ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
চুপ কর।
কি?
বেশি বাড় বাড়িস না।
শালায় একটা পাগল।
খেলা হবে।
আজকে, খেলা হবে!
ইওন সি-এউন, শুয়োরের বাচ্চা।
তোরে এতদিন কিছু বলি নাই।
জানোস না? ভাব মারাস?
বেশি লাগে নাই তো!
কিরে,মারোস না কেন। চল মার।
শালার পুত!
উইক হিরো:ক্লাস টু এপিসোড ০২
শীর্ষে চলো, বাকসাল
আমাকে বল তো।
ওকে শুধু সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাই বলে কি টুর্নামেন্ট খেলতে পারবে না?
এমন তো না যে বহিষ্কার হয়েছে।
বাকু টিমের ক্যাপ্টেন। ওর মারামারি করা উচিত হয়নি।
শোন।
কতবার বলেছি যে ও মারামারি করে নাই।
একদম ঠিক।
এটা কোন মারামারি ছিল না।
এরচেয়ে খুনাখুনি বলাই ভালো।
হ,এক্কেরে পিটায় সোজা করে দিছে।
হাত-পা কিছু আস্ত নাই।
বেঁচে আছে তো?
কি সমস্যা তোদের!
-কি হলো? -এই থাম তো।
না,কথায় কাজ হবে না।
এভাবে চলতে পারে না।
আমি টিচারের সাথে কথা বলবো।
যেভাবেই হোক এই টুর্নামেন্ট আমরা খেলবোই।
না,যাস না!
দাঁড়া,হ্যিউন-তাক!
ছাড় আমাকে!
এই! ছোই হ্যিউ-মান আবার পাগল হয়ে গেছে!
মারামারি লাগছে!
জলদি চল,জলদি!
সেই মজা হবে!
কি হচ্ছে এসব?
ছোই হ্যিউ-মান?
শুয়োরের বাচ্চাটা।
বাকু নাই দেখে আবার কাউকে বুলি করছে।
ভেবেছিলাম কিছুদিন চুপ থাকবে।
মাথাটা গরম হয়ে যাচ্ছে।
মারামারি লাগছে! মারামারি!
সামনে থেকে সর!
আমি দেখতে পাচ্ছি না।
এই,সর না।
-কি হচ্ছে? -সর,আমাকে দেখতে দে।
কিরে,মারোস না কেন। চল মার।
ওর ঘুষি মারার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
বাল!
বাল!
বাল!
আমার সাথে মজা লস!
শুয়োরের বাচ্চা।
ওই।
এভাবে তাকায় কি দেখোস হ্যাঁ?
কি করতে চাস তুই?
এই।
-শুয়োরের বাচ্চা, এত সাহস তোর? -থাম!
হ্যিও-মান,শালার বোকাচোদা।
এসব করে কি পাস?
অনেক মজা পাই। তুই যা তো এখন। আমি ব্যস্ত আছি।
ব্যস্ততা মারাস,তুই মোটেও ব্যস্ত না।
আর তুই বললেই আমি যাবো নাকি?
তোকে বলদের মতো দেখাচ্ছে। কথা বলার আগে ঠিকমতো শ্বাস নে,বোকাচোদা।
"বোকাচোদা"?
তুই বোকাচোদা। বাকুর চামচা।
এখন বাকু সাজতে আসছিস নাকি?
কি?
কি বললি?
আরেকবার বল?
বাল।
তুই বাকুর চামচা। এবার শুনছিস?
বাকু না থাকলে তোর--
হ্যিউ-মান?
তোর ব্যান্ড বাজাতে আমার দুই সেকেন্ডও লাগবে না,হারামজাদা।
কি করবি তুই?
জিমে যাবি এখন?
কিসের জিম হ্যাঁ?
এখানকার মেঝে পিছলা তাই।
ঠিকই তোকে দেখে নিবো,শুয়োরের বাচ্চা।
তোকেও ছাড়বো না,মাদারচোদ!
সামনে থেকে সর।
সরে যা,বলছি।
একদম হাসবি না।
-বাকুর মত গো-তাক ওর হাল ধরলো! -শালা চুপ কর।
সেই হইছে,গো-তাক! গুড জব!
আচ্ছা,শোনো।
আমাকে আর থ্যাংকস দেয়া লাগবে না।তাহলে খ্যাত দেখাবে। কিন্তু পরেরবার থেকে…
স্কুলের নার্সিং অফিসে চলো।
এইযে।
আসলে,
এমন না যে ধন্যবাদ দিতেই হবে।
তাই বলে এমন?
তুই কি অকৃতজ্ঞ নাকি ভাব নিচ্ছিস ?
আচ্ছা।
ধন্যবাদ।
ওর সমস্যাটা কি?
কি হলো?
নার্সের কাছে যাবে না?
