The first 200 lines.
ভাই, যাত্রপালার নাচুনী না-কি?
ঘন্টায় ২০০০ টাকা ফিজিক্সের জন্য কে নেয় রে ভাই?
বাবাকে জিজ্ঞেস কর।
এমনিতেই সকাল সাড়ে ৬ টায় ক্লাস দিয়েছে,
আবার নিজেও আসছে না, আমাকেই যেতে হবে।
আরে! গুপ্তা বংশের যে! তেলের টাকা তো বাঁচাবেই।
আরে ব্রো! কাল খেলতে আসছিস তো?
জানি না ভাই, চেষ্টা করবো।
বোকাচোদা না-কি তুই!
দোস্ত দিপিকার টাইটসটা আমার কাছে অনেক জোস লেগেছে।
আনুশকারটা কেমন যেন সস্তা টাইপের ছিলো তাই না?
হ্যাঁ, সম্ভবত নিউ মার্কেট থেকে কিনেছে।
আচ্ছা বল, তোর গতকালের ডেট কেমন ছিলো?
আরে একদম ঝাক্কাস।
প্রথমে ক্যান্টিনে দেখা করলাম, একসাথে লাচ্ছি খেলাম,
তারপর সিনেমা দেখতে গেলাম।
কোনটা দেখলি? কেমন ছিলো?
জানি না। সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম না-কি?
আনুশা!
- কী করছো? - কিছু না, স্যার।
তা তো দেখতেই পাচ্ছি।
তো গিয়ে কিছু করো!
রসায়নের নম্বর দেখেছেন আপনার?
স্যার, আমি তো কমার্সের ছাত্র।
হ্যাঁ, তুমি তো পুরো দিল্লীতে কমার্সে শীর্ষস্থান অর্জন করেছ!
এইযে নিন।
খান্না'জি-কে বলিয়েন পরেরবার থেকে আপনাকে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।
আপনি জিমে যাইয়েন, আমি নিজেই গিয়ে দিয়ে আসবো।
- আয় হায় ভাই! সত্যি? - হ্যাঁ, ভাই
জানিস?
ও কোন ফ্লেভারের লিপস্টিক লাগিয়েছিলো?
স্ট্রবেরি ফ্লেভারের।
সুস্বাদু!
ভাই সিনেমা হলে করেছিস! যদি ধরা পড়তি?
আরে ভাই, ইংরেজি সিনেমা ছিলো। অন্ধকার,
বিকালের শো!
হলের লোকেরাও জানে,
এরা দেখতে আসেনি, করতে এসেছে।
বাচ্চারা, হাইড্রোজেন রসায়নের সবচেয়ে মজাদার...
... এবং বিভ্রান্তিকর পদার্থ।
এর গঠনগত এবং রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য...
ধাতু, অধাতু এবং সাধারণ গ্যাস সবগুলোর সাথেই মিলে যায়।
একারণে সে এগুলোর কোনোটিই নয়।
সত্যিই বড্ড বিভ্রান্তিকর!
জানো? আমার ক্লাসেও একটা হাইড্রোজেন আছে।
এই যে।
শোন।
হলের ঘটনা কাউকে আবার বলবি না তো!
না, না। কক্ষনো না।
তুই?
পাগল না-কি?
প্রশ্নই আসে না।
আচ্ছা, শোন।
কাল ৬ টায় আমি আমার স্কুল বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যাবো।
তুই আসছিস তো, না-কি?
না, ভাই।
কাল আমার খেলা আছে। কাল আমি যেতে পারবো না।
তো কাল কী করছো?
কাল প্রথমে পান্ডুর সাথে খেলতে যাবো।
তারপর গুপ্তা স্যারের বাড়িতে টাকা দিতে যেতে হবে।
হাইড্রোজেনের আণবিক গঠন সরল প্রকৃতির।
সে-ই হিসেবে এটা অধাতু।
তোমাকে জাসকিরাথের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতাম।
বলেছিলাম না! আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।
ওহ্, হ্যাঁ।
যদি ক্লাসের আগে সম্ভব হয়...
