The first 147 lines.
ফ্লেমস- সিজন ১- এপিসোড ৪ অনুবাদ ও সম্পাদনায় : আকতার হোসেন
বিক্রিয়ার সময় ২ অনু হাইড্রোজেন,
১ অনু অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে...
পানি তৈরি করে।
এরপর, আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন...
তাদেরকে আর আগের অবস্থায়...
ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
এটিকে 'অপরিবর্তনশীল বিক্রিয়া' বলা হয়।
এখানে রজত ও ইশিতার সাথেও...
ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। - ইশিতা!
ইশিতা! শোনো না।
রাজ্জো, শোন।
চল আনুশা, ভিতরে চল।
ও তো আমাদের সাথে কথাই চলতে চায় না।
তুই যা, আমি আসছি।
ঠিকাছে, থাক এখানেই।
ওর মা হয়েই থাক!
কথা হয়েছে কোনো?
মেসেজের রিপ্লাই দিয়েছে?
নাহ্! মেসেজ সিন করে রেখে দেয়।
ওকে কীভাবে বুঝাবো যে আমি নই, পান্ডুই...
ওর কারণেই এসব হচ্ছে...
আর উল্টো আমাকেই গরম দেখাচ্ছে! ভাব দেখ শালার!
বাদ দে না.. ইশিতা...
ও এরকম রাগ দেখাচ্ছে কেন?
আমারই তো রাগ করা উচিত।
সেদিন তোদের কথা কাটাকাটির...
পর থেকেই ওর মেজাজ খারাপ।
হ্যাঁ, মেজাজ শুধু ওরই খারাপ।
আর আমি তো মজায় আছি!
বাদ দে না, তুই ইশিতার উপর ফোকাস কর।
কী করবো?
কথাই তো বলে না আমার সাথে।
যদি আমার উপর এতটাই রাগ থাকে...
তাহলে গালি বা থাপ্পর দিক!
নাহ্, থাপ্পর বাদ।
মারবে না!
আমি ওর সাথে কথা বলছি, ঠিকাছে?
তুই তোর সিম আর ওয়াইফাই ওর উপর...
যতটা পারিস কাজে লাগা।
বুঝেছিস?
দেখি আমি কিছু করতে পারি না-কি।
টেনশন নিস না।
আর শোন।
টেস্টে "সাইয়ামের" চেয়ে বেশি নম্বর আনিস!
কঠিন অধ্যায়টার জন্য প্রস্তুত তো?
তাহলে, নোটবুক খোলো...
আজকের তারিখটা দাও...
আর লিখো।
অধ্যায় ৪।
কী থেকে কী হয়ে গেলো।
আপনারা শুনছেন রেডিও সিটি ৯১.১ এফ এম।
সাথে আছি আমি লাভ গুরু...
যে আবারও হাজির...
আপনাদের হৃদয়ের সংশয় দূর করতে...
বরাবরের ন্যায়, আজ রাতেও।
তাহলে, যদি আপনার হৃদয়েও কোনো চাপা কষ্ট থেকে থাকে...
নির্দ্বিধায় আমার সাথে শেয়ার করতে পারেন।
এবং শুনতে থাকুন রেডিও সিটি, ৯১.১ এফ এম।
জীবনটা বেদনা,
- হরি, ভাইয়া। - জি?
এক প্লেট চিকেন দাও তো।
পান্ডু, কয়েকদিন ধরে...
রাজ্জো ভাইয়াকে দেখছি না যে!
চুপচাপ চিকেন দাও তো!
ঠিকাছে! ঠিকাছে!
আচ্ছা শোনো, ওটা থাক।
পনির'ই দাও।
ভাইয়া, হাফ প্লেট না-কি ফুল?
একটা দাও তোরে ভাই!
ফুল প্লেটই দিচ্ছি।
এইযে নাও পান্ডু ভাইয়া।
ও আমাকে ধাক্কা মেরেছে।
কী বললে পান্ডু ভাইয়া?
