لومړۍ 200 کرښې.
আগে যা ঘটেছে...
অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
ক্যান্ডেস।
ক্যান্ডেস।
ক্যান্ডেস!
ক্যান্ডেস!
ক্ষমা করে দাও!
ক্ষমা করে দাও আমায়!
ক্যান্ডেস!
ক্যান্ডেস!
ভাগ্যিস তুমি তিন গ্লাস পিনোট খেয়েছ।
আমি তোমাকে জাগাতে চাই যাতে তুমি আমায় জড়িয়ে ধরো।
কিন্তু তারপর হয়তো জিজ্ঞেস করবে আমি স্বপ্নে কী দেখেছি।
আর এতে কিছু যায় আসে না, বেক।
গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আসলটা কী। এইটা।
আমরা।
YOU
যুদ্ধের দেবী। সাতটা অক্ষর। আথিনা?
ওহ, না, এটায় তো ছয়টা।
ইশতার? না। না, না, না। ফ্রেয়া। ফ্রেয়া চলে? ফ্রেয়া?
সাতটা লাগবে।
আচ্ছা, দাও। দেখতে পারি?
আচ্ছা, হ্যাঁ...
ওহ!
শেখমেট। হ্যাঁ। এস-ই-কে-এইচ...
না, সে তো মিশরীয় দেবী ছিল। কী?
কিছু না। ব্যস...
তোমার মন প্রাসাদে কিছু খুঁজতে দেখা
আমার ভালো লাগে।
আর যখন তুমি "মন প্রাসাদ" এর মতো কিছু একটা বলো তখন আমার ভালো লাগে।
আমার মনে, তুমিই আমার রাণী।
- ও, আচ্ছা! - হ্যাঁ, ঠিক?
আমি এসব মিস করতাম। আমাদের নিত্যদিনের কাজকারবার।
কিন্তু অবশ্যই, তোমার সব গার্লফ্রেন্ডের সাথেই এমন করো।
সবার সাথে। গোটা বাহিনীর সাথে।
যাইহোক, কয়টা ছিল তোমার?
গার্লফ্রেন্ড? সত্যি? বলেছিলাম না?
মানে, ক্যারেন বাদে, তুমি ব্যস একজনের ব্যাপারে বলেছিলে।
কী যেন নাম ছিল, ইউরোপ না কোথায় যেন চলে গেছিল?
ইস্, ওর নামটা যে কী?
তুমি জানো ওর নাম কারণ কাল রাতে আমাকে বলতে শুনে ফেলেছিলে, তাই না?
আর এখন ওর ব্যাপারে আরও জানতে চাও। তা তো চাইবেই।
ঘুমের মধ্যে আমি কেন অন্য একটা মেয়ের নাম ধরে ডাক দিব?
ওহ, ক্যান্ডেস, তাই না?
সমস্যা হলো নাকি?
- হ্যাঁ। - এখনও কি ফ্রান্সে আছে নাকি অন্য কোথাও?
উহ, ইতালি। ঠিক জানি না। আসলে আমার কিছু যায় আসে না।
বেশ, তোমাদের ব্রেক আপ হয়েছিল কেন?
সমস্যা হয়েছে।
কারণ ও আমাকে ধোকা দেয়। কারণ আমরা বেমানান ছিলাম।
যে রাতে আমাকে ট্রেন ট্র্যাক থেকে তুলেছিলে,
তুমি একটা মেয়েকে ফলো করছিলে। ও-ই কি সেই মেয়ে?
হ্যাঁ, আর সেটা আমার বোকামি ছিল।
সত্যি হচ্ছে, কিছু মানুষ তোমাকে দেখায় তোমার জন্য কী ঠিক না।
আর বাকিরা দেখায়...
আসলে কী সেটা।
আপাতত বেঁচে গেছি। কিন্তু আমি তোমাকে চিনি।
তুমি প্রশ্ন করা বন্ধ করবে না যতক্ষণ না আমি
ক্যান্ডেসের স্বপ্ন দেখার ব্যাপারে কিছু করছি।
কাউকে তাড়াবে কীভাবে?
ঝাড়ফুঁক? সম্মোহন?
আমরা ভূতের সাথে আরেকটা রাত কাটাতে পারি না।
এই, আমি ভুলেই গেছিলাম। আজ মনির থেকে পে-রোল সাইন করাতে হবে।
তাই আমি মেয়েদের সাথে লাঞ্চ করতে পারব না। সমস্যা নেই তো?
- না, ঠিক আছে। - আচ্ছা, বেশ।
আমাকে মিথ্যা বোলো না, জান!
জানি তুমি মেসেজগুলো পেয়েছ।
প্লিজ, আমার সাথে দেখা করো। আমার কথা শোনো।
সম্ভবত, ডাক্তার সাহেবেরও মেয়ে ঘটিত ঝামেলা আছে।
ওসবের জন্য স্যরি, পল।
সব ঠিক আছে?
- মানে... - হ্যাঁ। হ্যাঁ।
তো... তুমি স্বপ্ন দেখছ। কখন থেকে?