- ক্লাসের আগে তো পান্ডুর সাথে খেলা.. - আমার বাসাতেই এসো না।
ওখানেই বসবো।
বাসায়?
আচ্ছা, ১ সেকেন্ড। আমি জাসকিরাথের থেকে সিওর হয়ে নিই।
হ্যাঁ, করো করো।
তো চলে আসবো তোমার বাসায়।
সমস্যা নেই। দেখা হবে।
হাইড্রোজেন বিক্রিয়ার পর ধনাত্মক আয়ন তৈরী করলে,
সেটাকে ধাতু হিসেবে গণ্য করা হয়।
কত খেলা যাবে আসবে!
- ধরতে পেরেছো? - হ্যাঁ।
আরে, হাইড্রোজেন।
তো বাচ্চারা, নোটবুক বের করো।
আজকের তারিখ দাও আর লিখো।
টার্ম-২, অধ্যায়-২।
আমার হৃদয় ছুয়ে এ কী ইশারা করলে?
জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ: THAMBI-Movie and Subtitle World
আব্বে!
পিছু করছিস না-কি তুই?
না, না। উপরে যাচ্ছিলাম আমি।
উপরে! খচ্চর কোথাকার!
আচ্ছা, কত তলায় যাবি তুই?
তৃতীয় তলায়।
তৃতীয়। - না না, দ্বিতীয় তলায়।
রানা'র বাসায় যাবো।
আব্বে সেয়ানা, তোর মতো লাফাঙ্গা আমাদের এখানে প্রতিদিনই আসে।
চুপচাপ ভাগ, নাহলে অভিযোগ জানাবো।
না, না। আমি ভদ্র ঘরের ছেলে।
- দাঁড়া, দেখাচ্ছি তোকে! - সরি, সরি, যাচ্ছি আমি।
সরি।
- দাঁড়া, আমি... - সরি, সরি, যাচ্ছি।
রজত।
হাই।
কে আপনি, দিদি?
আমি জাসকিরাথ।
ওর চেহারা দেখার মতো ছিলো।
ও সত্যিই খুবই মিষ্টি, অনেক কিউট।
তাই বুঝি?
জানতাম।
ঠিক আছে, আমারও সময় আসবে।
তখন আমিও কিউট বলবো।
এক্সকিউজ মি।
আমাকে লাইন মারছো?
এই তোমার ভদ্র পরিবার!
নিজের গার্লফ্রেন্ডের সামনে!
রাজ্জো, সিরিয়াসলি?
আমার বেস্ট ফ্রেন্ডকে লাইন মারছো?
না, না, না।
আরে ও আমাকে বোকা বানিয়ে কিউট বললো যে,
তাই আমিও ওভাবেই কিউট বললাম। তেমন কিছু না।
সরি, ভাই।
এ কীরে ভাই?
আমায় র্যাগিং কেন করছো ভাই?
সরি, রজত। ও আসলে এমনই।
ও...
পঞ্চম শ্রেণীতেই মুকুলের সাথে করেছিলি তাই না?
- মুকুল আবাস্থি। - হ্যাঁ, মুকুল আবাস্থি।
অনেক জোস ছিলো।
জানো, ও কী করেছে?
পঞ্চম শ্রেণীতে মুকুল আবাস্থি নামে আমাদের এক বন্ধু ছিলো।
এ ওকে বুঝিয়েছে যে এর বাবা শক্তিমান।
আর তিনি তখনই তার সাথে দেখা করবে...
- কী ছিলো যেন? - হ্যাঁ, চকলেট নিয়ে আসলে।
যখন সে আমাদের জন্য চকলেট নিয়ে আসবে।
ঐ বেচারাটা পুরো ১ বছর প্রতিদিনই আমাদের জন্য চকলেট নিয়ে এসেছিলো।
তুমি কী সত্যিই ঈশিতার বেস্ট ফ্রেন্ড?
