গেলে কীভাবে?
এই জনমানবহীন জায়গা থেকে।
হ্যা, এজন্যই তারা এটা এখানে বানিয়েছে।
তারা একটা বাসের শিডিউল দিয়েছে।
আসার জন্য ধন্যবাদ।
সমস্যা নেই।
বঙ্গানুবাদে : মশিউর শুভ
ঠিক আছ?
তোমার মনে হবে না যে, ঠিক আছ।
খারাপ লাগছে?
হ্যা।
কিন্তু তুমি সেটা জানতে।
হ্যা, পুণরায় ফেরত আসা
যেকোন পরিস্থিতিতেই বাজে।
তুমি হয়তো সন্তানদের মিস করছ।
বেডে শুয়ে মনে হয়
তারা আমার শরীর বেয়ে উঠবে, বাচ্চা অবস্থায় তারা না ঘুমালে
যেমনটা করত।
দেভার অবস্থা খারাপ।
তার মায়ের সাপোর্ট লাগবে।
ম্যাক্সের কী খবর?
দূর থেকে যতটুকু দেখেছি, সে স্কেটবোর্ড নিয়ে ব্যস্ত আছে।
তুমি শীঘ্রই নিজ চোখে দেখতে পাবে।
কোথাও থেমে খেতে পারি না?
আমি ক্ষুধার্ত।
ভাল?
তোমার জেলের খাবারের কথা মনে আছে?
তোমাকে একটা ঘটনা বলি,
ওয়ার্ড্রেনের জন্মদিন ছিল,
কিংবা বিবাহবার্ষিকী, মনে নেই ঠিক।
সে আমাদের জন্য স্পেশাল ভোজনের আয়োজন করে, ওকে?
সে রাঁধুনিকে বলে স্টেক বানাতে।
মজা হয়েছিল।
সাথে আলু এবং ডিজার্ট হিসেবে পাই ছিল।
কিছু লোক সেটার ঘ্রাণ বুক ভরে নিল।
মানে, বহুদিন তো ওসব আমরা খাই নি...
অন্যরা ওটা টেবিলে নিয়ে গেল,
ওটার দিকে তাকিয়ে কাঁদতে লাগল।
বুঝতে পেরেছি।
তারপর আসল আরেক দল
তারা স্টেক নিল এবং দেয়ালে ছুঁড়ে মারল।
জেলখানাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাল, ওকে?
শন, এদিকে আসো।
- বুঝেছি! - এটা ফেরত দাও!
এটা ঠিক নয়।
তোমার উচিত নজির দেখানো।
বলেছিলাম এটা বাজে সিদ্ধান্ত।
বলতেই হচ্ছে, আমি এটায় শনের পক্ষে।
- সে দিচ্ছিল না। - হ্যা, মেয়ের পক্ষ নাও।
হ্যা, সেটাই আমি করছি।
এটা বানশিও হতে পারত।
কিন্তু অমনটা লাগছে না।
ওহ, আমার এটা বিশ্বাস হচ্ছে না।
দেভার এমনই একটা ছিল। এটা তার পছন্দের ছিল।
এটা নিয়ে ঘুমাত, স্কুলে যেত।
সে ছোট থাকতে আমরা একসাথে "লাষ্ট ইউনিকর্ন" পড়তাম।
এটা তার প্রিয় বই ছিল।
"আমি পারলে তোমার ঘুমের ভেতর ঢুকতাম
এবং তোমাকে পাহারা দিতাম..."
কিছু একটা।
"আমাকে তুমি স্বপ্নে না দেখলে আমি ঢুকতে পারব না।"
এই তো।
- তুমি লাষ্ট ইউনিকর্ন পড়েছ? - জেলে বসে।
লাইব্রেরিটা যদিও বড় ছিল না।
কী হয়েছে?
কিছু না।
আমাকে বল।
আমি কেবল...
যতটা সময় আমি দূরে ছিলাম, ভেবেছিলাম আমি সবকিছু মিস করছি।
দেখা গেল, আমার জানার থেকেও বেশি মিস করেছি।
তোমার এটা তার জন্য কেনা উচিত।
- এটা রেভেল নাকি? - তোমার চোখ ভাল তো।
তুমি মডেলার?
এক সময় ছিলাম।
- কত? - ১০
ধন্যবাদ।
তোমাকে কখনো এরোপ্লেনের মডেলার বলে মনে হয় নি।
যখন ছোট্ট ছিলাম,
যে সময়টা বাবাকে পেয়েছিলাম...
