Ozark

Ozark

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

ওজার্ক ২০১৭- ১x০১- বাংলা সাবটাইটেল বাই মোহাম্মদ ইউসুফ
A Commentary by Muhammed_Yousuf

Tags

other
Published on: 2022-03-16
Downloads: 129
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

নোট, পয়সা...

মালকড়ি, চিনি, ঝিনুক...

লুট, খরচ, হাড়, রুটি, কাপড়...

অর্থ।

যেটা ধনী এবং গরিবের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে দেয়।

কিন্তু, অর্থ আসলে কী?

যার কাছে টাকা নেই, তার কাছে টাকাই সবকিছু, তাই না?

অর্ধেক আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক লোকই ক্রেডিট কার্ডের কারণে দেনায় ডুবে আছে।

শতকরা ২৫ জন লোকের কোন সঞ্চয় নেই।

আর, ১৫% লোক আছে যারা চাকরি থেকে অবসরের পর এক বছর পর্যন্ত নিজের খরচ মেটাতে পারবে।

তো, এটা আসলে কী শিক্ষা দিচ্ছে?

মধ্যবিত্তরা বিপদের মুখে আছে?

নাকি, আমেরিকানদের স্বপ্ন আজ মৃত?

যদি এটা সত্য না হতো তো আপনি এখন বসে বসে আমার কথা শুনতেন না।

আমার ধারণা, অধিকাংশ মানুষই আসলে নগদ অর্থের ব্যাপারে ভুল ধারণা পোষণ করে।

এটা কি শুধুমাত্র একটা কাগজের টুকরো যা প্রয়োজনের সময় আপনাকে পণ্য এবং সেবা দেবে?

যেমন ধরুন, ৩.৭০ ডলারের বিনিময়ে আপনি এক গ্যালন দুধ কিনলেন?

ত্রিশ সেন্টের বিনিময়ে কাউকে আপনার উঠোনের ঘাস কাটার মজুরী দিলেন?

নাকি, এটার অর্থ আরো বেশি কিছু?

নিরাপত্তা নাকি সুখ? মানসিক শান্তি?

আমার কাছে ৩য় একটা অপশনও আছে।

অর্থ আসলে পরিমাপক হিসেবে কাজ করে।

তিক্ত বাস্তবতা এটাই যে আমরা যে পরিমাণ অর্থ আমাদের জীবনে উপার্জন করি...

তার সাথে আমাদের প্রেসিডেন্টের পরিচয় কিংবা অর্থনীতির স্ফীতি কিংবা আমাদের বস কতটা জঘন্য- এসবের কোন সম্পর্ক নেই।

এটাই আসলে আমেরিকানদের কাজ করার তরিকা।

যার কারণে আমাদের দেশ দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে উন্নত একটা দেশ।

এটা মিডিয়ার টকশোগুলোর মতামত যেখানে মা বাবার চারিত্রিক গুণাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়।

গেম মিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া, তারপরে মঞ্চনাটক, তারপর কনসার্ট।

কারণ, আপনাকে আগে কাজ করে অর্থ উপার্জন করে নিজের পরিবারের উত্তম ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে হবে।

আর, আপনার প্রত্যেকটা কর্মকান্ড থেকে উদ্ভুত পরিস্থিতি সামালের দায়িত্বও কাঁধে নিতে হবে।

ধৈর্য, মিতব্যয়িতা, ত্যাগ স্বীকার।

এই তিনটি শব্দের মাঝে কোন মিল খুঁজে পাচ্ছেন?

এগুলো সব যার যার পছন্দ।

অর্থ আপনার মনে শান্তি এনে দেবে না।

অর্থ সুখের প্রতিবিম্ব নয়।

অর্থ হচ্ছে এমন একটা জিনিস...

যা মানুষের প্রত্যেকটা পছন্দকেই প্রভাবিত করার...

ক্ষমতা রাখে।

আচ্ছা।

দেখুন, আমরা খুব ব্যগ্র হয়ে এমন একজনকে খুঁজছি...

বলতে পারেন, একজন ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজর।

ম্মম্ম-হুম্মম, আপনারা বেশ আধা জল খেয়েই নেমেছেন।

- মিঃ বার্ড, আমরা আসলে জানি না... - মার্টি বলে ডাকবেন আমাকে।

আমরা আসলে স্টক এবং বিনিয়োগের ব্যাপারে খুব বেশি কিছু জানি না।

না, এরকম কোন ব্যাপার না।

আমি জানি। আমার শুধু রিসার্চ করার সময়টা নেই।

আমরা এমন কাউকে চাই যার কাছে আমাদের অর্থের দায়িত্বভার দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারবো।

আচ্ছা, বেশ, তো আমাকে...আমাকে আপনাদের আর্থিক পরিকল্পনার বিষয়ে কিছু বলুন।

আপনারা আপনাদের ৫ বছর পরের লক্ষ্যগুলো সম্পর্কে কিছু বলতে পারবেন?

