Pierwsze 200 wierszy.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সবসময় একটা জিনিস বিশ্বাস করেছি।
যে আমার জন্য অবশ্যই কেউ আছে।
একটা পারফেক্ট ম্যাচ, একটা সোলমেট।
আর তার জন্য, আমি সবকিছু করব।
আমার হৃদয় অনেকবার ভেঙেছে।
এখানেই পচে মর, শালা সাইকোচোদা।
আর আমার জীবনে সবকিছু এত সহজ ছিল না।
কী করলে তুমি?
কিন্তু সব ঠিক মনে হয় যখন আমার লাভ কুইনের সাথে দেখা হয়।
আমি উল্ফ ইউ।
আমি ওকে ভালোবেসেছি।
ওর সবকিছু আপন করে নিই এমনকি ওর খারাপ দিকগুলোও।
তোমাকে শুধু তোমার ভাইকে নিরাপদে রাখতে হতো। কিন্তু তুমি ব্যর্থ হয়েছ।
কিন্তু আমি ভুল ছিলাম... লাভের ব্যাপারে।
কোনো শহর খুঁজো। ওখানে পৌঁছালে, তোমাকে একটা লিগাল আইডির ব্যবস্থা করে দিব,
তোমাকে টাকা পাঠাবো, ছেড়ে দিব না।
মারা খাও।
কিন্তু ততক্ষণে, অনেক দেরি হয়ে গেছিল।
আমরা এখন একসাথে থাকতে পারব।
আমার মনে হয় না পারব।
- সত্যি, সত্যি, একদম। - না, আমি প্রেগন্যান্ট!
আর তখন বুঝতে পারলাম আমার কাকে রক্ষা করতে হবে।
আমাদের মেয়েকে।
ওর জন্য, আমি সান ফ্রান্সিসকোর বাইরে,
একটা প্রাণহীন, ধনীদের এলাকায় এসে থাকছি।
ওর জন্য, আমি একটা ডাইনীকে বিয়ে করেছি, ওর মাকে।
ওর জন্য, নিজেকে এই জেলখানায় কয়েদ করেছি।
জানি না কীভাবে আমাদের দুজনকে এই কয়েদ থেকে বের করব।
কিন্তু আমার পুরানো সত্ত্বার একটা জিনিস ভুলতে পারছি না।
সবসময় একটা জিনিস বিশ্বাস করেছি।
যে আমার জন্য অবশ্যই কেউ আছে।
কখনোই ভাবিনি, ছেলে আর মেয়ে এক হবার পর কী হয়।
কারণ আমরা জানি,
"এরপর তারা চিরকাল সুখে শান্তিতে জীবন কাটায়।"
স্ক্রিন কালো হয়ে যাবে, ক্রেডিটস ভেসে উঠবে।
আমার আরও প্রশ্ন করা উচিত ছিল।
কারণ আমি জীবনে অনেকবার খারাপ পরিস্থিতিতে পড়েছি।
কিন্তু এটা?
দিক নির্দেশনা পেলে ভালোই হবে।
জো। জো।
এবার তোমাকে লাগবে।
নাড়ি কাটার সময় হয়েছে।
কিন্তু আগেও আমি অন্ধকারে রাস্তা খুঁজে বের করেছি, এবারও পারব।
আমাকে পারতেই হবে।
আমার মেয়ের রক্ষা করার জন্য।
অভিনন্দন, বাবা। ছেলে হয়েছে।
- ছেলে হয়েছে? - এই।
- হাই। - আমার হোগা মারা সারা।
আর এরও।
- সাবধানে। সাবধানে। - তো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টের নাম কী?
হেনরি।
ওর কোনো মিডিল নেম আছে?
ফর্টি কুইন-গোল্ডবার্গ।
আমাদের তো বলা হয়েছিল মেয়ে হবে।
ওহ, হয়তো তখন লজ্জা পেয়েছিল।
- জিনিস লুকিয়ে রেখেছিল। - কিসমত। ঈশ্বর আমাদের ছেলে দিয়েছেন।
যেমনটা বলেছিলাম, হোগা মারা সারা।
এখন যেহেতু বাচ্চা এসেছে,
তাই অন্তত আমাদের এখানে আসাটা একটু বাস্তবিক মনে হচ্ছে।
যাইহোক, আমরা স্কুলের জন্য মাদ্রে লিন্ডায় এসেছি।
সেই উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার কুয়াশা সরে গেলে, বহুদূর অবধি দেখা যায়।
মাইল জুড়ে কাঠখোট্টা প্রতিবেশী, যারা সন্দেহের নজরে
লন দেখভালের যন্ত্রপাতি ও ভিডিও ডোরবেলের পেছন থেকে তাকিয়ে আছে।
কিন্তু, এটা, এই গোল্ডেন স্টেটের সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা।
আর এর জন্য কে নিজের আত্মা বিক্রি করবে না?
