The first 200 lines.
:..:..: Flipped :..:..: প্রথম প্রেম
বঙ্গানুবাদে রবিউল আওয়াল জীবন
আমি শুধু চেয়েছিলাম জুলি বেকার যেন আমাকে একা ছেড়ে দেয়।
এটা শুরু হয়েছিল ১৯৫৭ সালের গ্রীষ্মে, ২য় শ্রেনী শুরু হওয়ার ঠিক আগে।
- পৌঁছে গেছি। - হা, হা।
- কেমন লাগছে বাড়িটা? - দারুণ!
- জোশ। - আমার রুমের কালার কী?
শুধু ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করো।
- চলো দেখি ভিতরে কী আছে। - হেই, ব্রাইস এদিকে আয়।
তুই আর আমি গিয়ে ভ্যান থেকে জিনিসপত্রগুলো বের করতে সাহায্য করি..
...আর এখানকার মহিলারা গিয়ে রান্নাঘরে গোছগাছ শুরু করুক৷
আচ্ছা, বাবা।
এটা ছিল আমার জন্য অর্ধ দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা পরিকল্পিত ফাঁকিবাজি এবং সামাজিক অস্বস্তির সূচনা।
- হাই, আমি জুলি বেকার। - হেই, কী করছো তুমি?
কোনো সাহায্য লাগবে না?
না। এর মধ্যে কিছু মূল্যবান জিনিস রয়েছে।
- এ কেমন কথা? - না...না...না।
বাড়ি চলে যাও, তোমার মা হয়তো তোমাকে খুঁজছে।
না, আমার মা জানে আমি কোথায় আছি। সে এত ভাবে না
মেয়েটিকে বুঝতে খুব বেশি সময় লাগেনি।
- গাড়িতে ৩ জনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। - আমার সমস্যা হবে না।
- কোনো লাভ নেই। - আমরা একসাথে ধাক্কা দিতে পারি?
ব্রাইস, এখন কি তোর মাকে গিয়ে সাহায্য করার কথা ছিল না?
কী?
ওহ, হ্যাঁ।
মানে, কিছুই ওকে থামাতে পারেনি।
আমি ওকে পথ থেকে সরে যেতে বলতে যাচ্ছিলাম ঠিক তখনই একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল।
সত্যিই এটা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।
সেখানে আমি এই অদ্ভুত মেয়েটির হাত ধরেছিলাম।
- ব্যাপারটা এতদূর গড়াল কীভাবে? - ওয়াও, হ্যালো।
- জানি, তুমি আমার ছেলের সাথে দেখা করেছ। - আহ, হাহ।
অবশেষে, ৭ বছর বয়সী একটা ছেলের পক্ষে যা করা সম্ভব ছিল আমি করেছিলাম।
কিন্তু, সমস্যা এখনো শেষ হয়নি।
যখনই মিস নেলসনের ক্লাসরুমে ঢুকতে গেলাম...
ব্রাইস? তুমি এখানে!
...পরিষ্কার বুঝতে পেরেছিলাম,
স্কুলের সময়টা খুব ভালো যাবে না।
হেই ব্রাইস, তোর গার্লফ্রেন্ড কোথায়?
আমার বাকি জীবনের জন্য একটা দাগ ছিল।
এই ব্রাইস, তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছিস না কেন?
ব্রাইস এবং জুলি একটা গাছে বসে আছে,
K-l-S-S-l-N-G
শহরে আমার প্রথম বছরটা ভয়ঙ্কর ছিল।
এবং পরবর্তী ৩ বছরও একই।
অবশেষে, ষষ্ঠ শ্রেণীতে এসে, আমি কিছু উপায় খুঁজে বের করলাম।
আমি একটা প্ল্যান করেছিলাম।
শেরি।
শেরি, একটু দাঁড়াও।
হাই, ব্রাইস।
আমি শেরিকে ডেট করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম।
ভাবছিলাম তুমি চাও কিনা...
এই পরিকল্পনা সম্পূর্ণরূপে বুঝতে হলে...
...আপনাকে এটাও জানতে হবে যে জুলি শেরিকে সহ্য করতে পারত না...
...যদিও আমি জানি না কেন।
শেরি দেখতে খুব সুন্দরী, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং ওর মাথায় ঘন চুল ছিল।
শুরতে মা আমাকে আমার কান ফুঁড়াতে দেননি, কিন্তু আমি তাকে অনুরোধ করেছিলাম...
