Black Hawk Down

Black Hawk Down

Download Bengali Subtitle

Release info

Black Hawk Down (2001) 1080p BrRip Bengali Subtitle
A Commentary by Mamun_Abdullah
১৯৯৩ সালে সোমালিয়ায় পাঠানো হয় মার্কিন বাছাইকৃত সেনার একটি দলকে জেনারেল ফারাহ আদিদকে উৎখাত করার জন্য। তিন সপ্তাহের কাজ যখন ছয় সপ্তাহেও শেষ হলো না তখন কর্তাব্যক্তিদের একটু নড়ে-চড়ে বসতে হলো। সামান্য ৩০ মিনিটের একটা রেইডে গিয়ে শহরের মাঝখানে ফেঁসে যায় রেঞ্জারদ

Tags

brrip
1080
Published on: 2016-12-05
Downloads: 183
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

Subtitle Translated By M

Subtitle Translated By Ma

Subtitle Translated By Mam

Subtitle Translated By Mamu

Subtitle Translated By Mamun

Subtitle Translated By Mamun A

Subtitle Translated By Mamun Ab

Subtitle Translated By Mamun Abd

Subtitle Translated By Mamun Abdu

Subtitle Translated By Mamun Abdul

Subtitle Translated By Mamun Abdull

Subtitle Translated By Mamun Abdulla

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

সত্য ঘটনা অবলম্বনে

শুধু মাত্র শহীদেরাই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি দেখে। - প্লেটো

সোমালিয়া- পূর্ব আফ্রিকা ১৯৯২

দুটো উপজাতির মাঝে বছরভর যুদ্ধ-বিগ্রহের ফলে গজব হিসেবে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়।

৩০০,০০০ বেসামরিক লোক অনাহারে মারা যায়।

সবচেয়ে ক্ষমতাশালী সেনাপতি, মোহমেদ ফারাহ আদিদ, রাজধানী মোগাদিশু শাসন করতেন।

তিনি আন্তর্জাতিক ত্রাণসমূহ বন্দরেই কব্জা করে ফেলতেন। ক্ষুধাই ছিলো তাঁর অস্ত্র।

বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। ২০,০০০ U.S. মেরিন সেনার তত্ত্বাবধানে ত্রাণ পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামলানো হয়েছিলো।

এপ্রিল ১৯৯৩ আদিদ মেরিন সেনা প্রত্যাহার করা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলো, এরপর জাতিসংঘ শান্তি-মিশনের রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

জুন মাসে, আদিদের মিলিশিয়া বাহিনীর অতর্কিত হামলায় ২৪ জন পাকিস্তানী সিপাহী নিহত হয়, এবং আমেরিকান সেনাদের নিশানা বানানো শুরু করে।

আগস্টের শেষে, আমেরিকার ডেল্টা ফোর্স, আর্মি রেঞ্জার, এবং ১৬০'তম SOAR বাছাইকৃত সেনাদের আদিদকে উৎখাত করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মোগাদিশু পাঠানো হয়।

অভিযানের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিলো তিন সপ্তাহ, কিন্তু ছয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে ওয়াশিংটনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

বিধ্বস্ত ব্ল্যাক হক

শনিবার- অক্টোবর ২, ১৯৯৩

রেড ক্রসের ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র

ওই দেখো।

গুদামঘর, বাম দিকে।

আরে শালারা! দেখেছো?

চীফ, বাম দিকের নিরস্ত্র জনগণের উপরে গুলি চালানো হচ্ছে।

দেখলাম, ম্যাট। মনে হয় না নাক গলানো ঠিক হবে।

এই খাবার মোহমেদ ফারাহ আদিদের সম্পত্তি!

নিজের ঘরে ফিরে যাও।

কমান্ড সেন্টার, সুপার 64...

আমরা মিলিশিয়াদের ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে বেসামরিক জনগণের উপরে গুলি চালাতে দেখছি।

আক্রমণের অনুমতির চাইছি।

সুপার 64, তোমাদের উপরে গুলি চালাচ্ছে? ওভার।

না, কমান্ড সেন্টার।

জাতিসংঘের ব্যাপার, 64। আমরা হস্তক্ষেপ করতে পারবো না।

- ঘাঁটিতে ফিরে এসো। ওভার। - রজার।

64 ফিরে যাচ্ছে।

মোগাদিশু বাকারা মার্কেট আদিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা

চলুন, মি. আট্টো।

যাচ্ছে।

জেনারেল গ্যারিসন?

না, লাগবে না। আছে একটা।

এটা কিন্তু কিউবান।

বোলিভার বেলিকোসো।

এটাও কম না।

মিয়ামিতে বানানো, বন্ধু, কিউবায় না।

আদিদকে গ্রেপ্তার না করতে পারাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

আদিদকে না, তোমাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।

আমাকে?

আমি কি আর রাঘব বোয়াল বলো?

