처음 149줄입니다.
তোমার তাড়াতাড়ি... এখান থেকে পালানো উচিত...!
পুলিশ এসে পড়বে...
ক-কিন্তু...
ড্রেসডেন...
ট্রেন স্টেশনে অপেক্ষা কোরো...
তাড়াতাড়ি আমাকে মেসেজটা দাও।
এই যে।
চেদক ব্রিজ...
থ্রি ফ্রগস...?
আর আমার বাবা এটাও বলেছে...
"যে মন্সটারকে তুমি ধাওয়া করছ, সে যদি যমজ হয়..."
"সেই যমজদের মা এখনো জীবিত..."
"এবং প্রাগে বাস করছে।"
এইতো!
ঐখানে!
আরে, ফেরত দাও!
পাস কর!
সুন্দর!
ঐদিকে!
থামো! আমাকে জুতা ফিরিয়ে দাও!
গ্রিমার
কাজ কেমন চলছে, মি. গ্রিমার?
যেটা খুঁজছিলেন সেটা খুঁজে পেলেন?
পূর্ব আর পশ্চিম জার্মানি এক হয়ে যাওয়ার পর...
এই প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরণ পুরোপুরি বদলে গেছে...
তাই আমাদের কাছে আগেকার শুধু এই কাগজপত্রগুলোই আছে।
না, আপনাকে এভাবে ঝামেলায় ফেলার জন্য দুঃখিত, ডিরেক্টর আলব্রেখত।
এইগুলোও আজকাল খুব একটা দেখা যায়না।
বার্লিন প্রাচীরের পতনের পর থেকে...
পূর্ব জার্মানির বেশিরভাগ স্পর্শকাতর নথিপত্রগুলো গায়েব হয়ে গেছে।
কিন্তু...
একটা বিষয় নিশ্চিত যে, পূর্ব জার্মানির অনাথাশ্রমগুলোতে শিশু নির্যাতন করা হতো।
কিন্তু...
সেটা প্রমাণ করার জন্য কাগজপত্র খোঁজা সত্যিই কঠিন।
আমিও তা-ই ভেবেছিলাম...
পূর্ব জার্মানির অনাথাশ্রমগুলো...
সাধারণত স্বাস্থ্য কল্যান মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হতো।
সমস্যা সৃষ্টি হলো তাদের জন্য...
যাদের বাবা-মা ছিল অপরাধী, সরকারবিরোধী উকিল, গুপ্তচর, অবৈধ অভিবাসী, এবং উদ্বাস্তু।
যে সব অনাথাশ্রমে এইসব বাচ্চাদের রাখা হলো, সেগুলোর মধ্যে...
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হওয়া...
একটি অনাথাশ্রম ছিল বেশ কুখ্যাত।
আমি সেই বিশেষ অনাথাশ্রমের...
বাচ্চাদের সাথে বাজে ব্যবহার, তাদের উপর চালানো বেআইনি ব্যক্তিত্ব সংশোধন পরীক্ষা সম্পর্কে জানতে উৎসুক।
তাই আমি সেই বিষয়ে যতটা পারা যায় তথ্য বের করতে চাচ্ছি।
সেখানে আসলেই কী চলত তা জানার জন্যে।
আসলেই, হাহ?
আচ্ছা। তদন্তে লেগে পড়েছেন তবে।
এসবে জড়িতদের হয় দেশ ছাড়া করা হয়ছে, নয়তো চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঠিক।
আপনাদের স্কুলের নার্স, মি. শ্নুয়াও তাতে জড়িত ছিল...
মি. শ্নুয়া?
উনি পূর্ব জার্মানির ৬২ কিন্ডারহাইমের শিক্ষক ছিলেন।
আমি উনার সাক্ষাৎকার নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু উনি মানা করে দিয়েছেন।
আপনাদের সতর্ক থাকা উচিত।
হতে পারে, পূর্ব জার্মানিতে থাকাকালীন মি. শ্নুয়াও শিশু নির্যাতনে জড়িত ছিলেন।
ওহ, আমি এগুলোর ফটোকপি করতে পারি?
ওহ, অবশ্যই! করুন!
মি. গ্রিমার আপনি সাবেক পশ্চিম জার্মানিতেই জন্মেছিলেন আর ওখানেই সাংবাদিকতা করতেন, না?
না, আমি এদিককারই লোক। আমি লাইপজিপের একটা সংবাদপত্রে কাজ করতাম।
পূর্ব জার্মানির কোনো লোকও যে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে, জানতাম না।
কী যে বলেন।
সেই সময় আমাকে পুরো পৃথিবীতে ঘুরে ঘুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে হতো।
সরকার আমাকে এই কাজের দায়িত্ব দিয়েছিল।
বুঝেছেন?
আমি একজন গুপ্তচর ছিলাম।
যাওয়া যাক!
প্রচুর জিনিসপত্র ভরেছেন দেখছি!
পূর্ব জার্মানির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করা কাগজপত্রে ভর্তি।
আপনার একটা দারুণ রিপোর্টের অপেক্ষায় রইলাম।
তো, এখন কোথায় যাচ্ছেন?
