Monster

Monster (MONSTER)

Download Bengali Subtitle

Release info

Monster Episode 19
A Commentary by Ferdous_Shuvo
💥বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে দেখুন মাস্টারপিস অ্যানিমে- মন্সটার💥 📌📌ডাউনলোড লিংক: 📌480p:https://cutt.ly/8QH3Ncy 📌720p:https://cutt.ly/KQH30s1

Tags

other
Published on: 2021-08-13
Downloads: 44
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 180 lines.

তিন বছর আগে আমার ডিভোর্স হয়।

আসলে, সত্যি বলতে, আমার স্ত্রী আমাকে ছেড়ে চলে যায়।

কারণ, আমি আমার স্ত্রীর কথা শোনা বাদ দিয়ে,

সবসময় এ জিনিসটায় রেকর্ড করা কথা শুনতাম।

আমার স্ত্রী আমাকে বলেছিল,

"তুমি শুধুই একজন সংগ্রাহক, যার কাজ মানুষের মনের মধ্যে উঁকি দেওয়া।"

ডাক্তার...

আপনি স্বাভাবিক নন।

হয়তো।

মানুষের মনের অতল গহ্বরে উঁকি দেওয়া আর তাদের মনের গভীরে বিচরণ করার এই কাজ

আমাকে সে অতল গহ্বরে নিজেই তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে দেয়।

তো, তোমার চার নাম্বার শিকার ছিল মিউনিখের একজন ১৮ বছর বয়সী মেয়ে, তাই তো?

তাকে কাটার সময় কি যৌন উত্তেজনা অনুভব করছিলে?

ডাক্তার...

এর বদলে আমার বারো নাম্বার শিকারের কথা জিজ্ঞাসা করছেন না কেন?

তিনি হলেন ক্লপ হাউজ থেকে মিস. হান্না কেম্ফ।

বায়ান্ন বছর বয়স, ঠিক?

তার বেলায়...

আমি—

থামুন।

আমি অন্য কোনো সময় তার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবো...

কিন্ত, এখন আমি তার আগের কেস,

আপনার এগারো নাম্বার শিকারকে নিয়ে কথা বলতে চাই।

ঠিক আছে?

তাহলে, আমাকে এটা বলুন:

কোন মূহুর্তে আপনি চরম যৌনসুখ অনুভব করেন?

তাদেরকে মেরে ফেলার আগে?

নাকি মারার পরে?

যেমনটা আগে বললাম, ওর সব ভিক্টিমই ছিল...

Monster's Abyss

লম্বা চুলওয়ালা, ষোল থেকে আঠারো বছর বয়সী মেয়ে।

এই কেসটাকে সম্পূর্ণভাবে সেক্সুয়াল মার্ডার শ্রেণিতে ফেলা যায়।

যাইহোক, সে বারো নাম্বার কেসেরও দোষ স্বীকার করেছে।

এই কেসে, ভিক্টিম হলো, বায়ান্ন বছর বয়সী মিস. কেম্ফ...

আর তার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার যৌন নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তাড়াছাও, এক বন্ধুর অনুরোধে, সে এই খুনটা করেছে বলে স্বীকার করে...

ইনভেস্টিগেশনকে ধাঁধার মধ্যে ফেলে দিয়েছে—

কে?

কে ওখানে?

আমি, রুডি।

তেনমা!

আমাকে তো তখন ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে।

সরি।

তোমার সাথে দেখা করার, আর কোনো উপায় ছিলনা।

তুমি তো কারণটা জানোই, তাই না?

হ্যাঁ, আমি শুনেছি।

তোমার কি আমাকে সিরিয়াল কিলার বলে মনে হয়?

জানিনা।

নিউপেপারের আর্টিকেল, টিভির নিউজ,

আর পুরোনো ক্লাসমেটদের কাছ থেকে শোনা গুজবের উপর ভিত্তি করে কিছু বলতে পারছিনা।

কিন্তু তুমি আমার কাছেই আসলে কেন?

আমরা তো খুব ভালো বন্ধুও ছিলাম না।

বরং, তুমি আমাকে ছোট করে দেখতে।

তোমার চোখে চোখ পড়লে, আমার এটাই মনে হতো।

যে তুমি আমাকে ছোট করে দেখছো।

ওহ, বুঝেছি।

সেই সময়ের আমার কোনো ধারদেনা আছে, যেটা ফেরত নিতে এসেছো, তাই না?