- কেন? নই না-কি? - অবশ্যই।
না। মানে, আমি ভেবেছিলাম তুমিও ঈশিতার মতোই হবে।
ইশিতার মতো মানে?
মানে, ইশিতা যেমন।
কিন্তু তোমরা দু'জন তো দেখি একদম উওর মেরু আর দক্ষিণ মেরু।
পুরো বিপরীত।
বাছা, তুই তো ঈশিতাকে ক'দিন ধরে চিনিস,
আমি ওকে দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে চিনি।
ও'র মতো কুত্তি আমাদের স্কুলে আর দ্বিতীয়টা ছিলো না।
অষ্টম শ্রেণিতে ও ব্লাকবোর্ড ভেঙে ফেলেছিলো।
তোমরা দু'জন আবার আমাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছো, তাই না?
এবার আর বোকা বানাতে পারবে না।
সত্যি?
আরে, পুরো কাহিনী তো শোন।
- আর তারপর... - দাঁড়া।
থাম।
তোর গল্প আবার শুরু করার আগে এটা বল,
তোরা জুস নিবি না-কি কোক?
আরে! সেই কখন থেকে আমার দুলাভাইটাকে এভাবে তৃষ্ণার্ত বসিয়ে রেখেছিস!
একথা তোর কেবল...
সরি, জুস।
তোমারও জুস?
জুস, জুস।
কী হলো?
আমি ইশিতার ব্লাকবোর্ড ভাঙার ব্যাপারটা কল্পনাই করতে পারছি না।
এ তো কিছুই না, আমাদের...
ভাইস প্রিন্সিপাল স্যারের অফিসের পাশে মেয়েদের টয়লেট ছিলো।
- সেখানে আমরা বোমা ফাটিয়েছিলাম। - ওয়াও!
- এ তো দেখি পান্ডুর চেয়েও বেশি হারামি! - কী?
না, কিছু না।
আর এখন দেখো...
কেমন যেন গম্ভীর ভাব চলে এসেছে।
না, মানে। না, না, জানি না।
ভালোই।
আচ্ছা, তুমি এটা বলো।
কী কী করলে তোমরা?
আরে, কিছু তো বল।
মানে?
ও'কে জিজ্ঞাসা করলে বলে পার্সোনাল। এটা পার্সোনাল!
- টুকটাক কিছু তো বলো! - টুকটাক?
তোমাদের কীর্তিকলাপের। কিছু না কিছু তো করেছিস।
মজা তো করেছিসই!
মানে লেভেল ১, লেভেল ২, লেভেল ৩ এর মতো।
- কিছু তো বল। - সরি, এটা পার্সোনাল।
আচ্ছা ঠিক আছে, শোন। যদি ওর সাথে উল্টাপাল্টা কিছু করে...
- ব্রেকআপ করতে চাস, তাহলে তোকে একদম... - জাস্সু, এদিকে আয় তো।
কী চিজ মাইরি!
রজত।
ঈশিতা... উনি কে?
উনি?
সবাই রঞ্জিত মনে করে, কিন্তু না।
উনি আমার দাদু।
জানি না, বাবা কেন ঐ সানগ্লাস পড়া ছবিটা টাঙিয়েছে।
এই পেইন্টিংগুলো কে করেছে?
এগুলো সব বাবা নিজে এঁকেছে।
- সুন্দর না? - অনেক সুন্দর।
আম্মুর ম্যাসেজ এসেছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে।
ঈশিতা, আমি আসছি। পরে দেখা হবে।
- আচ্ছা, ঠিক আছে। - বাই।
ওকে, স্যার। দেখা করে ভালো লাগলো।
কিন্তু আফসোস মন থেকে বলতে পারলাম না।
কিন্তু আমি মন থেকে বলছি ঝটপট... কেটে পড়ো।
- জোস। - বাই।
আসো, বসো না।
তো, ও চলে গেলো।
- হ্যাঁ। - আচ্ছা।
ও কেমন যেন অদ্ভুত না?
হ্যাঁ।
No comments yet. Be the first to leave one.