ধরে নিয়েছিলাম, শেরি আমার সাথে লাঞ্চ করবে...
...হয়তো আমরা একসাথে হাঁটব, আর তা দেখে জুলি আমার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।
কিন্তু, আমি ১৬ বছর না হওয়া পর্যন্ত কানের দুল পরতে পারি না।
উফস, কি আফসোস!
মেলানিয়া ওর কান ফুঁড়াতে চেয়েছিল, কিন্তু ওর মা রাজি হয়নি,
তাই ও রেগে যায় আর জনি ম্যাথিসের অলটাইম গ্রেটেস্ট হিট অ্যালবামটি ভেঙ্গে ফেলে...
...শাস্তিসরুপ ওর মা ওকে ঘরে আটকে রেখেছে, তাই এখন আমার পায়জামা পার্টিতে আসতে পারবে না।
ব্যাপারটা বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছিল।
তুমি এই বছরের বিজ্ঞান প্রজেক্টের জন্য কী করতে যাচ্ছ?
যাইহোক, আমার তথাকথিত সেরা বন্ধু, গ্যারেট আইনবাইন্ডার...
...শেরির প্রতি বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছিল।
ভাবছিলাম চুলের বিভিন্ন কন্ডিশনারগুলি কীভাবে সূক্ষ্ম রেখাগুলিকে প্রভাবিত করে তা দেখাব।
চমৎকার আইডিয়া।
আকাঙ্ক্ষা আনুগত্যের জায়গা দখল করে নিয়েছে, এবং বিশ্বাসঘাতক গ্যারেট...
...শেরিকে বলে দিয়েছিল আমি ওর সাথে কী করেছি।
ইডিয়ট!
ব্যাপারটা ভালোভাবে নেয়নি।
খবরটা দ্রুতই জুলির কাছে পৌঁছে যায় আর সে আবারও আমার দিকে ঢেপ-ঢেপ করে তাকানো শুরু করে।
কিন্তু এবার আরও খারাপ কিছু হলো।
ও আমাকে শুঁকতে লাগল।
সত্যিই তাই, আমাকে শুঁকতে লাগল।
ওর উদ্দেশ্যটা আসলে কী ছিল?
আমার একমাত্র সান্ত্বনা ছিল যে পরের বছরটি অন্যরকম হবে।
জুনিয়র হাই স্কুল, বড় স্কুল।
আমরা আবার একই ক্লাসে নাও থাকতে পারি। এবং শেষ পর্যন্ত এসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে।
প্রথম দেখাতেই আমি ব্রাইসের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম।
ওর চোখের মায়ায় পড়ে গিয়েছিলাম।
আমরা একসাথে ধাক্কা দিতে পারি?
ওর পরিবার সবেমাত্র এই পাড়ায় এসেছে...
...তাই আমি ওদেরকে সাহায্য করতে গিয়েছিলাম।
ওকে ওর বাবা ওর মাকে সাহায্য করার জন্য পাঠানোর আগে পুরো ২ মিনিট আমরা এই ভ্যানে ছিলাম।
আমি বুঝতে পারছিলাম ও যেতে চায় না।
বাড়ির ভিতরে গিয়ে কাজে আটকা পড়ার আগে আমরা কিছুক্ষণ খেলতে পারি কিনা দেখতে ওর পিছু নিয়েছিলাম।
কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারলাম, ও আমার হাত ধরে আছে...
...আর আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে।
আমার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেল।
কী ছিল এটা?
এটা কি আমার প্রথম চুম্বন হতে যাচ্ছে?
- কিন্তু তখনি ওর মা বাইরে বেরিয়ে এলো। - ওয়াও, হ্যালো।
ও এতটাই বিব্রত হয়েছিল যে লজ্জায় ওর গাল লাল হয়ে গিয়েছিল।
আমি সেই রাতে ঘুমোতে গেলাম ওকে চুমু খেয়েছি এটা ভাবতে ভাবতে।
এটা পরিষ্কার যে, ও আমাকে পছন্দ করেছে, কিন্তু তা প্রকাশ করার জন্য ও যথেষ্ট লাজুক ছিল।
আমার মা বললেন, ছেলেরা এমনই হয়।
- তাই আমি ওকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। - ব্রাইস? তুমি এখানে!