হ্যাঁ, আগে তো আমাদের ভিত্তি মজবুত করতে হবে।

সেজন্য, আমাদের আগে "পুল" কিনতে হবে।

- আমাদের পুলের প্রয়োজন নেই। - এই সিদ্ধান্ত তোমার নেয়ার এখতিয়ার নেই।

- সবসময় কথার মাঝখানে বাম হাত ঢোকায়। - পুলে কিছু সমস্যা রয়েছে।

যখন বিক্রির সময় আসে তখন বিনিয়োগকৃত অর্থ উদ্ধার করা বেশ মুশকিল হয়ে যায়।

বিনিয়োগের ব্যাপারে বললে, এই আইডিয়া তেমন সুবিধার না।

মার্টি, চারটার দিকে আমাদের শহরে থাকতে হবে।

- হুম! - দশ মিনিট পরেই যাই আমরা?

হ্যাঁ, শোনো, ভেতরে আসো, ওর সাথে পরিচিত হও।

- ওহ, হাই! - ইনি হচ্ছেন আর্থিক জ্ঞানে পটু, বার্ড!

ও ব্রুস লিডেল।

আমরা একজন ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজর খুঁজছিলাম, তাই...

- ওহ, তুমি তো আমাকে এই ব্যাপারে কিছু বলোনি! - কোন ব্যাপারে?

ওকে, নর্থওয়েস্টার্নের পুরো সার্জিকাল স্টাফদের ৭৩% আমাদের ক্লায়েন্ট।

- বাহ! - হুম, এটাই আসলে আমাদের মূল চিন্তার বিষয়।

ব্যবসায়ের পরিধির কারণে নতুন ক্লায়েন্টের সাথে ডিল করা আমরা বন্ধ করা দিয়েছি।

ওয়াকারে এডওয়ার্ড জোন্সের অফিস আছে যার কাজের ব্যাপারে প্রশংসা তো আমি করবোই না।

অথবা...

মার্টি, খুব বেশি দেরি না হয়ে গেলে...

আজ তুমি আমাদের এখানে ৫০০০ ডলারের একাউন্ট খুলতে পারো।

আমরা নগদ, চেক, ক্রেডিট কার্ড সবকিছুই গ্রহণ করি।

ওকে।

চেক?

দারুন! চলবে!

আপনার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো। মার্টি, গাড়িতে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।

ঠিক আছে।

শহরের কেন্দ্রীয় জায়গা, চোখ জুড়ানো স্থাপত্য নিদর্শন।

আর, আমিই হচ্ছি প্রথম ব্যক্তি যে তোমাদেরকে এসব দেখাচ্ছি...

যার কারণে তোমাদের ভাগ্য চমকাতে শুরু করেছে।

শিকাগো নদীর মনোরম দৃশ্য, পর্যাপ্ত জায়গা...

ওহ ঈশ্বর! একদম যুতসই আমার জন্য, সোনা!

- জানু, আমি কিন্তু এখন কাজ করছি! - তুমি দূরে থাকলেই আমার ভালোবাসা বাড়ে!

তুমিও না? মার্টি, কী ভাবছ?

পছন্দ হয়েছে জায়গাটা?

ঠিক আছে, বেশ সুন্দর!

- তোমার কাছে সুন্দর লাগছে? - হ্যাঁ।

ভালো করে ভেবে দেখো! আমি এই দিকে, তুমি ওই দিকে বসেছ!

২০ জন লোক আমাদের হয়ে কাজ করবে! বুম, বুম, বুম!

দু'জন রিসিপশনিস্টও থাকবে!

এগুলো কী ধরনের জানালা?

- যে ধরনের তুমি দেখতে পাচ্ছো। - আমি জানি না।

মানে, এই দিকটা দক্ষিণমুখী, তাই না?

যার মানে, গরমের সময়টাতে...

এসির বিল ১৫% থেকে ২০% বেড়ে যাবে।

চিন্তার বিষয় কিন্তু!

তুমি চাইলে তোমার আরো কিছু ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করতে পারো?

মনে হচ্ছে, মার্টির সাথে একটা বক্সিং ম্যাচ খেলতে হবে।

- ও স্বভাবে একটু বেশিই বাল পাকনা। ওকে? - আচ্ছা।

- শিউর! - ঠিক আছে তাহলে!

