The first 198 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ সিজান_সৈকত
আরেব্বাস,
- মায়ের কাছে যাও, - মা!
বাসিল!
প্রফেসর, জিম্মিকারীরা মাত্রই ৬ বছরের একটা ছেলেকে মুক্তি দিয়েছে।
তারা কি আমাদের মানবতা দেখাচ্ছে?
আসলে তেমন না।
তারা হয়তো জনগণ বা পুলিশের ভেতরে সস্তা আবেগ জাগাতে চাচ্ছে,
কিন্তু এটা তাদের মানবতার ব্যাপার নয়।
তারা জানে, বাচ্চারা হলো আবেগপ্রবণ ইস্যু...
ওকে, এখন দ্বিতীয় স্পোর্টস ব্যাগটা নাও।
তাতে অনেকগুলো ছোট টিউব দেখবে।
তোমাকে যা করতে হবে, তা খুবই সহজ।
কিছু টাকা নিয়ে, সেটা পেচিয়ে টিউবে রাখবে।
যত পরিমানে ধরবে, তারপর টিউবের মুখটা আটকে দিবে।
বড় নোট দিয়ে শুরু করবে, প্রথমে ৫০০, তারপর ২০০, ১০০ এভাবে।
এরপর কি করতে হবে, সেটা পরে জানিয়ে দেবো।
ওকে।
- এটা ব্যাংকের জন্য একটু বেশি ঝামেলার নয়? - কি?
- ঐ ব্যাগের টাকাগুলো, - এসব ব্যাংকের টাকা নয়।
তাহলে আমার এব্যাপারে জানা থাকত।
আমরা কখনো, চত্বরে এত টাকা দেখিনি।
ঈশ্বর,
আমরা একটু বিরক্ত করছি, এক্সট্রা নিউজ বুলেটিন প্রকাশ করে।
ফিডেস ব্যাংক জিম্মি পরিস্থিতির উন্নয়নে,
প্রথম জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
৬ বছরের একটা ছেলেকে যেতে দেয়া হয়েছে।
যে তার বোনের সাথে ব্যাংকে যায়, এবং তাদের দুজনকেই জিম্মি করা হয়।
কিছু সংখ্যক ব্যাংক কর্মচারীর সাথে, এখনো তার বোনকে আটকে রাখা হয়েছে।
এর বেশি কিছু জানা যায়নি...
এখানে কি করছো?
- আজকে কাজে যেতে হবে না? - না, এখনো অসুস্থতার ছুটিতে আছি।
আমি কি...
আমি কি তোমার এখানে, কয়েকটা রাত থাকতে পারি, প্লীজ?
সোফা তে?
- জানি এটা... - এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
ইঙ্গে, তোমাকে বুঝতে পারি না, এমন সময়ে তুমি কিভাবে...
ক্যারেন, আমার তোমাকে প্রয়োজন।
তাই নাকি?
তোমাকে প্রয়োজন ছিল, কিন্তু এখন আর নেই।
এখন তোমাকে মিখেলের প্রয়োজন, আমার নয়।
আমরা যদি সেফটা খুলতে পারি, এবং টাকা পেচাতে থাকি...
তবে অন্যরা অবশ্যই কিছু করছে।
আমি জানি না।
সম্ভবত, উপরে ভল্ট রুম আছে...
হয়তো সেখানে সার্জে এবং ওয়াল্টারকে, আমাদের মতোই করতে হচ্ছে।
তুমি কি মনে করো?
আসলে, আমার মনে হয় এই লোকেরা গণনা করে নাই...
আমার বান্ধবীও এখানে কাজ করে, কিন্তু সে অসুস্থতার জন্য ছুটিতে আছে।
তোমার বদলে, তার এখানে থাকা উচিত ছিল।
তুমি ঠিক আছো?
- ক্রিস্টিয়েন, আর কোনো খবর আছে? - এই মুহূর্তে আর কোনো তথ্য নেই...
কিন্তু যে গুলির শব্দ শোনা গেছে,
দৃশ্যত তার সাথে, ব্যাংকের ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।
সেখানে কি হয়েছে, ক্রিস্টিয়েন? আমাদের কিছু বলতে পারবে?
আমরা একজন প্রবীণ ব্যক্তির ছবি দেখছি,
যাকে স্কোয়ারের একটি বাড়ি থেকে বের করা হচ্ছে।
স্পষ্টত তিনি ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত বাসিন্দা,
যাকে স্বাস্থ্যগত কারনে আগে সরানো হয়নি।
- তুমি ফ্যাক্টরিতে ফিরে যাবে না? - না।
মারাত্মকভাবে আহত অফিসারকে,
এই মাত্র হাসপাতালে নেয়া হইছে,
কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে, পরিষ্কার কিছুই জানা যায়নি।
প্রবীণ ব্যক্তি এবং তার স্ত্রীকে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া হয়েছিল।
সে মেডিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল সেবা পাচ্ছে।
- আমাদেরকে ফ্রেয়ার ব্যাপারে কথা বলতে হবে, - এখনি না।
এটা কিভাবে হতে পারে?