আমাদের কাছে সবকিছু আছে।
তো ওর কাছে সবকিছু আছে।
পারফেক্ট ফ্যামিলি, যা চলছে কুইনের কালো টাকায়।
আমরা এই অবস্থানে নিজেদের বলে আসতে চেয়েছিলাম।
তোমাকে আপোষ করতে হবে, যখন ব্যাপারটা বউ বাচ্চার হয়।
বাসায় স্বাগত, ফর্টি।
ওকে আমরা ওর আসল নাম ধরেও ডাকতে পারি।
আমরা একটা পরিবার।
আমি, একটা বাচ্চা আর তার মা, যে সাধারণত দারুণ
কিন্তু মাঝেমধ্যে মানুষ খুন করে বসে।
কী ভুল হতে পারে?
হাসপাতাল থেকে বাসায় আসার পর বাইরে যাবার সুযোগই হয়নি।
ভেবেছিলাম বাবা-মা হওয়া নিকোলসন বেকারের লেখা কোনো রচনার মতো।
ছোট মূহুর্ত থেকে সৃষ্টি হয় চমৎকারের।
হ্যাঁ।
বা হয়তো লুইসা মেই অ্যালকটের লেখা উপন্যাসের মতো।
কঠিন কিন্তু ফলপ্রসূ। আর আদর্শবানও।
- পরাও, পরাও, পরাও। - আচ্ছা, আচ্ছা, আচ্ছা।
হয়তো, বাবা-মা হওয়া জেন-পল সেটরের লেখা
গ্রাউন্ডহগ ডের মতো।
জো।
কোনো গ্রিক লোককথার মতো
বাচ্চার গুয়ের পাহাড়ের উপর দিকে পাথর ঠেলা নিয়ে বাস করার পরও,
এটা অবিশ্বাস্য, যে ওর রক্ষা করতে মন চায়।
একদম ভেতর থেকে অনুভূতি জাগে। আমি ওর জন্য সবকিছু করতে পারি।
"ভেবেছিলাম গেটসবি কতটা অবাক হবে যখন সে ডেইজির...
ডকের শেষ প্রান্ত থেকে প্রথমবারের মতো গ্রিন লাইট দেখবে।
ও অনেক দূর থেকে এসেছিল এই নীল তৃণভূমিতে, আর..."
ব্যাপার না।
আমার ব্যস কানেকশনটা অনুভব হয় না।
আমি যতই ওর কাছে যাবার চেষ্টা করি, ও ততই বেশি কাঁদে।
ও জানে আমাদের মধ্যে কানেকশনটা নেই।
- ঠিক আছ? - হ্যাঁ, ঠিক আছি।
"ঠিক আছি" এর মানে "নিপল ব্যথা করছে,
হরমনের বারোটা বেজে আছে,
ছয় মাস ধরে ঘুমাতে পারছি না, আর এখনও ভাইয়ের মৃত্যুর শোক
কাটিয়ে উঠতে পারিনি।"
আমি এসেছি। আমার সোনার ছেলেটা কোথায়?
দেখো তো নানীমা ফর্টির জন্য কী এনেছে।
নানীমা ডটি,
সেও ফর্টির মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি, আর ৩০ মিনিটের দূরত্বেই বাসা নিয়েছে।
মা, ওর নাম হেনরি।
বেশ, মনে হচ্ছে হেনরির ডায়পার বদলাতে হবে।
আমি করছি। খুব ভালো হতো...
যদি কয়েকটা ছবি তুলতে আমার ফিডের জন্য।
- ঠিক আছে। - যদিও ধারাবাহিকভাবে ওর দুঃখ
ইন্সটাগ্রামে দেখিয়ে যাচ্ছে।
আর ওর ওঝা নিশ্চিত করেছে যে হেনরিই ফর্টি, পুনর্জন্ম নিয়েছে।
ও ডটির সাথে যতটা খুশি থাকে, আর বেশ,
আমার সাথে যতটা নাখোশ থাকে, মনে তো হয় ডটির ওঝা ঠিকই বলেছে।
যাক কমসেকম আমার পুরানো জীবনের একটা ছোট অংশ বেঁচে আছে।
এই নরকের মতো জায়গায় একটা বইয়ের দোকান অবধি নেই,
কিন্তু অনলাইনে ইচ্ছুক ক্রেতা খুঁজেই নিই।
আর ইনকাম এলিকে পাঠিয়ে দিই...
যখনই ওর সাথে কথা হয়।
আর কখনও বাইরে ঘুরতে বের হলেও, ফর্টি...
না, না। হেনরি আমাদের ল্যাটে (কফি) হাতে নেবার আগেই কাঁদা শুরু করে।
ওউ।
আমার জমজরা কাঁদার রেকর্ড করেছিলো।
যাইহোক, আমি শেরি।
আর হ্যাঁ, এখানকার বিখ্যাত মমফ্লুয়েন্সার শেরি কনরাড।
ওর ব্লগ স্ল্যাশ পডকাস্ট স্ল্যাশ ব্র্যান্ড, হার্ট-শেপড মিস্টেকস...
মেরে ফেলো আমাকে... কষ্টে অর্জিত জ্ঞানের আড়ালে ভান করা
ওর ভাব নেওয়ার কেন্দ্রস্থল এটা।
- আমি লাভ। - কুইন-গোল্ডবার্গ?
