Banshee

Banshee

Download Bengali Subtitle

Season 2

Release info

Banshee s02e08 720p bluray By Kudrate Jahan
বাংলা সাবটাইটেল - বানশি [সিজন ০২, এপিসোড ০৮]
বানশি সিজন ২ এপিসোড নং ৮ ব্লুরে বাংলা সাবটাইটেল
A Commentary by Kudrate_Jahan
🟣🟡🟢পেনসিলভেনিয়ার বানশি নামক একটি লিমিটেড শহরে ওয়েস্টার্ন আইনকানুন চলে। একদিন ঐ শহরের পুলিশি ডিপার্টমেন্টের শেরিফ কোনো এক কারণে নিহত হওয়ার পর আরেকজন এই দায়িত্বটি পেয়ে যায়। সেখান থেকে শুরু হয় কাহিনী। প্রতিটি এপিসোডই খুব দারুণ। সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে আশা করি

Tags

BluRay
720p
720
Published on: 2021-01-25
Downloads: 183
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদে- কুদরতে জাহান

বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।

ভেবেছিলাম তুমি অ্যালার্ম বন্ধ করেছ।

করেছি তো, দুইটাই।

কিন্তু ভাবিনি তুমি সেফ খুলতে এতক্ষণ লাগাবে।

এখন কি সেটা নিয়ে খ্যাঁচখ্যাঁচ করবে নাকি?

অ্যানা, এসব কী?

যাও, এখান থেকে যাও।

হুড! হেই!

- হ্যাঁ? - পেয়েছ ওদের?

- না, কেউ এদিকে আসেনি। - ওরা তোমার দিকেই গিয়েছিল।

ওরা মন হয় পিছের দিকে গেছে।

তোমরা দুইজন জুটি বাঁধলে কবে?

- আমার টাকা দরকার ছিল। - আমাদের সবার টাকার দরকার।

সেজন্যই আমরা একসাথে কাজ করি।

এটা সে ধরনের চাকরি না।

ওহ।

আচ্ছা ঠিক আছে।

সে ধরনের চাকরি না।

ওখানে কবে থাকবে তা বলবে আমাকে।

- তোমার অনুমতির দরকার নেই আমার। - এখানে দরকার আছে।

যদি আমার ডেপুটিরা তোমাকে খুঁজে পায়?

- তোমার ডেপুটি? - হ্যাঁ।

জেসাস, বুঝে বলছ এসব?

অল্প কাজে বিশাল ঝুঁকি।

- হাঁদার কাজ। - ম্যাক্সের জন্য আমার টাকার দরকার ছিল।

আমি চাইলে সাহায্য করতে পারতাম।

আমি তোমার ভেন্ডর আর প্রশাসনিক ফি

এর ব্যাপারে একমত হয়েছিলাম, কিন্তু ব্যবসার ৫ শতাংশ ..

এ ব্যাপারে তোমার আর আমার বাবা একমত হয়েছিল।

আমি তার যোগ্য না, এটা ভাবলে অন্য কিছু ভাবতে হবে।

জানি না এরকম কিছু কীভাবে বইয়ে লুকাবো।

কিছু একটা ভেবে বের করতে হবে। আমি সহজেই রাজি হয়ে যাই।

তা তো হতেই হবে।

একটা উইকলি মিটিং করা দরকার।

আচ্ছা।

গুদামঘরের কথা কী বলছিলে?

সেলফোন ডেটোনেটর, বাসায় বানানো।

- আর চালানটা? - না।

দুঃখিত।

ফিলাডেলফিয়ায় আমার সহযোগীরা ...

রেবেকা, এসো, বসো।

ফিলাডেলফিয়ায় আমাদের সহযোগীরা ...

আজকে ডেলিভারি পাবে আশা করছে।

তুমি ওদেরকে বলো যে আমরা পরে পুষিয়ে দেবো।

কী হয়েছে?

আমাদের একটা শিল্প কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটেছে।

- কেউ একটা বোম পেতে রেখেছিল। - এমন কাজ কে করবে?

হুড, ভয় দেখাতে চাচ্ছে।

তুমি কী করবে?

এখন কিছু করবো না।

- আরেকটা ব্যাপার। - কী?

উইকেন্ডে কসাইখানার বিদ্যুত ছিল না।

- একটা ব্যাকআপ জেনারেটর আছে তো। - ওটা বিকল হয়ে গিয়েছিল।

সব মাংস পচে গেছে।

সেটা কীভাবে সম্ভব?