লজ্জা কাটিয়ে উঠতে আমি ওকে অনেক সুযোগ দিতাম।
৬ষ্ট শ্রেণীতে এসে আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছিলাম।
এরপরেই শেরি স্টল আমাদের জীবনে আবির্ভূত হয়।
শেরি স্টল ছিল একটা বাঁচাল, বিশ্বাসঘাতক...
...এবং ঘন চুলধারী একটা জঘন্য স্বভাবের মেয়ে!
আর এখানে সে...
...ব্রাইসের হাত ধরে ছিল। আমার ব্রাইসের হাত।
যাকে আমার প্রথম চুমু দেওয়ার কথা ছিল সে তাকে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
আমি শুধু ওকে এড়িয়ে চলতে থাকলাম। জানতাম ব্রাইসের মতো একটা মেধাবী ছেলে...
...শেষ পর্যন্ত শেরি স্টলসের মতো একটা ফালতু মেয়ের মুখোশ উন্মেচিত করবেই।
ওদের ব্রেক আপ হতে মাত্র ১ সপ্তাহ সময় লেগেছিল।
ও এটা ভালোভাবে নেয়নি।
এখন যেহেতু ও শেরির দুষ্ট খপ্পর থেকে বেরিয়ে এসেছে, তাই আমার সাথে মিশতে শুরু করেছিল।
- হাই জুলি। - হাই, ব্রাইস।
ও এতটাই লাজুক আর কিউট ছিল যে...
...ওর চুল থেকে তরমুজের মতো গন্ধ আসতো।
এটা আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় ছিল।
লুকিয়ে লুকিয়ে সারা বছর তরমুজের গন্ধ নিয়ে কাটিয়েছি...
...আর ভেবেছি কখনো কি ও আমাকে চুমু দেবে!
সপ্তম শ্রেনীতে উঠার পর কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।
তবে সেটা স্কুলে আসেনি।
বাড়িতে এসেছে।
আমার দাদা আমাদের সাথে থাকতে এসেছে।
মা বলেছিল, সে এভাবে তাকিয়ে থাকে কারণ সে দাদীকে মিস করে।
কিন্তু, দাদা আমার সাথে এ সম্পর্কে কখনো কথা বলেনি।
বলতে গেলে, সে আমার সাথে কোনো বিষয়ে খুব একটা কথাই বলত না।
অন্তত লোকাল পত্রিকায় ‘জুলি’ এর খবর বেরোনোর আগ পর্যন্ত।
- হেই ব্রাইস, তোর সাথে কথা বলতে পারি? - কী?
বস, দাদু।
তোর বন্ধু জুলি বেকারের সম্পর্কে বল।
জুলি। ও ঠিক আমার বন্ধু নয়।
তাই নাকি! কেন?
জানতে চাচ্ছ কেন?
জুলি বেকার অষ্টম শ্রেণির আইনস্টাইন হওয়ার কারণে "মেফিল্ড টাইমস" পত্রিকায় শিরোনাম হয়নি।
না, শিরোনাম হয়েছিল একটি সিকোমোর গাছ থেকে না নামতে অস্বীকৃতি জানানোর জন্য।
জুলি বেকার আর সেই ফালতু সিকোমোর গাছ!
ও সবসময় বিশ্বাস করতো গাছটি আমাদের দুনিয়ার জন্য ঈশ্বরের দেওয়া একটি ছোট উপহার।
হেই, ব্রাইস। তুমি কি আমার ও আমার ভাইদের সাথে গাছে উঠতে চাও?
না, ধন্যবাদ।
ব্রাইস, উঠো প্লিজ। এটা বেশ মজার।
- এখান থেকে আমরা সবকিছু দেখতে পাচ্ছি। - আমি পারব না।
বাবা চায় আমি তাকে সাহায্য করি...
...একটা কাজে।
এটুকুই আমার জানা দরকার ছিল।
জুলি বেকারের সাথে একটা গাছে উঠেছে।
যা আমাকে দ্বিতীয় শ্রেণীর দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।
ব্রাইস এবং জুলি একটা গাছে বসে আছে।
কেন তুমি আমাকে সারাজীবন মটরশুটি খেতে বলো না।
বাসটি তিন ব্লক দূরে।
দুই ব্লক।
এক ব্লক দূরে।
- যেন তথ্যটি খুব মূল্যবান! - ওর এমন কাজকারবার আমার বিরক্ত লাগে!