তোমার কম্পিউটারের স্ক্রিন দেখেছি।

ওয়েন্ডি যদি কোনদিন তোমাকে এই অবস্থায় পাকড়াও করে তবে উদোম ক্যালাবে, ভায়া!

কী ভাবছো?

তুমি আর ওয়েন্ডি কতদিন ধরে আছো একসাথে? কুড়ি বছর?

- বাইশ বছর! - বাইশটা বছর!

সেজন্যই তো ভাবছিলাম তোমার অবস্থা এরকম কেন!

- অনেকটা সময় কেটে গেছে! - হ্যাঁ, অনেকটা সময় পার হয়েছে! শোনো...

তুমি চাইলে আমি কথা বলে দেখতে পারি।

অভিজ্ঞতা থেকে বলছি মেয়েটা মানুষ না, পুরো আগুন!

তুমি কি তোমার ভবিষ্যৎ স্ত্রীর ব্যাপারে কথা বলছো?

- আরে, ধুর, ধুর, ধুর, আস্তে! - যথেষ্ট হয়েছে!

ধীরে, মাথা ঠান্ডা!

মার্টি বার্ড, তুমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, বেশ পছন্দ করি তোমায়। এতে কোন সন্দেহ নেই।

কিন্তু, এটাও মেনে নিতে হবে যে তুমি একটা জানোয়ারের মতো জীবন কাটাচ্ছো।

আচ্ছা, একটা জিনিস আমাকে বোঝাও। আমাদের ব্যাংক ব্যালেন্সর অবস্থা একই...

তারপরও, ট্রাম্প টাওয়ারে নিজেকে দেখার জন্য অধীর হয়ে আছি...

আর, তুমি এখনও দশ বছরের পুরনো ছেড়াফাড়া সিটের ক্যামরি গাড়ি চালাচ্ছো?

ক্যামরি গাড়িতে কোন সমস্যা নেই।

আর, আমার জীবনে সেক্সের কিন্তু কোন কমতি নেই।

- ওরে শালা, সত্যি নাকি? - জ্বি।

এমন একজন মানুষের মুখ থেকে কথাটা শুনছি যে অফিসে ক্লায়েন্টকে সামনে রেখে পিসির স্ক্রিনে পর্ন দেখে!

জোশ!

আমাকে সত্যি করে একটা কথা বলো। শেষ বার কবে সত্যিকার অর্থেই তুমি সুখে ছিলে?

বাদ দাও।

- বাদ দাও। আমি অন্যকিছু নিয়ে ভাবছি। - আচ্ছা, আচ্ছা।

রাগ করে না আমার উপর!

ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজরের জবটার জন্য ব্যাকুল নই আমি...

কারণ, বড় বড় দাউ মারা আমার স্বভাব।

- তাই নাকি? - আবার জিগায়!

দাঁড়াও, দেখো এটা! ভালো করে দেখো!

এখানে লিজের সাথে আমি...

...গত উইকেন্ডে গিয়েছিলাম! অপূর্ব!

মাথা নষ্ট করা একটা জায়গা!

- লেক অফ ওযার্ক? - হ্যাঁ, লেক অফ ওযার্ক?

সাউদার্ন মিশৌরি, যাকে রেডন্যাক রিভেরাও বলা হয়ে থাকে, বন্ধু!

ভেবেছিলাম, জায়গাটার প্রতি ঘৃণা জন্মাবে...কিন্তু সেখানে গিয়ে...

...চক্ষু আমার আসমানে উঠে গেছে!

- তাই? - হ্যাঁ রে ভাই! এই জায়গাটা...

এই জায়গাটা সমুদ্রের কাছাকাছি জায়গায় অবস্থিত...

যা ক্যালিফোর্নিয়ার বিচের চেয়েও চরম!

- এখানে দেখ! - আরে!

প্রত্যেক গ্রীষ্মে ৫০ লাখ পর্যটক সেখানে আসে টাকা উড়ানোর জন্য!

ওখানে সবকিছু পাবি। আমির, গরীব, বোট, ইয়ট, হোটেল...

- এটা নিজের কাছে রাখো। একটু ভেবে দেখো। - আমাকে দিচ্ছো এটা?

হ্যাঁ, ঠান্ডা মাথায় খানিকটা সময় একটু ভেবে দেখো!

ওই জায়গাটায়, বিশ্বাস করো...সবকিছু আছে!

আমার পয়েন্ট হচ্ছে, তুমি চাইলে সেখানে সমুদ্রের কাছাকাছি অংশে জমি কিনতে পারো।

আমরা বিনিয়োগ করবো, ওকে?

এই শহর থেকে বের হওয়ার একটা উসিলা পাওয়া যাবে।

হতে পারে, এটা তোমার বৈবাহিক সম্পর্কটা কিছুটা উন্নতির দিকে নিয়ে যাবে।

সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ছেলেরা?