টাকা?

না। সেসব ব্যাপার না।

শুনেছি তুমি বেশ বড় একজন ক্রিমিনাল সাইকোলজিস্ট।

আমার কাছে কিছু আছে।

আমি তোমাকে দেখাতে চাই।

"দেখুন আমাকে! দেখুন আমাকে!

আমার মধ্যে লুকিয়ে থাকা মন্সটার কতটা বড় হয়ে গেছে, ড. তেনমা!"

"বাঁচান আমাকে! আমার মধ্যে লুকিয়ে থাকা মন্সটার বিস্ফোরিত হতে যাচ্ছে! "

এসব কী?

আচ্ছা।

তো, এই ইয়োহানই হাসপাতালের ডিরেক্টরকে মেরেছিল...

তারপর ওকে যারা লালন-পালন করেছিল, তাদেরও এক এক করে মেরেছে...

তারপর এই মেসেজ দিয়ে আবার উধাও হয়ে গেছে।

যত দ্রুত সম্ভব আমার ওকে খুঁজে বের করতে হবে!

আর তার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে।

বিশ বছর আগে কোনো এক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে...

একটা ছেলে ছিল, যে সবসময় ক্লাসে টপ হতো।

কিন্তু, এক জাপানিজ ছেলে ক্লাসে ট্রান্সফার হয়ে আসায়, তার পরিস্থিতি একেবারে বদলে গেল।

জাপানিজ ছেলেটার আচরণ ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ, আর সে কিছুদিনের মধ্যেই সবার প্রিয় হয়ে উঠল।

এবং, জাপানিজ ছেলেটা ভালো নাম্বার পেতে শুরু করলো, আর সহজেই সেই ছেলেটাকে...

প্রথম সেমিস্টারেই প্রথম স্থান থেকে সরিয়ে দিল।

সেই ছেলেটা...

দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষায় তার অবস্থান ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল।

সে প্রতিটি বিষয়েই অনেক ভালোভাবে পরীক্ষা দেয়...

কিন্তু শেষ পরীক্ষা...

...ছিল ফরেন্সিক মেডিসিনের উপর, যে বিষয়ে সে একেবারেই ভালো ছিলনা।

যদি সে ফেইল করতো, তার সব পরিশ্রম বৃথা হয়ে যেত।

তাই সে একটা শেষ চেষ্টা করে।

"এখন, আমিই ফার্স্ট হবো।"

কিন্তু...

জাপানিজ ছেলেটা কাউকে কিছু বলল না।

ফলে, সেই ছেলেটা আবার তার প্রথম স্থান ফিরে পেল।

তো, এই দুটো মেসেজ থেকে কিছু বুঝতে পারলে?

তুমি যে মাল্টিপল পার্সোনালিটি ডিসওর্ডারের কথা বললে, তার সেটা আছে কি-না জানতে চাচ্ছ?

তুমি বলতে চাচ্ছ, ওর একটা সত্তা এই খুনগুলো করছে...

আর আরেকটা সত্তা সেগুলো আটকানোর চেষ্টা করছে।

অবশ্যই, এমন কিছু সিরিয়াল কিলিংয়ের ঘটনা আছে

যেখানে ঘটনাস্থলে এমন নোট পাওয়া গেছে।

কিন্তু, কখনো কখনো...

সেই নোটগুলো নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের এক প্রকার "অজুহাত" হয়ে থাকে।

এই দুই ধরণের সম্ভাবনার মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করাই, আমার মতো সাইকোলজিস্টের কাজ।

বেশিরভাগ মানুষই মনে করে যে, সিরিয়াল কিলারেরা ইন্ট্রোভার্ট হয়ে থাকে...

কিন্তু সেটা সম্পূর্ণভাবে ভুল।

এমনও কেউ আছে, যারা অনেক বুদ্ধিমান, সামাজিক, ভালো করে কথা বলতে পারে।

বুঝতেই পারছ, তারা ডাহা মিথ্যাবাদী।

ও কি...

আমার সাথে খেলছে?