বাসটি নাও আসতে পারে এমনকিছু ভাবতেই আমার ভালো লাগে।
আমার মনে হয় এই আলোতে গাছটাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। তুমি কী বলো?
যদি "সুন্দর" শব্দটি দ্বারা তুমি "ভয়ানক বাজে" বোঝাও, তাহলে আমি তোমার সাথে একমত।
তোমার চোখে সমস্যা আছে, তোমার জন্য আমার দুঃখ হচ্ছে।
"চোখে সমস্যা"?
"চোখে সমস্যা"?
পাড়ার সবার কাছে পরিচিত হাস্যকর বাড়ির সেই মেয়েটা আমাকে এই কথা বলে?
তাদের জানালার ওপরে ঝোপঝাড় এবং সব জায়গায় আগাছা ছিল।
এটা আমার বাবাকে ভীষণভাবে রাগিয়ে দিত।
এই যে সে।
একজন রাজমিস্ত্রি যিনি নিজেকে চিত্রশিল্পী মনে করেন। এই ট্রাকটি কি আসলেই যথেষ্ট আকর্ষণীয় নয়?
তিনি কি এটার একটা ছবি আঁকবেন?
না, তিনি ল্যান্ডস্কেপ আঁকেন। কাউন্টি মেলায় সেগুলি বিক্রি করেন।
লোকেরা বলে তার চিত্রকর্মগুলি খুব সুন্দর।
ল্যান্ডস্কেপ? আমি কী বলি শোনো,
তিনি যদি সেই আবর্জনার স্তূপের উপর কিছু ল্যান্ডস্কেপিং আঁকেন...
...যেটাকে তিনি তার বাগান বলেন, তাহলে পৃথিবীটি আরও বেশি সুন্দর হবে।
তার স্ত্রীর জন্য আমার খারাপ লাগছে। তিনি একজন স্বপ্নদর্শীকে বিয়ে করেছিলেন।
এই কারণে, তাদের মধ্যে একজন সারা জীবন অসুখী থাকবে।
তা বুঝলাম, কিন্তু আমরা কেন অসুখী হবো?
বাগানটি বাবার কাছে যতটা বিরক্তিকর ছিল...
...জুলিকে আমি সেই গাছে দেখার বিরক্তিকর তুলনায় সেটা কিছুই না।
বাসটি তিন ব্লক দূরে।
প্রতিদিন সকালে উচ্চস্বরে ট্রাফিক রিপোর্ট শুনতে হতো।
দুই ব্লক দূরে।
ওদেরকে "থ্রি স্টুজেস" কেন বলে কেন?
- মানে, ওরা তো পাঁচজন। - কী?
মো, ল্যারি, কার্লি, শ্যাম্প এবং কোঁকড়া জো।
হ্যাঁ, শুরুতে তাদের মধ্যে তিনজন ছিল।
আমার কার্লি জোকে ভাল্লাগে না, ও একজন কৌতুক অভিনেতা হওয়ার যোগ্য না।
শোনো মেয়ে, আমি পুলিশকে ফোন করতে যাচ্ছি।
তুমি ব্যক্তিগত জমিতে ঢুকেছ এবং আমাদের চুক্তিবদ্ধ কাজে বাধা দিচ্ছ।
- কী হয়েছে? - হয় তুমি নিচে আসো...
...নয়তো তোমাকে'সহ গাছটি কেটে ফেলব। - বন্ধুরা, আমার সাথে উপরে আসো।
সবাই একসাথে হলে তারা গাছটি কাটতে পারবে না।
- বাস, বাস, বাস। - জুলি খুব ভয় পেয়েছিল।
তারা ওর গাছটি কেটে ফেলতে চেয়েছিল।
আমি বুঝতে পারছিলাম না কেন এই ডালের স্তূপওয়ালা গাছটি...
-...ওর কাছে এতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। - ব্রাইস, প্লিজ।
ওর জন্য খারাপ লাগছিল।
কিন্তু আমি স্কুল মিস করতে চাইনি।
চল ভাই।
ও তোমার বন্ধু নয় কেন, ব্রাইস?
তোমার আগে জুলির সম্পর্কে জানতে হবে।
হ্যাঁ, আমি জানতে চাই।
কেন?
মেয়েটা খুবই সাহসী।
ওকে মাঝে মাঝে বাসায় আনিস না কেন?
No comments yet. Be the first to leave one.