উহ, রেনাল্ডোর সাথে ব্রেক আপ হবার পর থেকেই।
ঠিক। আর তুমি রেনাল্ডোর সাথে ব্রেক আপ করেছিলে কারণ ও তোমাকে ধোকা দিচ্ছিল।
তো তুমি তোমার প্রাক্তনের স্বপ্ন দেখছ তাও আবার অন্য এক পুরুষের সাথে।
কিন্তু রেনাল্ডোকে হারানোর পর সব স্মৃতি ফিরে আসতে পারে স্বাভাবিক, তাই না?
কিন্তু রেনাল্ডো ধোকা দিচ্ছিলো না, যেহেতু প্রমাণ মিলেছে।
আসলে, আমরা এখন এক হয়ে গেছি, আর সবকিছু আগের চেয়েও ভালো অবস্থানে আছে।
আচ্ছা। তো তুমি জানতে চাও এই স্বপ্ন আসা থামছে না কেন?
একদম।
আচ্ছা বলতে পারবে তোমার প্রাক্তনের সম্মুখীন হতে চাও না কেন?
মনে হয় না প্রশ্নটা বুঝেছি আমি।
বেশ, তোমার স্বপ্নে, বলছিলে তুমি ওর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করো।
কিন্তু পেরে উঠো না কারণ নিজেকে বন্দী করে রেখেছ।
আমি নিজেকে বন্দী করে রাখিনি। নিজেকে বন্দী অবস্থায় খুঁজে পাই।
কার স্বপ্ন এইটা?
দেখো, আমরা নিজেরাই আমাদের স্বপ্নের কারিগর।
তোমার প্রাক্তনের সাথে কোনো ব্যাপার আছে যা তোমার মেটানো প্রয়োজন।
বিশ্বাস করো।
যদি না মেটাও, যদি সম্মুখীন না হও,
তবে এটা তোমাকে তাড়া করবে, বন্ধু।
উহ, হ্যাঁ, ক্যান্ডেসের সম্মুখীন হতে হবে। মানে নিজের বারোটা নিজেই বাজাবো।
কিন্তু ঘুমের মধ্যে ওর নাম না নেওয়া লাগে তার জন্য সাত খুন মাফ।
জলদি কর, শয়তান। আমার খিদে পেয়েছে।
টেরি, তুই কি মজা নিচ্ছিস?
এই যে, এই যে।
তোমার সাহায্য করতে পারি?
আমার স্বপ্নের রাজকুমার।
তোমরা আজ রাত এখানে বাজাবে?
হ্যাঁ, যদি তার আগে খিদেয় মরে না যাই।
আসলে তোমার আসা উচিত। আমরা বেশ ভালোই বাজাই।
- আমরা হলাম হিথক্লিফস মেসারি। - উদারিং হাইটস (উপন্যাস)?
দারুণ। আমি ক্যান্ডেস।
ওহ। হেই, আমি জো।
সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ, জো।
এ আমার সৌভাগ্য, ক্যান্ডেস।
ওরে ক্যান্ডেস রে। মানে, দেখো একবার।
স্বাভাবিক... রাতে ওর স্বপ্ন দেখবে।
লাল লাল চুল তার,
"আমার সাথে গুহায় চলো, জন স্নো", সেরকম।
বেশ, তুমি ভাবো আমি অনেক বেশি সেলফি পোস্ট করি...
আর ও জোয়ের টাইপেরও না।
আমি তো ভেবেছিলাম ও ভদ্র নষ্টা মেয়েদের পছন্দ করে।
শয়তান।
মানে, না সত্যি, এক বছর ধরে ও কিছু পোস্ট করেনি।
এই অ্যাকাউন্টটাও অ্যাক্টিভ না।
ও ইতালি পালিয়েছে। সম্ভবত।
তোমরা দু'জন দু'জনকে এতই ভালোবাসো যখন তাহলে এই মালকে নিয়ে
এত চিন্তা করছ কেন? আর ও তো ইতালিতে।
বেশ, আমরা জানি না ও সেখানে আসলেই আছে কিনা।
মানে, ও এখানে লুকিয়ে থাকতে পারে আর হয়তো দুজনে ফূর্তি করছে।
হয়তো জো এখনও ওকে ভালোবাসে।
আর বলছে ও-ই জোর চিরকালের আর আমি ব্যস ক'টা দিনের জন্য,
আর আমার সাথে থাকার জন্য ওর খারাপ লাগছে।
আচ্ছা, তুমি এখানে কী করছ সেই বিষয়ে কি কথা বলতে পারি?
না। আমি জানি তুমি কী বলবে।
সোনামণি। তোমার ক্যারিয়ার গতি ধরছে। ভালো একটা ছেলেও বাগিয়ে ফেলেছ।
আর ভাবছ খারাপ কিছু হবে।
কারণ গুইনেভার বেকের সাথে ভালো কিছু ঘটতে পারে না।
হ্যাঁ। হ্যাশট্যাগ, ড্যাডি ইস্যু।
উফ, খোদা। তোমরা একদম ঠিক বলেছ।
এটা ঐ লোকটা না?