আজ সকালেই, স্কয়ারের বাড়িগুলো খালি করা হয়েছিল...
কিন্তু প্রবীণ দম্পতি স্বাস্থ্যগত কারনে যায়নি।
পরে আজ সকালে...
এখন সে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছে, এবং ঘরে ফিরে এসেছে...
এখনই না, ক্লাউদিন।
ব্যাংক সংলগ্ন রাস্তায় নজর রেখে।
তুমি কি নিয়ে তর্ক করেছো?
বেশ, সে...
- তোমাকে এব্যাপারে বলতে হবে না, - না, না, কিন্তু সে...
সে ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে লড়াই করছে, আমার ধারনা, এটা নিয়ে অনেক কিছু করার আছে।
কি ধরনের ব্যক্তিগত ব্যাপার?
ডিপ্রেশন।
আমার ভাইও ডিপ্রেশনে ভুগেছিল।
তাই?
সে কিভাবে পরিত্রাণ পেলো?
- পায়নি, - পায়নি?
১৮ মাস আগে আত্মহত্যা করেছে।
ওকে, শোনো।
মিখেল, সবগুলো টিউব নাও, যা করিডরে প্রস্তুত আছে।
- ম্যাডাম, আপনার নাম কি? - ফ্রেয়া।
ওকে ফ্রেয়া, লাউডস্পিকারটা নিয়ে...
মিখেলকে ভিডিও করুন, তাহলে আমরা সবকিছুই দেখতে পাবো।
- এভাবে? - হ্যা।
- এবং একজনকে লাথিও মারে। - কাকে লাথি মারবে?
প্রবীণ লোকটাকে।
সেটা কোন লোক ছিল, বাসিল?
ওটা।
তুমি নিশ্চিত? তারা এই লোকটাকে লাথি মেরেছে?
আমরা যখন বাসিলের ইন্টারভিউ শেষ করবো... তুমি অবশ্যই থাকতে পারো...
আমরা মনেহয়, এটা ভালো আইডিয়া, যদি তুমি বা দুজনেই তাকে বাসায় নিয়ে যাও।
সে পরিচিত পরিবেশে, আরও ভালো আচরণ করবে।
ওকে, আর...
আমরা তাকে কি বলবো, যদি জিজ্ঞেস করে কি হয়েছিল?
আমার মনেহয়, এখন তাকে শান্ত রাখাই উত্তম হবে।
ওকে, এটা আপাতত শেষ হয়েছে, পরের টিউবগুলো অন্য টয়লেটে ফ্ল্যাশ করো।
- এটা ভেঙে গেছে, - কি?
- অকেজো হয়ে আছে, - ওহ, মরন।
হ্যালো?
ওখানে দাড়িয়ে থাকবে না, অন্য টয়লেটে কাজ চালিয়ে যাও।
মরন,
দুটি টয়লেটই।
ছয় ঘন্টা সময় লাগতে যাচ্ছে।
- ছয় ঘন্টা? - আনুমানিক।
অনেকগুলো টাকা, কখনো ভাবিনি এতো পরিমান থাকবে।
এটা ছয় ঘন্টা ধরে রাখা, কোনভাবেই সম্ভব না।
তুমি ৭ মিলিয়ন ধরে গণনা করেছো, কিন্তু আসল পরিমান জানি না, তাই না?
আশাকরি এটাই হবে, তবে আমরা জানি না।
এই সেইফে কত টাকা আছে?
- সঠিক পরিমান বলুন, - আমি জানি না, সত্যিই জানি না।
তাহলে কে জানে? কে হিসেব করে? তোমার স্ত্রী?
মিখেল এখানে অনেক দিন যাবত ছিল না।
ইঙ্গেও নেই, তাহলে?
তাহলে?
সার্জে জানতে পারে, তাকে জিজ্ঞেস করছো না কেন?
এদিকে আসো,
আমি ধৈর্য্য হারাচ্ছি।
এই সেইফে কত টাকা আছে?
তোমাকে অলরেডি বলেছি, আমি জানি না।
এমনকি এই সেইফের কথা, কখনো শুনিনি।
এটা গুরুত্বপূর্ণ হলে তোমরাই গুনে দেখ, সত্যি বলতে আমি জানি না।
- হেই, না! - তিন।
তিন মিলিয়ন,
আনুমানিক।
- এটাই সব? - হ্যা।
আমরা যখন পুলিশকে কল করবো, তার মুখে আবারও টেপ লাগাবে।
সব জায়গায় তিনবার খোঁজ করেছি, কিন্ত কোনো ফ্ল্যাশ ড্রাইভ পাই নাই।
ওকে, তুমি যদি না জানো তবে ওয়াল্টার বা তুমি শেষবার এটা কোথায় নিয়েছ...