তখম মডেল প্লেন বানাতাম।
এতদিন ধরে তোমাকে যে চিনি,
তুমি একটা বারের জন্যও তোমার বাবার কথা বলো নি।
তাই?
এখন সে কথা তোলার কোন কারনও নেই।
কী হল?
কিছু না।
কিছু না।
সিকিউরিটি ক্যামেরা। উপরে ডানপাশের কোণা বরাবর।
লোকে রাতে হানা দিলে তো এটা দিয়ে কোন ফায়দা হবে না।
তুমি বহুদিন জেলে ছিলে। লেন্সের বাইরে রিং দেখতে পাচ্ছ?
ওগুলো LED লাইট। তোমাকে রাতে দেখা যাবে।
কিন্তু ঐ উইন্ডো ডিসপ্লের মাঝে...
- ওটা একটা ক্যামেরা? - হ্যা, এটা ওয়্যারলেস।
এটার সিগন্যাল বন্ধ করা কোন ব্যাপার না।
একেবারে সহজ কাজ।
বাহ, তুমি দেখছি খোঁজ রেখেছ!
আসলে সেটাই।
যদি সেইফটা আগের মডেলের হয়ে থাকে,
তাহলে এখান থেকে টাকা নেয়া সহজ কাজ।
কিন্তু যদি সামনের দিকটা আটকে যায়...
পুরো ব্লকের শেষে একটা সরু গলি আছে।
আমি শিওর, তাদের ওখানে একটা দরজা আছে।
এবার নিজেকে দেখো।
কী?
ঐ গাড়িটা।
- পিছু লেগেছে? - জানি না।
- কিন্তু তুমি আগেও দেখেছ? - দুইবার।
কোথায়?
পরের রাস্তায়, ডানের এক ব্লক দূরে।
- ড্রাইভার? - দেখি নি, জানালা আটকানো ছিল।
আমি ট্রাকটা সামনে আনছি।
হ্যা।
- পেছনে। - জানি।
এখানেই থাক।
এক্সকিউজ মি, সব ঠিকঠাক আছে তো?
হ্যা, দুঃখিত, ভেবেছিলাম আমার এক বন্ধুর গাড়ি।
আমাকে একটু সাহায্য করবেন?
- হ্যা। - ধন্যবাদ।
মনে হচ্ছে, বেশি কিনেছি।
ধন্যবাদ।
কোথায় যাচ্ছ?
ট্রানপাইক ঐদিকে।
হ্যা, ভাবছি একটু ঘুরবো।
তোমাকে কিছু একটা দেখাব।
কী?
যেতে কয়েক ঘন্টা লাগবে।
যদি না তোমার বাড়িতে যাবার তাড়া থাকে।
বাড়ি।
দাঁড়াও।
তোমার জন্য একটা জিনিস এনেছি।
এখানেই আমরা যাচ্ছি।
এটা আমাদের বাড়ি।
এটা সেই বাড়ি।
জানি না, ভেবেছিলাম আমরা হয়তো,
এখানে হারিয়ে যাব।
ওহ, এটা তোমার কেনা?
টাকায় কিনেছি।
সকল খাজনাও শোধ করা।
চেয়েছিলাম তোমাকে দেখাতে।
এটা একটা ভাল প্লান ছিল।
জানো, আমি ভাবছি।
আমার হয়তো সামনে এগোনোর সময় হয়েছে।
আমি বানশিতে আসার পর থেকেই,
সবকিছু...
আসলে, আমি তোমার সবকিছু বিগড়ে দিয়েছি,
তোমার পরিবারকে।
আসলে, ওসবের কোন প্লান ছিল না।
কিন্তু ওসবই ঘটেছে।
আমাকে তুমি বলার চেষ্টা করেছিলে।
যাইহোক, আমি...
সারা জীবন পুলিশ সেজে থাকতে পারব না, তাইনা?
হ্যা, কিন্তু তুমি যাবে কোথায়?
কী করবে?
শুধু চলে যাব।
হয়তো এখানে ফিরে আসব।
জানি না।
আমি যা করছি এসব করা আমাকে থামাতে হবে।
আর নয়।
আর নয়।
জেল থেকে বেরিয়ে যখন তোমাকে পেলাম,
তোমার বাড়ি, পরিবার সব ছিল।
যেগুলো আমার সাথে তোমার করার কথা ছিল!
আর এসব আমাকে শেষ করে দিয়েছে।
তারপর দেভাকে দেখলাম।
সত্যটা হচ্ছে, আমি যেতে চাই নি।
এজন্য নিজেকে বলেছি,
No comments yet. Be the first to leave one.