রাজ্জো আমাকে ধাক্কা দিয়েছে।
আপনাকে ধাক্কা দিয়েছে?
সাথে গালিও দিয়েছে।
রাজ্জোর জায়গায় অন্যকেউ হতো না...
শুনছেই না আমার কথা!
ভাইয়ের কথা বিশ্বাসই করছে না!
বলো তো, এসব কী আমার দোষ!
না ভাইয়া, একদমই না।
আমার জায়গায় অন্যকেউ থাকলেও...
ঠিক এমনটাই করতো।
ঠিক বলছেন ভাই, আমিও এমনটাই করতাম।
মেয়েদের সামনে আমরা আর কী?
এই মোমোসের লাল সসের মতো।
মেয়নেজ দিলেই গায়েব।
মেয়োনিজ তো দাও ভাইয়া!
জি, জি। নিন।
পান্ডু ভাইয়া, আসলে...
রাজ্জো ভাইয়া গতবার বিল না দিয়েই চলে গিয়েছে।
তার কাছে ১৯০ টাকা পাই।
ধ্যাত, কোনো স্বাদই পাচ্ছি না!
এই পনির মোমোগুলো...
মোমোর নামে ছলনা!
তুই খা তো ভাই।
আমাকে এক প্লেট চিকেন দাও।
দোস্ত, স্যার তো এনসিইআরটি'র নাম করে...
হুবহু আর.ডি. শর্মা ছেপে দিয়েছে।
স্যার নিজেকে খুবই চালাক মনে করে!
আসলে, এনসিইআরটি'ই দিয়েছে।
সবাই তো আর তোর মতো পড়ুয়া না।
ওহ্, .. ইশিতা।
রাজ্জোর ত্রিকোণমিতিতে কিছু সমস্যা ছিলো।
আমাকে বুঝিয়ে দিতে বলছিলো।
আমি ওকে বললাম...
যা গিয়ে টপারের কাছে বুঝে নে।
ওর মা গণিতের শিক্ষিকা।
ওহ্, হ্যাঁ।
বুঝলাম না, তাহলে মেন্টালটা আমাকে বলছিলো কেন!
আনুশা।
প্লিজ থাম।
আমি তোকে আগেই বলেছি যে...
যদি এসব কথাই বলতে চাস...
ইশিতা, ওকে ঘটনাটা বোঝানোর সুযোগ তো দে!
এতে সত্যিই ওর কোনো দোষ নেই, ইশিতা।
কী করলাম জীবনে!
রসায়নের ছেলেরা সব মেয়ে ভাগিয়ে নিয়ে গেলো।
ক্লাস ফাঁকি দিয়ে না-কি ঘুরতেও যাচ্ছে।
কী বলছিস?
হ্যাঁ!
আমি এ'ও শুনলাম যে...
আব্বে, বোকাচোদা!
শুটিয়ে লাল করে দিবো।
ভাগ এখান থেকে!
চল, ভাই।
ও পান্ডুর গার্লফ্রেন্ড।
তোদের জন্যে আমিই যথেষ্ট!
রজতের কোনো দোষ নেই, তাই না?
হ্যালো আনুশা!
ও রাজি হয়েছে।
পরশু! টিউশনের আগে।
গিফ্ট?
না তো!
গিফ্ট কেন?
আচ্ছা বুঝেছি, নিয়ে আসবো।
শুধু পরশুদিন দেখাটা করি।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
সব বুঝিয়ে বলবো।
আর তারপর প্রপোস...
আচ্ছা, বাই!
ওর সাথে ইশিতার প্যাচআপ হয়ে গেলেই...
তোদের দু'জনের প্যাচআপও করিয়ে দিবো।
শোন, আমি ওসবের ধার ধারি না, বুঝেছিস?
আসলে আসবে, না আসলে নাই...
আমার কিচ্ছু যায় আসে না।
No comments yet. Be the first to leave one.