বোয়াল-টোয়াল হতেও পারবো না।

- তুমি ব্যবসায়ী। - খেয়ে-পরে কোন রকমে বেঁচে আছি।

হ্যাঁ, আদিদের মিলিশিয়ার কাছে অস্ত্র বিক্রি করো।

কতদিন ধরে আছো, বলো?

ছয় সপ্তাহ না?

ছয় সপ্তাহ ধরে জেনারেলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছো।

পুরষ্কারের পোস্টারও সেঁটে দিয়েছো।

$২৫,০০০। কি এসব? শত্রু শিবিরে বন্দুক যুদ্ধ?

শিবিরের ঘটনা কিছু না।

তুমি ভাবছো আমাকে এখানে আনায় আদিদ রাতারাতি তোমার হাতে ধরা দিবে?

তোমার অনুগত হবে?

আমি তাঁর ঘুমানোরও জায়গা চিনি।

মিলিশিয়ার সব খরচ তুমি দাও, তাঁর গা-ঢাকা দেওয়ার চুক্তিও তোমার।

তাঁকে না পাওয়া পর্যন্ত আমরা সোমালিয়া ছাড়ছি না।

আর খুঁজেও বের করবো।

ধানের ভাত খাই না বলে মনে করবে না...

আমি ঘাস খাই, জেনারেল।

ইতিহাস আমিও কিছুটা জানি।

দেখছো এসব? এগুলো আমাদের ভবিষ্যতের ভিত্তি।

এমন ভবিষ্যৎ যেখানে আরকানসাসের শ্বেতাঙ্গদের বুদ্ধিতে দেশ শাসন হবে না।

তা তো বলতে পারবো না। আমার বাড়ি টেক্সাসে।

মি. গ্যারিসন, তোমার এখানে আসা উচিৎ হয়নি।

এটা গৃহ যুদ্ধ।

আমাদের নিজেদের লড়াই।

তোমাদের না।

৩০০,০০০ বেশি মানুষ মরেছে।

এটা কোন যুদ্ধ না, মি. আট্টো। এটা গণহত্যা।

এখন, বসে বসে চা খাও।

তুমি আট্টোকে কি মনে করো?

মার্জিত, বাস্তববাদী, নির্দয়।

হ্যাঁ, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব।

সময় কিছুটা লাগবে, কিন্তু আদিদ ক্ষতির পরিমাণ টের পাবে।

আমাদের সময়ের ভিতরেই কাজ সারতে হবে।

এটা ইরাক না, ইরাকের থেকে জটিল।

বস, ওয়াশিংটন বুঝতে চাইছে না।

এই সপ্তাহে প্রতিদিন সকালে ওয়াশিংটন থেকে ফোন করে পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছে।

তাহলে বলে দাও পরিস্থিতি খুবই খারাপ।

মোগাদিশু বিমানবন্দর US সেনাবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি

সুধীমণ্ডলী, আমি ক্লিফ "এলভিস" উলকট।

আজকের হেলিকপ্টার আমি চালাবো।

ফেডারেলের নিয়মানুযায়ী ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে সিগারেট পান করা নিষেধ।

আজকের প্রোগ্রামে যারা উড্ডয়ন করবেন তাঁরা বিশেষ সুবিধা পাবেন।

আর বমি ভাব এলে, সিটের নিচে রাখা ব্যাগ ব্যাবহার করুন।

এক নাম্বার ইন্ডিকেশন ঠিক আছে, ক্লিফ। দুই নাম্বারটা দেখ।

এবার উড্ডয়ন করতে পারো।

61, 64 বলছি, রেডিও নিরাপদ করো।

একটা দুঃসংবাদ দিবো।

"লিমো" একটা শব্দ, ডুরান্ট। আর কোন কথা হবে না।

এটা কোনো শব্দ না। এটা বড় শব্দের ছোট রূপ।

"লিমো" হরহামেশা ব্যাবহার করে।

বিশেষ করে বাগধারায়, বন্ধু। খুব ব্যাবহার করে।

ডিকশনারিতে না থাকলে ওটা বাদ।

"লিমো"কে ডিকশনারিতে থাকার দরকার নাই!

ডিকশনারিতে থাকতেই হবে!

শোনো, ঘাঁটিতে ফিরে গিয়ে, বাদ দিয়ে দিবো।

"লিমো" নিয়ে আর একটা কথা বললে থাপ্পড় দিয়ে বত্রিশটা দাঁত ফেলে দিবো!

হ্যাঁ, আগেই বলেছিস।

সৈকতটা দেখতে সুন্দর।

পানি কেমন?

কুসুম গরম পানি, আর হাঙ্গরে ভর্তি।

- নাম? - টড।

- উপাধি। - ব্ল্যাকবার্ন।

ডাক নাম, টড।

- কি অবস্থা? - কিসের অবস্থা?

মোগাদিশুর যুদ্ধের।

- সিরিয়াল নাম্বার। - 72163427

প্রথমত, আমরা শুধু মাত্র "মগ" বলি। কেউ এখানে মোগাদিশু বলে না।

দ্বিতীয়ত, আমি যুদ্ধের ব্যাপারে জানি না, তাই প্রশ্ন করে লাভ নাই।

কেন নাই?