ওহ, সেটা কত সময় আগে ছিল?
হ্যা, হ্যা, আমি জানি। কিন্তু আমরা সেটা খুঁজে না পেলে...
তারা কি করবে?
শোনো, প্রথমত এটা এভাবে হবে না। আর দ্বিতীয়ত...
তারা যদি এই জায়গা, অথবা তোমারটা উল্টেও ফেলে...
তবুও কোন লাভ হবে না, আমরা খুঁজে না পেলে, তারাও পাবে না।
প্রথম লট চলে গেছে।
হ্যালো?
আরে, উত্তর দাও।
মারা খা! বালের পুলিশ!
ওখানকার কি অবস্থা?
শেষ টিউবটি ফ্লাশ করা হয়েছে।
ওকে, স্টোররুমে ফিরে কাজ চালিয়ে যাও।
শুধু একজন পরের লট ফ্লাশ করবে,
তখন অন্যজন টিউবে টাকা ভরবে।
মনে হয়, মেয়েটার টয়লেটে যাওয়া দরকার।
ওখানে কাজ সারো।
আমার ভাই কোথায়?
তোমার ভাইকে ছেড়ে দিয়েছি, বুঝছো।
আমরা সবেমাত্র ছবি পেয়েছি,
সেখানে দেখা যাচ্ছে, আজ সকালে ৬ বছরের ছেলেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে...
বাড়িতে ফেরত যেতে।
তার মুক্তি প্রতীয়মান হয়...
দুঃখিত, আবার বলো? হ্যা, হাওয়াল, এটা সে।
আজ সকালে একটা মেইল পাঠিয়েছি,
গতরাতে এই বিপদাশঙ্কার পরে, তাকে বরখাস্ত করার বিষয়ে, কিন্তু...
না, না, এটা বাদ দাও, হ্যা। ওকে, ফাইন।
হতভাগা বাচ্চাটা।
এটা ঠিক হাওয়ালের মতোই, গতরাতের সেই সিকিউরিটি গার্ড।
সত্যিই?
তাকে প্রায় বরখাস্ত করেছিলাম।
ব্যাংক কর্মচারী এবং সম্ভবত কিছু গ্রাহককে ধরে রাখা হয়েছে।
পুরো ভবন ঘিরে রাখা হয়েছে, কিন্তু...
আমার মনে হয়, তারা এখানকার কোনো কর্মচারীকে জানে।
- কেন? - এমনিই মনে হলো।
তারা ভবনটাকে ভালো করে জানে, কোথায় কি আছে সবকিছুই।
কিন্তু একটা টয়লেট ভাঙা ছিল সেটা জানে না,
এবং সেটা কয়েক সপ্তাহ ধরে।
সুতরাং, এখনো কাজ করে এমন কেউ না?
আমারও তাই মনে হয়, তবে নিশ্চিত না।
তোমাকে বলেছিলাম, ব্যাংকের কাছে কেউ থাকবে না।
আর তুমি কি করলে? সর্বত্র স্নাইপার ফিট করেছো।
আমরা কথা দিয়েছিলাম, দুরত্ব বজায় রাখবো।
কিন্তু আমাদেরকে সবার, নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে, ওকে?
এই শট একটা দুর্ঘটনা ছিল।
ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত এক বুড়ো, আমাদের একজনকে গুলি করে।
সে এখনো বেঁচে আছে?
তার মারাত্মক জখম হয়েছে।
এখানে কোন বাতাস নেই, এসব করার প্রয়োজন আছে?
এসবের ব্যাপারে আমি সিরিয়াস,
তোমাকে একটা ডেডলাইন দিয়েছি, কোনো সময়সীমা না।
আমাকে এসব অজুহাত দেখানো বন্ধ করো।
স্যার, এভাবে কাজ হবে না, ওকে?
আপনাকে শান্ত হবার পরামর্শ দিচ্ছি, এবং তারপর আমাকে কল দিবেন, ওকে?
মরন।
কি ব্যাপার?
কেউ একজন মারাত্মক আঘাত পেয়েছে, একজন পুলিশ।
ডিমেনশিয়া আক্রান্ত এক বুড়ো, একজন পুলিশকে গুলি করেছে।
সেটা আমাদের দোষ না।
- বেশ... - এটা আমাদের দোষ নয়!
তুমি বুঝতে পারছ, এটা আমাদের দোষেই হয়েছে?
সত্যিই, সার্জে?
খুব বেশি মানুষ জানে না, এই সেইফের ভেতরে কি আছে।
তুমি কি বলতে চাচ্ছ?
No comments yet. Be the first to leave one.