- হ্যাঁ, ঐ লোকই। - আমাদের ফলো করছে নাকি?
হাই। হ্যালো। হাই।
অদ্ভুত লোক। হাই।
আমাদের সাথে বসবে? কারণ এখানটায় ফাঁকা আছে।
- যেমনটা ভেবেছিলাম। - ইস, কি শয়তান!
কী মনে করে, আমাদের কেউ খুন করেছে?
কী বলছ তোমরা? লোকটা কে?
ব্যাটায় তোমার সাথে কথা বলেনি? পিচের পরিবার মরার ব্যাপারটা খতিয়ে দেখার জন্য ওকে ভাড়া করেছে।
- পিআই এর মতো? - হ্যাঁ।
সব ওর মায়ের জন্য। ক্লাবের বড়লোক্স দিদিরা মনে করে না
তার সর্বগুনে সম্পন্ন মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
- কী? - ইস। ওর পোড়া কপাল।
ওর পরিবারের যেন হাউস স্লেথারিনের মতো।
ওহ, না। ক্রেয়োর জন্য আমাদের দেরি হয়ে যাবে।
- বেক, শেষবার বলছি। - যদি পারতাম! কিন্তু ব্লাইথকে নোটস পাঠানো লাগবে।
বেশ, মজা কোরো। লাভ ইউ।
- আসি। - পরে দেখা হবে।
- স্মুচেস। - ঠিক আছে তাহলে...
- বাই। - বাই।
মানে বুশনেল? হ্যাঁ, আমার ক্যান্ডেস বুশনেল পছন্দ।
যদিও, সত্যি বলতে, আমার এসজেপি ভালো লাগে না।
তুমি জানো কার কথা বলছি। জো'র ক্যান্ডেস।
হ্যাঁ, ব্যস আমি এসবের মধ্যে জড়াতে চাই না।
- কেন? - জো কোথায়?
বলেছিল মনির থেকে পে-রোল না কী যেন সাইন করাতে যাবে।
- সত্যি? - হ্যাঁ। কেন?
উহ... কিছু না।
দেখলাম ফেসবুকে তোমরা দুইজন বন্ধু।
হ্যাঁ, জন অলিভার আর আলি ফার্কা তুরে...
আর ব্লাইথের দাদী সিওবানও আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড।
তার মানে এই না যে ওদের সত্যি সত্যিই জানি।
কিন্তু ওকে তো জানতে, তাই না?
বলো না। আসলে, যে কারণেই হোক,
জো ওর ব্যাপারে বেশি কথা বলতে চায় না।
হ্যাঁ, হয়তো আমারও এই ব্যাপারে ওর ইচ্ছেকে সম্মান করা উচিত।
কেন? কী হয়েছিল?
ও বলে তেমন কিছু হয়নি,
কিন্তু স্পষ্টতই এটা সত্যি না, নাহলে তুমি এমন করতে না।
কিছু একটা হয়েছিল। যখন এসবের ইতি ঘটে ওর অবস্থা ভালো ছিল না।
আর প্রায় সপ্তাহ খানেকের মতো ওর দেখাও পাওয়া যায়নি।
- গেছিল কোথায়? - জানি না। পুরুষ মানুষের মন খারাপ হলে কোথায় যায়?
কিন্তু যখন ফিরে এলো, তখন আবার কাজে ডুবে যায়, প্রায় টানা আট দিনের মতো।
সব অন্ধকার হয়ে গেছিল।
কিন্তু তারপর তোমার দেখা পায়, আর তুমি ওর জীবনে আলো ফিরিয়ে আনো।
সত্যি।
তুমি জোকে আরও হাসিখুশি করেছ যতটা না আমি ওকে দেখেছি।
আর এটাই তো আসল, তাই না?
বাদ দাও এবার।
ড. নিকি ঠিক বলেছিল, বেক।
আমার পিছন ফিরে তাকানো পছন্দ না। এতে কোনো লাভ দেখি না।
কিন্তু যদি আমাকে...
আমাদের মাঝে যা কিছু হয়েছে, তার জন্য ক্যান্ডেসের মুখোমুখি হওয়া,
আর দেবদাসের মতো পরিণতির মধ্যে থেকে যেকোনো একটা বেছে নিতে হয়, তবে...
ওহ! হেই, সান্টা। কী ওটা?
বেশ, নির্ভর করছে।
দুষ্টুমি করেছ নাকি শান্ত ছিলে, পুচকি মেয়ে?
হো...হো...হো।
স্যরি, অনেক হলো। আমি... বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি।
ইচ্ছে করছে নিজের মুখেই পেপার স্প্রে করি।
- নাও। - মনে হয় আমরা গিফট না দেওয়ার ব্যাপারে রাজি হয়েছিলাম।
তাই? শুনিনি বোধহয়।
বানি।
আমার ফেভারিট।
- এটা প্রথম এডিশন। - সত্যি বলছ? তাই?
- উম-হুম। - এটা চিরকাল যত্নে আগলে রাখবো।
কারো থেকে পাওয়া আমার সবচেয়ে সুন্দর জিনিস এইটা।
No comments yet. Be the first to leave one.