বললাম না, "প্রশ্ন করে লাভ নাই"?

তোমার বয়স মনে হয় বারো-কি-তেরো। তাই একটা কথা পরিষ্কার বলে রাখি।

আমার ভিতরে একটা গোপন রহস্য আছে, সেটা দিয়েই অভিযান এড়িয়ে যাই।

টাইপিং।

- টাইপ করতে পারো? - না।

- জন্ম তারিখ। - ২৭/২/৭৫।

আমি এখানে শত্রুর নাভিশ্বাস তুলে দিতে আসছি।

তুলে নাও।

দারুণ, দোস্ত! হেব্বী হইছে!

ইঞ্জিন ফুটা করে দিয়ে সতর্ক করেছি।

লজ্জা লাগছে না, ব্যাটা? কত সুন্দর জীপ ছিলো।

ফায়ারিং বন্ধ কর!

অস্ত্র পরীক্ষা কর!

সার্জেন্ট এভার্সম্যান।

প্রথম শ্রেণীর জাওয়ান ব্ল্যাকবার্ন।

তাই?

ডিউটি করতে এসেছি।

আমার কাছে না। তোমার ডিউটি লে. বিলসের কাছে। আশে পাশেই কোথাও আছে।

তোমার দলে দিয়ে দিই?

আচ্ছা, দাও।

- বন্দুক নিয়ে এসেছো? - জী, স্যার।

চালাতে বলেন, বসেই আছি।

- আসলে কখন? - এখনি, সার্জেন্ট।

খিদা লাগছে কার?

এসব কি, সার্জেন্ট? ডেল্টা ফোর্স কি পিকনিক করছে?

- জেনারেল গ্যারিসন জিজ্ঞাসা করেছে নাকি? - আমি করলাম।

খেয়ে নিন, ক্যাপ্টেন।

- আরে ভাই সিরিয়াল চলছে। - জানি।

- পিছন থেকে এসে ঢুকে পড়লে। - জানি বে।

সার্জেন্ট। সার্জেন্ট।

কি হচ্ছে এখানে?

বাতাসে গুলি ছুড়তে হবে, স্যার। তাই দ্রুত খেয়ে বেরিয়ে পড়তে হবে।

তোমার হাতিয়ারের কথা বলছি।

ডেল্টা হও আর না হও, হাতিয়ারটা বিপদজনক।

তুমি আরো ভালো জানো। ঘাঁটিতে থাকার সময় সেফটি অন থাকতে হয়।

আঙ্গুলই আমার সেফটি, স্যার।

ছাড়ুন, স্যার। দুই দিন কিছুই খায়নি সে।

তোমরা ডেল্টারা আস্ত বেয়াদব।

একটা কথা বলে রাখি, সার্জেন্ট।

যখন লড়াইয়ের মাঠে নামবে, তখন আমার রেঞ্জারদের দরকার পড়বে।

তাই ভালো হয় দলবদ্ধ হয়ে কাজ করো।

আর কিছু বলার নাই।

আর তুমি নিজের নিরাপত্তার কথা বলো?

আমার বুট দেখেছো?

ঠিক মত চালালে তোমার পিণ্ডিতে ছাপ বসে যাবে।

আমি পরে করছি। আগে আরাম করে নেই।

চশমা খুলে ফেলো, জওয়ান।

ডেল্টারা * অকলেস পরলে পরুক, সেটা তাঁদের ব্যাপার। *Oakleys= পোলারাইজ সানগ্লাস।

তোমাদের চোখে এই চশমা যেন আর না দেখি।

হাতিয়ারটা লোড করা আছে না?

এবার তোর চাল?

ঘুঁটির উপরে হাত দেখছিস কার?

যাই করিস না কেন তিন চালে হারিয়ে দিবো।

তোরা যে যা বলিস ভাই, রানীকে আমার চাই।

রানীরে তো আমি পুত কইরা দিবো।

আরে ব্বাস।

ভালোই। তোর উন্নতি হচ্ছে।

একটা উপদেশ দিই শোন।

বল।

বাচ্চাদের কমিক্স বানাচ্ছিস না?

বাচ্চাদের এত ভয়ানক ছবি দেখানো উচিৎ না।

গল্পের এই পর্যায়ে আমাদের নায়ক ড্রাগনকে হত্যা করে।

ভয়াবহ বলতে পরিস, আমার মেয়ে খুব পছন্দ করে।

গত সপ্তাহেই তো শেষ করে ফেলেছিলি।

যা ভাগ।

আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, দল।

বুঝেছো।

গুনতে পারো? এক, দুই, দশ।

বুঝলে? আমার সাথে কে আছো?

আমার সাথে কে আছো?

এই, তুমি শুক্রবার নামাজ পড়ো না কেন?

নামাজের চেয়েও জরুরী কাজ ছিলো তোমার?

শুক্রবার আর কোনো কাজ রাখবে না।

নাহলে বেঁধে নিয়ে আসবো, বুঝেছো?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left