ওখানে যাওয়া যায় না।
যখনই কেউ…
ওখানে যায়
নার্স বুঝে ফেলে কি হয়েছে।
তখন হ্যিও-মানকে টিচারদের অফিসে ডেকে পাঠানো হয়।
আর আমরা আবার মার খাই।
এই চক্র চলতে থাকে।
ফুসিডিন ক্রিম অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে ভালোই কাজে দেয়।
তাই যদি কখনো মনে হয় তোমার ইনফেকশন হতে পারে
তখন...ফুসিডিন লাগাবে।
কারণ
হ্যিও-মানের একটা ঘুষি মানেই হলো জীবাণুর বাসা।
কেন এসব করছো?
কি?
কেন সবার ফোনগুলো ফেরত দিলে?
নিউটনের তৃতীয় সূত্র।
প্রত্যেক ভালো কাজেরই একটা ভালো প্রতিক্রিয়া থাকে।
সবসময় সেটা হয় না।
জ্যুন-ত্যে, তুমি ঠিক আছো?
জুন-ত্যে কুন, তোমার কিছু হয়নি তো?
জুন-ত্যে কুন ।
আজকে একেবারে মরতে বসেছিলাম।
চোখ বারবার ঝাপসা হয়ে আসছিলো।
যাইহোক,
মনে হচ্ছে প্যানকেক মাউথ গার্ডটাই আমাকে বাঁচিয়েছে।
বুঝেছি।
একদিন, হিও-মান, আমি আমার নিচিরিন তলোয়ার দিয়ে তোমার জীবন কেড়ে নেবো।
কিন্তু এখনো সময় হয়নি।
ও ঠিক বলেছে।
তাই নাকি?
ধুর,বাল।
নো ফাইটিং বাকু
সেই একটা মারামারি হইছে।
এক্কেরে উড়াধুরা!
- হ। -একদম হেব্বি।
তুই জানোস না?
-আরে এটা মারামারি নাকি? -কেন?
সি-এয়োন একটা ঘুষিও দেয় নাই। আর তুই মারামারি বলোস?
কিন্তু ও।ইচ্ছা করেই মারে নাই!
তাই!
আর সি-এয়োন একটা বেজন্মা,
চোখগুলা শুয়োরের মত।
-কেমন করে জানি তাকায়! -একদম!
ওকে দেখার পর,আমার মনে হচ্ছে সেই গুজবটা সত্যি।
এবার বুঝছি হিও-মান কেন ওরে ঘাটায় নাই।
-ঠিক বলসোস। -সেই একটা পোলা।
কি কস? আমি মাইর পারি না নাকি?
অফ যা।
আমিও হেব্বি খেলি।
না,সত্যি। আমি ওর প্ল্যান বুইঝা গেছি।
ওই, শোন।
কি বলোস তোরা?
হিও-মান কেন ওকে ভয় পাবে?
আরে,
তুই কি বেক্কল নাকি?
না,আগে আমাকে বল।
মনে নাই গত বছর ট্রান্সফার হওয়ার পর সি-ইউন আর হিও-মানের ফাডফাডি লাগসিলো?
হ্যাঁ।
তখন হিও-মান সি-এয়োনের সব পুরান প্রতিবেশীদেরকে ডাকছিলো।
ওর ব্যাপারে খোঁজ নেয়ার জন্য।
তারপর?
জানোস না,মামা!
ওয় নাকি সত্যি অনেকজনরে পিটাইছে!
মাথায় ডাম্ববেল দিয়ে বারি আর কলম আর ঘাড়ে কোপাইছিলো!
ওখানকার সবাই জানে।
এত হাঙ্গামার পরও ও সি-এয়োনকে একটা টোকাও দেয় না।
নিজে যত মারাই খাক না কেন।
-হ ঠিক -বাল!
আরে ধুর।
কি যা-তা বলিস।
আরে হ্যাঁ!
সি-ইউনের রেজাল্ট অনেক ভালো।
তাহলে ও এই স্কুলে কেন আসছে?
এমন জঘন্য ঘটনার পর কোন স্কুল আর ওকে নিচ্ছে না।
নার্সের অফিসে চলো।
ওই।
আচ্ছা।
ধন্যবাদ।
বাদ দে।
আসল সত্যিটা না জেনে কারো ব্যাপারে কথা না বলাই ভালো।
কি?
তোদের গায়ে বিড়ির গন্ধ।
ধুর,শালার পুত।
-বেহুদা আলাপ। -ইচ্ছা কইরা কইলো নাকি?
আরে বাদ দে।
কি চাস?
কি?
এখানে কি?
বাইরে যাচ্ছিলাম।
হিও-মান সেই বেইজ্জতি হইছে।
হ,ওরে আমিও টাইট দিতে পারুম।
আব্বে,শালার পুত।
-আমিই জিতবো দেখিস! -হুর ব্যাডা!
কিরে।
গো-তাক হারামীটা কি বইলা গেলো?
না,তেমন কিছু না।
খালি বললো সি-এয়োন আসলে
No comments yet. Be the first to leave one.