প্রাগ, চেক প্রজাতন্ত্রে।
আপনার সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ, ডিরেক্টর।
ওরা তখন তোমার সাথে বেশ খারাপ ব্যবহার করছিল, তাই না?
শেষ পর্যন্ত, তোমার জুতা ছিনিয়ে নিল, হাহ?
কান্না থামাও।
মানুষ জুতা ছাড়াও বেঁচে থাকতে পারে।
কারণ, আমরা সবাই জুতা ছাড়াই এই পৃথিবীতে এসেছিলাম।
কিন্তু...
যারা অন্যের থেকে জুতা কেড়ে নিয়ে তাদের বিরক্ত করে...
ওরা সবচেয়ে খারাপ।
এরকম ফালতু ছেলেদের কারণে কাঁদবে না।
পরে দেখা হবে।
এতো বড় জুতা পরে হাঁটতে অসুবিধা হচ্ছে?
ড্রেসডেন ট্রেন স্টেশন
আম, শুনুন ভাইজান...
হাহ?
আপনার সাথে একটু কথা বলা যাবে?
অবশ্যই।
কী সমস্যা?
আসলে ব্যাপারটা হলো...
আমি একটা সমস্যায় পড়ে গেছি...
আমার যে ব্যাগে পাসপোর্ট ছিল, সেটি চুরি হয়ে গেছে।
আপনার পাসপোর্ট?
ওহ, এটা তো অনেক বড় সমস্যা।
হ্যাঁ, সেটাই...
আমি ভিয়েনাতে আমার বোনকে দেখতে যাচ্ছিলাম...
গতকাল আমাকে ফোন করে জানানো হয় যে, আমার বোন হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েছে...
অজ্ঞান হয়ে গেছে?
তাহলে তো আপনার তাড়াতাড়ি তাকে দেখতে যাওয়া উচিত!
আমাদের এক্ষুনি পুলিশের কাছে যেতে হবে!
ন-না, আমি গেছিলাম তাদের কাছে!
আসলে... আমার বোনের কাছে চিকিৎসার খরচ মেটানোর মতো টাকা নেই...
ওহ, না। খুব খারাপ হলো!
আর আমার সব টাকা ঐ চুরি যাওয়া ব্যাগটাতেই ছিল...
আমি তো আর যেতে পারছিনা, কিন্তু...
আমি যদি ওকে অন্তত টাকাটা পাঠাতে পারি, তাহলে ওর খুব উপকার হবে!
কিন্তু, এখন সেটাও করতে পারছিনা...
আপনার কত টাকা লাগবে?
ওহ, না! আমার অতো টাকার দরকার নেই!
ওকে একটা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া আর ওর দেখাশোনা করার মতো টাকা হলেই হবে...
আমি কেবল আপনাকে এতোটাই দিতে পারি...
ওহ, ধন্যবাদ!
ডাঙ্কে শোন!
আমি আপনার টাকা ফেরত দেবো, কথা দিলাম!
ওহ, দয়াকরে আপনার ঠিকানা এখানে লিখে দিন।
না, তা নিয়ে ভাববেন না।
যদি এতে আপনার বোন সুস্থ হয়, তাহলেই অনেক।
আপনাকে ধন্যবাদ!
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুক!
ছোট বোনের যত্ন নেবেন!
কীভাবে এমন একজনকে টাকা দিয়ে দিতে পারলেন?
বোঝাই যাচ্ছিল লোকটা মিথ্যা বলছিল!
মিথ্যা?
এই লোকেরা সবসময় স্টেশনে এভাবে টাকা চেয়ে বেড়ায়।
এভাবে আপনার ওদের ফাঁদে পা দেওয়া ঠিক হয়নি।
আমি ওদের ফাঁদে পড়ে গেছি...?
প্রাগে যাওয়ার ট্রেন ৩টা বেজে ১৫ মিনিটে সাত নাম্বার প্ল্যাটফর্ম থেকে ছাড়বে।
ওহ, ধন্যবাদ।
খুব উপকার হলো। ধন্যবাদ!
ব্যাপার না।
তখনকার জন্য ধন্যবাদ।
আমি এখানে বসতে পারি?
বসুন।
কোথায় যাচ্ছেন আপনি?
প্রাগ।
আপনি জাপানিজ, তাই না?
কোন্নিচিওয়া।
ওহ, দোমো।
আমি এর আগে জাপান গেছিলাম।
ওহ...
ভাবছি তখন থেকে কত বছর পার হয়ে গেল?
সেটা ১৯৮২ সালে...
ওহ্, হ্যাঁ। আমি আকিহাবারাতে গিয়েছিলাম।
আমি ওখান থেকে কিছু ওয়্যারট্যাপ আর কিছু উচ্চপ্রযুক্তির সরঞ্জাম কিনেছিলাম।
আর, এই গানটা মনে হয় খুব জনপ্রিয় ছিল।
কী যেন ছিল...
"কিতানো... হাকাবা দোরিনাওয়া..."
না হলো না...
No comments yet. Be the first to leave one.