বিদ্যুত কোম্পানির সাথে কথা বলেছি।

কেউ তাদের সার্ভার হ্যাক করে

ঐ নির্দিষ্ট গ্রিডটা বন্ধ করে দিয়েছিল।

ফাজলামো নাকি!

রেস্টুরেন্টের ব্যবসায় একটা কথা আছে।

যেখান থেকে রুটি আর মাখন কিনবে,

সেখান থেকে মাংস কিনবে না।

মানে, যেখানে খাবে, সেখানে হাগবে না?

হ্যাঁ।

সেটা বললেই হয়।

এভাবে বললে কাব্যিক শোনায় না।

সুপ্রভাত, কাই।

ক্লাবের ব্যাপারটা বুঝলাম।

আমার কর্মীরা অবৈধ কাজে জড়িত থাকলে

তুমি তো শোধ নেবেই।

- গুদামঘরেরটা কেন করলে। - হ্যাঁ আমি শুনেছি ওটার কথা।

বিস্ফোরপণটাইপ কিছু হয়েছিল, না?

এখন এক কসাইখানা ভর্তি পচা মাংসের মালিক আমি।

তুমি কি আমাকে কোনো কিছুর দোষ দিচ্ছ?

আমার মাংসের সাথে ঝামেলা করে কী উদ্ধার করলে তুমি?

তুমি কী করছ?

কোনো অপরাধের খবর রিপোর্ট করতে এসেছ?

নইলে আসতে পারো, আমি ব্যস্ত।

- তুমি কী করছ? - কাই।

শান্ত হও।

তোমার আর আমার মাঝের সম্পর্কটা খুবই জটিল...

না।

আমি একজন পুলিশ, তুমি একজন অপরাধী।

আমাকে হতাশ করলে।

তোমার এসব লোকের সাথে মেশা উচিত না।

তোমার বন্ধু হতে গেলে আলাদা খরচ দেয়া লাগবে, ঝামেলা সামলাতে।

ও একটা কথা ঠিকই বলেছে।

আমি শুধু ওকে কষ্টই দেই।

আরো ভয়ানক কিছু করার আগে

সাবধান কোরো ভালোভাবে।

সেরেছে।

হেই হেই হেই হেই।

ডাক্তার বলেছে সাবধানে হাঁটতে, মনে নেই?

- আমি ঠিক আছি। - তাই?

এখন, এটা কী?

- আমার মনে হয় এটা বেশ সুন্দর। - ধন্যবাদ।

সাংঘাতিক আর্কিটেকচার।

সুপ্রভাত।

- তোমার ইনহেলার নিতে ভুলো না। - নিয়েছি।

তুমি কাজে যাবে না?

কিছুদিন ছুটি নিয়েছি।

তুমি কী করবে?

"সেরা বাবা" পদে ভোট দিতে যাবো।

দেভা, জানি তুমি রেগে আছ,

তোমাকে সেভাবে সমর্থন না করার জন্যও দুঃখিত।

তুমি করলে আরো খারাপ হয়।

হ্যাঁ, সেটার কোনো অজুহাত নেই।

তোমার শুধু পাশে থাকা লাগবে, বাবা।

জানি।

আর এটা ..

দ্যাখো, তোমাকে এ পরিস্থিতিতে ফেলাটা আমার ঠিক হয়নি।

আমি খুবই দুঃখিত, বাবু।

আমি পুষিয়ে দেবো, কথা দিচ্ছি।

কাজের পর এটা নেবো।

আমার শিফটের পরেই নেবো।

আমি অন্তসত্ত্বা, অকেজো নই।

প্যাকেজটার ওজন ২০-৩০ পাউন্ড হতে পারে।

আমাকে আমার স্ত্রীর একটা উপকার করতে দাও।

আমরা এটা সামলে নিতে পারবো।

মারছে আমাকে।

হেই, কিছু মজা নিতে চাও?

ও হবে এনএফএলে পৌঁছানো প্রথম ইয়াওনার।

সত্যিই?

ও যদি আঁকতে কিংবা নাচতে চায়?