- নেবো একটু পরে। - ভালো।

না, মানে? না, আমরা আসলে...

আমরা আসলে...জায়গাটা ভাড়া না নেওয়ার ব্যাপারেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

জায়গাটা ভাড়া নিচ্ছি না আমরা।

মাঝেমধ্যে আমাদের কোনো কিছু পছন্দ হবে এমনটা মনে হয় না।

কিন্তু, এমন দেখা গেল, তুমি পছন্দ করার চেষ্টা করলে...

এবং, হঠাত করেই আবিষ্কার করলে তোমার বেশ মজা লাগছে এটাতে।

তোমার ট্রাম্পোলিনটার কথাই ধরো।

এটা নিয়ে তোমার বাবা আর আমার মধ্যে সারাটা বছর ঝগড়া লেগে থাকতো।

তারপর আচানক কী হলো? পরের ঘটনা সম্পর্কে তুমি জানো...

তোমার অগোচরেই আমরা এটা নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করলাম!

মা, আমি পার্টিতে যাবো না। আমার বোর লাগে অনেক।

ওখানে গিয়ে ও যদি শুধু দাঁড়িয়েই থাকে, তাহলে যেতে জোর করছ কেন?

এটা স্কুলের পার্টি। সবাই সেখানে দাঁড়িয়েই থাকে।

- তুমি তো চাও না আমি আসি! - আমি তোকে সাহায্য করার চেষ্টা করছি, গাধা!

- হেই! - তুই আসল গাধা!

- চুপ করো দুজন। - এটা কারো সাথে কথা বলার তরিকা না! তুমি জানো!

আমার কাছে মনে হলো, তোর যাওয়া উচিৎ!

কারণ, ওখানে না গেলে লোকজন তোর কথা স্মরণ করে হাসবে!

নিকুচি করি তোর!

- দুজনই, থামো বলছি! - ওটা নিচে রাখো, প্লিজ!

তোমার ভাই যাই পরুক না কেন, দেখতে হ্যান্ডসামই লাগবে।

- দাও তো ওটা। - তোমার উচিৎ বাইরে গিয়ে নতুন বন্ধু বানানো।

রিমোটটা দাও, প্লিজ! একটা প্রোগ্রাম দেখছিলাম!

- না, তুমি দেখছিলে না! - হ্যাঁ, আমি দেখছিলাম!

রিমোটটা আমার হাতে দিয়ে নিজের খানা খাও, ভাইটাকেও আর পেরেশান করো না।

সবসময় ওর পক্ষে কেন কথা বলো? কখনও ওর বিপক্ষে কিছু বলেছ বলে মনে পরছে না!

আমি ওর পক্ষ নিচ্ছি না। তুমি একটু বেশি চড়াও হচ্ছো ওর উপর!

অনেক হয়েছে, সবাই চুপ করো!

- অন্য কোন ব্যপারে কথা বলা যায় না? - হ্যাঁ, অবশ্যই যায়!

দিনটা কেমন গেল?

তোমার কেমন কেটেছে দিনটা?

আমার দিনটা বেশ ভালোই কেটেছে।

শপিং এ গিয়েছি, তারপরে সবজির দোকানে গিয়েছি।

তারপরে, ঘরের জঞ্জাল বাইরে ছুড়ে ফেলেছি।

তারপর, জোনাহকে ডেন্টিস্টের কাছে নিয়ে গেলাম। তারপর...

ওটা ফেলবে না। বাবাকে দাও, খেয়ে নেবে।

- খাবে? - না, ধন্যবাদ। খাবো না।

- আচ্ছা। - দিনটা ভালোই কাটিয়েছ!

সবজির দোকানে না সোমবারে গেলে?

উম্ম-হুম্ম।

- আমার দশ ডলার লাগবে। - কিসের জন্য?

- হান্না লসনের জন্য ফান্ড করছি আমরা। - কী হয়েছে তার?

- ওর "সোরাইসিস" হয়েছে! - খোদা!

এটা একটা রোগ, বাবা। ক্যান্সারের মতো, বুঝেছ?

না, এটা তো আসলে...

স্কিন অ্যালার্জি, সোনা।

এর কোন চিকিৎসা নেই।

সেটাই, অযথা পয়সা খরচেরও মানে নেই তাহলে।

মানে, এই খুজলিভরা ত্বকের চিকিৎসার জন্য তারা চেষ্টা করে...

এবং, তোমার দান করা কিছু ডলারের মাধ্যমে তারা যদি ত্বকের চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা পায় তবে ঠিক আছে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left