থামো, থামো। হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্তে চলে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

আমাকে ইয়োহানের ব্যাপারে বিস্তারিতভাবে বলতে পারবে?

তিন বছর আগে আমার ডিভোর্স হয়।

আসলে, সত্যি বলতে, আমার স্ত্রী আমাকে ছেড়ে চলে যায়।

ধন্যবাদ, রুডি।

গল্পটা বেশ ইন্টারেস্টিং, তেনমা।

আমি বিষয়টা নিয়ে একটু গবেষণা করব।

এক সপ্তাহের মধ্যে আমার সাথে যোগাযোগ কোরো।

তো, এই লোকের ব্যাপারে কী মনে হয়?

আমি তাকে ভালোই বুঝতে পারছি।

ওহ?

কোন ব্যাপারে?

যে...

"মন্সটারের" কথা তিনি বললেন।

আচ্ছা।

তো একটা মন্সটার সত্যিই আছে।

অবশ্যই আছে...

তোমার মধ্যে, তার মধ্যে...

আর আমার মধ্যেও।

থামুন।

ফালতু দার্শনিকমার্কা কথা আমাকে শোনাবেন না।

কী?

আমি বলছি যে এই পৃথিবীতে একটা মন্সটারের অস্তিত্ব আছে।

আমার দিকে ওভাবে তাকাচ্ছ কেন?

আমার দিকে ওভাবে তাকাবে না!

কেউ আমাকে অবজ্ঞার চোখে দেখাকে, আমি পছন্দ করিনা!

তুমি কী...

গার্ড...

ভয় লাগছে?

ভয় লাগছে?

হাহ?

কিন্তু শুনুন,

এই পৃথিবীতে এর চেয়েও ভয়ানক জিনিস আছে।

আপনাকে মজার কিছু শুনাচ্ছি।

আপনার সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ।

সে সত্যিই আপনার সাথে দেখা করতে আসবে?

হ্যাঁ।

সে আসলে, আমি সাথে সাথে আপনাদের জানাবো।

কিন্তু...

কিন্তু?

আপনারা তাকে গ্রেফতার করার পর, আমি তাকে নিয়ে কিছু রিসার্চ করতে চাই।

সে একজন অনেক ইন্টারেস্টিং অপরাধী...

এই ডা. তেনমা।

আপনাকে মজার কিছু শোনাচ্ছি।

মিস. কেম্ফের বাসায় যান।

বেসমেন্টের স্টোর রুম।

সেখানে গেলেই বুঝবেন।

এক মন্সটারের অস্তিত্বের...

প্রমাণ আছে ওখানে।

হ্যাঁ?

হাই, তেনমা।

হ্যাঁ, দেখা করলে ভালোই হয়।

হ্যাঁ, অবশ্যই।

আমি অপেক্ষা করবো তাহলে।

ডিটেকটিভ কোল বলছেন?

আমি তেনমার সাথে দেখা করতে চলেছি।

আজ সন্ধ্যা ৮ টায়, ওদের পার্কে ঝরনার সামনে।

আচ্ছা, রাখছি।

আমি বর্তমানে...

...অপরাধ সংঘটনের দিন বাড়িতে ঢোকার জন্য ইয়ুরগেন্সের ব্যবহৃত পথ অনুসরণ করছি।

তার বর্ণনা অনুযায়ী,

সে স্টোর রুমে লুকিয়ে, কয়েক ঘণ্টা সেখানেই কাটায়।

তারপর মিস. কেম্ফ বাড়ি ফেরার সাথে সাথে...

সে দ্বিতীয় তলার বেডরুমে ঢুকে পড়ে,

এবং মিস. কেম্ফকে হত্যা করে।

ঘরটাতে অস্বাভাবিক কিছুই নেই...

শুধু...

কিছু ফ্রেমে বাঁধানো ছবি।

অনেকগুলোতে...

মিস. কেম্ফও রয়েছে।

একটা পুতুল।

তেমন বিশেষ কিছুই চোখে পড়ছে না।

এখানে এমন কিছুই নেই, যা ইয়ুরগেন্সের বলা সেই মন্সটারের

অস্তিত্বের প্রমাণ করে।

যেমনটা ভেবেছিলাম, সে ডিটেকটিভদের উদ্ভ্রান্ত করতেই

এই বারোতম খুনটা করেছে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left