ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ব
বঙ্গা
বঙ্গানু
বঙ্গানুবা
বঙ্গানুবাদে
বঙ্গানুবাদে -
বঙ্গানুবাদে - মা
বঙ্গানুবাদে - মারি
বঙ্গানুবাদে - মারিব
বঙ্গানুবাদে - মারিব সি
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরা
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরাজ
জেনারেল মোহাম্মদীর নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী রক্ষিবাহিনী
দুর্নীতিগ্রস্ত, ক্ষয়িষ্ণু পুঁজিবাদী পশ্চিমাদের অনুমতি দেবে না,
যারা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের নেতৃত্বাধীন, এবং যারা প্রকৃত ইরানী জাতিকে কলুষিত করতে চায়।
বিশ্বাসঘাতকদের জন্য কোনো আশার বাণী নেই।
অনন্তকালের জন্য তারা লজ্জিত ও অপমানিত হতে থাকবে।
ইরানের জনগণ, পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ,
এই ঐক্যকে বিঘ্নিত করার জন্য ইহুদিবাদীদের হীন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তারা রুখে দাঁড়াবে।
বিশ্বাসঘাতকদের যথাযথ কঠোরতার সাথে এবং সিদ্ধান্তমূলকভাবে মোকাবেলা করা হয়েছিল।
বিপ্লবী রক্ষিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার হিসেবে তার প্রথম ভাষণে,
জেনারেল মোহাম্মদী বিচক্ষণতা, সাহস এবং কর্তৃত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
- হ্যালো? - আমি ফিরতি পথে আছি।
বাইরে এসো। দক্ষিণ প্রান্তে আমার সাথে দেখা করো।
তামার।
কী চলছে?
আমি পরে ব্যাখ্যা করবো। এখনই আসো।
যে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে...
জি, ফারাজ স্যার।
তুমি কোথায়? বাড়িতে নড়াচড়া দেখা যাচ্ছে।
- বস, আপনি কি নিশ্চিত এটাই সে? - অবশ্যই। আমি এখানে তাকে অনুসরণ করে এসেছি।
ঠিক আছে, আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
আপনি কি তাকে দেখতে পাচ্ছেন?
সে এখন বেরিয়ে আসছে।
আমি তার উপর নজর রাখছি। লাইনে থাকো।
দেখ, সে বাজার থেকে বের হওয়ার দক্ষিণ রাস্তার দিকে যাচ্ছে।
যাও। তাকে চমকে দাও। যাও!
পরের বাঁকেও মোড় নেবে।
সতর্ক থেকো।
থাম! থাম!
থাম!
ধর ওকে!
ধর ওকে!
থাম, হারামি!
তুই শুধু ঝামেলাই পাকাস!
বদের বদ হারামির বাচ্চা!
থাম, বিশ্বাসঘাতক!
খসরু, যাও, ওকে গিয়ে ধর।
কুত্তার বাচ্চা!
ও কোথায়?
মিলাদ কোথায়?
চলুন, অন্যপাশে গিয়ে দেখি।
থাম, হারামি!
হ্যাঁ, বাজারের পূর্ব দিকে ফিরে গেছে।
ব্যাটাকে ধরেছি।
ব্যাটা খচ্চর! তুই অন্ধ নাকি?
অনুবাদ ও সম্পাদনা মারিব সিরাজ
TEHRAN (তেহরান) সিজন-২ ♥ এপিসোড-২
- ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
কী হয়েছে?
পুলিশ।
ড্রাগ ইউনিট, ডিলারদের নিধন করছে।
গাড়িতেই থাকো।
হ্যালো, আপনি কেমন আছেন?
- সব ঠিক তো? সবার জন্য রুম হবে তো? - হ্যাঁ।
- এখানে আর কেউ নেই? - সত্যি বলতে, আছে।
তুমি আমাকে এসব বলোনি কেন?
বলতে পারিনি। এটা অনেক বড় একটা অপারেশন ছিল।
তামার, আজিজির সাথে আমাদের একটা প্ল্যান ছিল।
তাতে কোনো কাজই হতো না। রক্ষিবাহিনী আমাদের খুঁজছে।
- তাহলে তুমি তাদের জন্য কাজ করতে গিয়েছিলে? - হ্যাঁ।
ওদেরকে বাগে পেতেই...
ওদেরকে বাগে পেতেই তোমাকে বের করে এনেছি।
তুমি এটা কী বলছো?
তুমি কী করতে চাইছো?
আমি এখনই যেতে পারছি না।
কেন?