- আর ও জো? - হ্যাঁ।
আর এই সুদর্শন পুরুষ হচ্ছে ফর্টি, তাই না?
- হেনরি। ওর নাম হেনরি। - অবাক করা ব্যাপার, আমাদের দেখা হতে এত সময় লেগে গেল।
হ্যাঁ। বেশ, নতুন নতুন বাচ্চা হয়েছে, বুঝোই তো।
ওহ, খোদা। একদম।
ভালো লাগছে, এখানে এভাবে দেখা হয়ে গেল।
আমাদের কখনও একসাথে কফি খাওয়া দরকার, লাভ। আমার সব ট্রিক্স তোমাকে বলব।
এই টোন,
ভালোমানুষির ভন্ডামিতে ভরা।
তোমরা দারুণ করছ। বাই।
ধন্যবাদ। বাই।
যেন ওর সম্মতি লাগবে আমার। বালের কাহিনী চোদায়?
কপাল ভালো যে ওর চোখে চাকু ঢুকিয়ে দিইনি। চলো।
আমি একটা বাচ্চাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছি,
আর সেখানে ভাবা যাবে না তুমি কার সাথে ফেঁসে গেছ।
এমন একটা মহিলার সাথে ফেঁসে গেছি
যে মানুষের চোখে চাকু ঢুকানো নিয়ে মজা করে,
- কিন্তু আসলে ও এমনটা করতেও সক্ষম। - খাবে?
উম। ধন্যবাদ।
লাভ কে বা কী এসব ভাবলে চলবে না।
আমার কাজ হচ্ছে একজন ভালো স্বামী হওয়া যাতে একজন ভালো বাবা হতে পারি।
হেই, নাটালি!
হাই।
বুঝি না ওর সমস্যা কী।
- কী? কার? - আমাদের প্রতিবেশী, নাটালির।
ও আমাদের এখানে আসার পর কোনো উপহার দেয়নি, ফর্টির জন্ম হবার পরও কিছু দেয়নি।
হেনরি। হেনরি।
হ্যাঁ, বোধহয় তুমি ঠিক। ও একটু অদ্ভুত।
কী, আমার কিস করা ঠিক হয়নি? নাকি...
না, না, আমি একটু ক্লান্ত।
আর এই জায়গার বারোটা বেজে আছে। আর শেরি আমার মুখের উপর বলেছে...
- আসলে, আমার বারোটা বেজে আছে। - ও একটা গাধা। গিয়ে একটু শোও।
আমি এসব দেখছি, আর ওরও খেয়াল রাখব।
শশ।
আবার শুরু। যখনই ওকে হাত দিই।
আমাকে করতে দাও, জো৷ জো। জো।
না ঠিক আছে।
আসো। চলো। চলো।
এই, এই, এই।
আমার ছেলে আমাকেই পছন্দ করে না কেন?
জানো তো, তুমি মন থেকে না করলে বাচ্চারা সেটা বুঝতে পারে।
- আমি... কী...? - না। স্যরি। সব আমার মাথায় ছিল।
মারা খা।
লাভ ঠিক বলেছে। আমার সত্যিই এতে মন নেই।
থাকবে কী করে, মন তো তুমি চুরি করেছ?
লাভ?
এই, উহ...
ডায়পার শেষ হবার পথে, তো আমি গিয়ে নিয়ে আসছি।
সত্যি বলতে, তোমার কারণেই এই কয়েদে টিকে আছি।
আমার ডকের শেষ প্রান্তে জ্বলতে থাকা গ্রিন লাইট।
জানি তোমারও এমনটা মনে হয়।
হ্যালো, প্রতিবেশী।
আমি চাই না এসব এমন কোনো জায়গায় হোক।
তোমাকে কোনো বিলাসপূর্ণ জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। এটা তোমার প্রাপ্য।
গাড়িতে ঠিক আছে। এবার চুপ করে আমাকে কিস করো।
তুমি কি আমার মন পড়ে ফেলেছ?
- এই, প্রতিবেশী। - হাই, নাটালি।
ঠিকঠাক ঘুম হচ্ছে না নিশ্চয়ই। তোমার বাচ্চার কান্না শুনতে পাই সবসময়।
- ওহ। - না, না। বাচ্চারা কাঁদে। ব্যস...
আমি বুঝি তুমি কেন একটা মুদিখানার পার্কিং লটে ঘুমাচ্ছ।
এই নাও। ভাবলাম তোমার সময় বেঁচে যাবে।
তো তুমিও আমাকে খেয়াল করছ।
- ধন্যবাদ। - আরেকটা ব্যাপার।
দুধ খাওয়ালে প্রেগনেন্ট হবে না এসব কথা বিশ্বাস কোরো না।
আমার বোন জলদিই প্রেগন্যান্ট হয়ে গেছিল।
বন্ধুরা বন্ধুদের বলে। তো...
আমার সাথে ফ্লার্ট করছ?
অবশ্যই, কন্ডমের ব্যাপারটা প্রতিবেশীর নিছক ফাজলামি হতে পারে
সাথে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করার চেষ্টা।
No comments yet. Be the first to leave one.