ও একজন শিল্পী।

আমার ফিরে যাওয়া দরকার।

আচ্ছা।

আমাদের কথা বলা দরকার।

বলেছিলে তুমি প্রক্টরকে গ্রেপ্তার করবে।

- আমি তা নিয়ে কাজ করছি। - জেসাস।

প্রতিদিন মনে হয়, ও জানবে যে

আমিই তোমাকে গুদামঘরের কথা বলেছি।

ওর এটা জানার কোনো উপায় নেই।

এখন আমার আরো কিছু দরকার।

আমার এমন কিছু দরকার যেটা ওর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

আমি আর কিছু জানি না।

বলেছিলে তুমি তার সাথে সপ্তাহে তিন-চারবার দেখা করো।

ও আমাকে লাগায়। তার আগে পরে কোনো কথা হয় না।

অবৈধ কিছু নিয়ে বলা লাগবে তা না।

একটু অদ্ভুত কোনোকিছু।

একদিন গভীর রাতে তার বাড়ি ছেড়ে যাচ্ছিলাম,

দেখলাম ওর বেজমেন্টে একদল লোক কিছু বাক্স নিয়ে যাচ্ছে।

- বাক্সে কী ছিল? - জানি না।

বেজমেন্টে গিয়ে দেখেছিলে?

ও আমাকে সবজায়গায় যেতে দেয় না।

ঐ বেজমেন্টে কী আছে তা জানতে হবে আমাকে।

- মশকরা নাকি? - তুমি বিপদে পড়ো, এমন কোনোকিছু

করা লাগবে না তোমাকে।

তোমার সাথে কথা বলাটাই একটা বিপদ।

চলে যাও।

প্লিজ।

তুমি ওকে বেশি চাপ দিয়ে ফেলেছ।

এখন ও ছাড়া আমাদের গতি নেই।

মারছে!

প্রক্টরের পতন ওর চেয়ে বেশি কেউ চায় না।

বেজমেন্টে বাক্স নিয়ে যাওয়া কোনো অপরাধ না।

- বাক্সে কী আছে তার ওপর নির্ভর করছে। - সেটা ওয়ারেন্টের জন্য যথেষ্ট নয়।

ওয়ারেন্ট ছাড়া তুমি ওখানে যেতে পারবে না।

- বস। - কী? আমি জানি।

- তাই? - হ্যাঁ।

এইযে ওর কুত্তি।

- হেই। - হাই।

- তোমাকে একটা প্রশ্ন করি? - নিশ্চয়ই।

নিজের জাতের প্রতি বেইমান হলে কবে থেকে?

সরো সামনে থেকে।

- ওহ না, দ্যাখো তাকিয়ে। - এক্সকিউজ মি।

বোলো না যে ওখানে একটা দোআঁশলা কুন বাবু আছে।

ওহ!

কী করছ তুমি?

এসো, চলো।

- কেউ 911 এ ফোন করো। - জলদি।

ভেতরে এসো।

মোটেলের ছেলেটা নিজের নাম বলেছে তোমাকে?

- জেসন, ও মাত্রই বললো। - জেসন।

ও নিজের ব্যাপারে কিছু বলেনি, না?

না।

কারণ আমি বুঝছি না ..

ওর কী হবে তা নিয়ে হুড এত মাতামাতি করছে কেন।

মানে, এটা ...

তুমি কী করবে?

- হুডের ব্যাপারে? - হ্যাঁ।

ও মরিয়া হয়ে গেছে, কারণ, ওর হাতে কিছুই নেই।

তাই ও আরো মরিয়া কিছু উসকে দেবার চেষ্টা করছে।

তুমি যে এতগুলো টাকা হারালে?

আমি একটু সুদূরপ্রসারী চিন্তা করছি।

লংশ্যাডোর সাথে যে লাভ হবে, তার তুলনায় ঐ ক্ষতি কিছুই না।

আর হুডের বিরুদ্ধে থাকা আক্রোশের কারণে

ঐ লাভ ছেড়ে দিতে পারবো না আমি।

যতোই ইচ্ছা হোক না কেন।

তোমার এত সংযম তা বিশ্বাস করতে পারছি না।

ডক্টর আরভিন, অর্থোপেডিক্সে আসুন।

ডক্টর আরভিন, অর্থোপেডিক্সে আসুন।

হেই, হোয়া হোয়া হোয়া।

- এক্সকিউজ মি। - মেগান, সোনা, আমি এমেট বলছি।

- স্যার। - ব্যথা লাগছে।

কী হচ্ছে? কোথায় নিয়ে যাচ্ছ ওকে?

- ডাক্তার তো এখানে। - আমি ডাক্তার হল্যান্ড।

ওনার ভেতরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা সার্জারির জন্য প্রস্তুত করছি।

ঠিক আছে সোনা। বলো কী হয়েছে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left