এটা আমার দোষেই হয়েছে।
আমাকেই এটা ঠিক করতে হবে।
তামার।
তামার, তোমার চাচা- চাচীর সাথে যা হয়েছে তার জন্য আমি খুবই দুঃখিত।
কিন্তু এটা তো তোমার দোষ নয়।
ঠিক আছে, যাওয়ার সময় হয়েছে। বের হও।
শোনো, তারা জানে তারা কী করছে।
ওরা তোমাকে সীমান্ত পার করিয়ে দেবে। আমি তোমার সাথে কানাডায় দেখা করবো।
তোমরা কী বিষয়ে কথা বলছো?
- সে একা যাচ্ছে। - আমরা দুজনেই থাকছি!
- তোমাকে ছাড়া যাব না। - তারাতারি কর!
তোমরা দুজনেই যাচ্ছো। এটা আমার আদেশ।
কার সাথে কথা বলা লাগে বলুন! প্ল্যানে পরিবর্তন এসেছে।
আপনি কি বুঝতে পেরেছেন?
আমার নাহিদ,
- প্রিয়তমা... - হুম।
তুমি টিভি দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েছিলে।
- আমি কি অনেকক্ষণ ঘুমিয়েছি? - হ্যাঁ।
আমি সিনেমার শেষটা দেখতে চেয়েছিলাম।
তারা সম্ভবত সুখে শান্তিতে জীবন পার করছিল।
চলো, তোমাকে বিছানায় দিয়ে আসি।
এসো।
- তুমি কি ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
এই সুন্দর সিনেমাটা একটা তুর্কি মেয়েকে নিয়ে ছিল, যে...
তুমি কি দরজায় তালা দিয়েছ?
খুলবে না।
মানুষগুলো নক করছে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
শুভ অপরাহ্ণ, কামালি সাহেব।
আমাদের ভেতরে এসে দ্রুত তল্লাশি করতে হবে।
আমি দুঃখিত। আমি আপনাদের ঢুকতে দিতে পারব না।
মশাই, এগুলো নিরাপত্তার স্বার্থে করা হচ্ছে।
এই বাড়িতে অনেক ব্যক্তিগত বিষয়াদি আছে।
- ভালোয় ভালোয় সহযোগিতা করুন, অন্যথায়... - আচ্ছা, ঠিক আছে।
স্বাগতম, স্যার।
তোমাকে বাড়িতে, জীবিত ও সুস্থ দেখে খুশি হলাম।
আমার স্ত্রী এজন্য আপনার কাছে কৃতজ্ঞ, স্যার। আমরা দুজনই কৃতজ্ঞ।
জেনারেল মোহাম্মদী, আপনাকে চা করে দিই?
না, ধন্যবাদ। কষ্ট করার দরকার নেই।
আমরা কোথায় একান্তে কথা বলতে পারি?
ওহ, এদিকে আসুন।
আমি কী করবো বলো?
আপনি যেতে পারেন।
আমি রিপোর্ট পেয়েছি
তুমি ও তোমার প্রাক্তন সহকারী মিলে আজ রাতে এক ইসরায়েলি এজেন্টকে ফলো করেছো,
এবং তুমি তাকে নিজ চোখে দেখেছো।
এটা কি সত্যি?
- জি, স্যার। - সাসপেন্ড হওয়া সত্ত্বেও?
কাহিনী তো সুবিধার ঠেকছে না, ফারাজ।
আমরা দুই মাস ধরে তার খোঁজ করেছি, আর তুমিই কিনা তাদেরকে খুঁজে পেলে?
আমি এটা শুধু আমার দেশের জন্য করেছি।
আমি এখানে আসার পথে আমার বাবার কথা ভাবছিলাম,
ভাবছিলাম, তিনি কীসের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন।
আমি তার সাথে তেমন কথা বলি না।
তাকে শহরের প্রতিটি জুয়ার আসর থেকে বের করে দেওয়া হতো
এবং তখনই মারামারি শুরু হয়ে যেত।
এক রাতে, তিনি এক দৈত্যাকার লোককে দেখলেন,
সে ঘৌল নামের একটা চর্মসার বুড়োর সাথে লড়াই করছিল।
তখন রাতের শেষ ভাগ,
আর বাবা, আমার ও আমার ভাইদের রোজগার করা বেশিরভাগ টাকাই খুইয়ে বসে ছিলেন।
লড়াই শুরু হলে,
একটা বড়, রোগা কুকুর ঘৌলের কাছে আসে।
এক মুহুর্তের জন্য, মনে হয়েছিল যে...
দৈত্যাকার লোকটার হয়তো রোগা কুকুরটার জন্য করুণা হয়েছিল,
হয়তো সে ভেবেছিল, এই প্রাণীরাও তো করুণার যোগ্য।
হঠাৎ ঘৌল একটা লাফ দিয়ে দৈত্যাকার লোকটার ঘাড় চেপে ধরল।
সে কামড় বসিয়ে দিয়েছিল এবং মোটেও ছাড়ার পাত্র ছিল না।
তাকে টেনে সরাতে দশজন লোক লেগেছিল।
এ সব কিছুর শেষে,
আমার বাবা পকেট ভর্তি টাকা নিয়ে বাসায় এলেন।
একমাত্র সেদিনই ভাগ্য তার সহায় হয়েছিল।
আগামীকাল সকালে, তুমি তোমার ডিপার্টমেন্টে ফিরে যাচ্ছ।
তোমার প্রায়শ্চিত্ত করার মতো অনেক কিছু আছে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, জেনারেল।
আমি তোমাকে একটা সুযোগ দিতে এখানে এসেছি, ফারাজ।
এটা হেলায় হারিও না।
জি, স্যার।
নাহিদ, আমার সোনা।
নাহিদ।
রাস্তার ওপারের কালো গাড়ি দেখেছো?
ওটার কাছে যাও।
এটাকে ভুল পথে নিয়ে যেও না, যদিও আশা করেছিলাম তোমার সাথে আর দেখা হবে না।
আমি ইউলিয়া ম্যাগেনের সাথে কথা বলতে চাই।
- তাকে জানিয়ে নিশ্চিত হতে হবে। - তার সাথে সরাসরি কথা বলতে চাই।
স্থানীয় এজেন্টদের সাথে কিছু খারাপ ঘটনা ঘটেছে।
আর যে স্থানীয় এজেন্ট তোমাকে বিপ্লবী রক্ষিবাহিনীর হাত থেকে পালাতে সাহায্য করেছিল?
তার সাথে তোমার কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
তামার, আমিও এমন লোকদের হারিয়েছি যাদের নিয়ে আমি চিন্তা করতাম।
আমাকে বিশ্বাস কর। আমি জানি তোমার কেমন অনুভূতি হচ্ছে।
আপনি কী জানেন? আপনি তো আমাকে চেনেনও না।
আমি জানি তুমি একজন ভালো এজেন্ট।
আমি জানি, তোমার কারণেই,
বেন হেইম আমাদের কথা মতো তার বাড়িতে পরিবারের কাছে যাচ্ছে।
তোমাকে এজন্য ভয়ানক মূল্য চোকাতে হয়েছে, কিন্তু তা মোটেও বৃথা যায়নি।
এখন আমাকে বলো, তুমি কেন সেই ট্রাকে উঠোনি।
আমি জানি, কিভাবে কাসেম মোহাম্মদীর কাছে যেতে হবে।
এবং আমি তাকে বের করে আনতে চাই।
আমি সিরিয়াস।
- কীভাবে? - তার ছেলে, পেম্যান।
মিলাদ তার এক বন্ধু বাহিদ নেমাতির কাছে মাদক বিক্রি করে।
আমি বাহিদের সাথে বন্ধুত্ব করবো।
আমি তাদের দলে প্রবেশ করবো এবং পেম্যানের সাথে দেখা করবো।
পেম্যান হলো মোহাম্মদীর কাছে পৌছানোর একটা সহজ পথ মাত্র।
আর যোগাযোগ করতে মিলাদকেও লাগবে।
আমরা তাকে বিশ্বাস করতে পারি। সেটা সে ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে।
হ্যাঁ, কিন্তু সে কি সামলাতে পারবে?
- কৌশলগতভাবে, আবেগতাড়িতভাবে, সে তো... - সে এটা করতে পারবে।
আমি ব্যবস্থা করবো।
আমার এজেন্ট তোমাকে নিরাপদ কোথাও নিয়ে যাবে।
শুনুন, আমরা কিভাবে এগোতে যাচ্ছি...
আমি তো বললাম, আমি ব্যবস্থা করবো।
আমাদের যোগাযোগ থাকবে।
কিছুক্ষণ বিশ্রাম নাও।
আপনি কি সব শুনেছেন?
হ্যাঁ।
আমি মনে করি এটা বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে।
সে যদি পেম্যান মোহাম্মদীর কাছে যেতে পারে, তাহলে তা করে দেখতে ক্ষতি নেই।
ইউলিয়া, মেয়েটি মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত আর সে যুক্তিযুক্ত আচরণ করছে না।
সে শুধু ফাঁসির মঞ্চে তার ঝুলন্ত খালার ছবি দেখছে।
অবশ্যই এটা কোনো খারাপ কিছু নয়।
আমরা উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করা এজেন্টদের পছন্দ করি।
কিন্তু তাদের তো ঠাণ্ডা মাথায়, আবেগহীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
যেটা এখন তামারের পক্ষে করা সম্ভব নয়।
মোহাম্মদী ইসরাইলের মুখোমুখি হয়ে সবচেয়ে বড় হুমকির প্রতিনিধিত্ব করছে।
No comments yet. Be the first to leave one.