The first 160 lines.
তোর মা তোকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে!
সে তোকে আর তোর মাতাল বাপকে জঞ্জালের মতো ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে!
এই ময়লার ভাগাড় থেকে আর ফিরে আসিস না!
The Town of Massacre
দুঃখিত, কিন্তু তুমি এখান থেকে যাবে প্লিজ?
ড্রিংক করতে চাইলে, আগে বাকির টাকা শোধ করো।
আমার কাছে টাকা আছে।
দেখেছ?
আজকে চলার মতো টাকা আছে আমার কাছে।
যে লোক নিজের ছেলের কামাই করা টাকা কেড়ে নেয়, আমি তাকে কিছু দিতে পারব না।
কী বললে?
বললাম, ভাগো এখান থেকে।
ওকে দেখে সন্দেহ হচ্ছে।
মি. কনরাডের সাথে ঘটা ঘটনার কথা বলছ?
হয়তো সে-ই মিসেস. হিলমানের কুকুরটাকে গুলি করেছে।
গুলি চালানোর মতো সাহস ওর মধ্যে নেই।
ঠিক বলেছ!
মাতাল কাপুরুষ একটা!
ধুর!
এই বৃষ্টির মধ্যে কীভাবে খোঁজাখুঁজি করব?
মের্কেল!
আজ এই পর্যন্তই থাক!
এই, মের্কেল!
তাকে খুঁজে পেয়েছি!
মের্কেল!
মের...
মের্কেল?
লাউফার বলছি!
কেউ সাড়া দাও!
কেউ একজন...
প্লিজ কেউ একজন সাড়া দাও!
আমি তোমার বন্দুকটাও নিয়ে নিই।
ও মধ্যে গুলি করার মতো সাহস নেই।
ঠিক বলেছ!
মাতাল কাপুরুষ একটা!
পুরো শহরে মৃতদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে...
কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের মতো অবস্থা...
ভিম?
কী হয়েছে, ভিম?
কিছু হয়নি।
শান্ত হও।
এটা আমি।
আমি...
শান্ত হও।
বন্দুকটা আমাকে দাও।
আমার সত্যিই মনে নেই...
আমিই ওদের গুলি করেছি, তাই না?
ওরা খালি আমাকে বিরক্ত করত...
তাই আমি...
ভিম, তুমি...
ঠিক আছে।
শান্ত হও।
এখন সবকিছু ঠিক আছে।
ভয় পেওনা।
শান্ত হয়ে সবকিছু মনে করার চেষ্টা করো।
কে তোমাকে এই বন্দুক দিয়েছে?
হাল ছেড়ো না!
এই পা নিয়ে তুমি এখান পর্যন্ত আসতে পেরেছ, লাউফার!
স্টেশনে কল করুন...
ফোন লাইন কেটে গেছে।
স-সে আমার বন্দুক নিয়ে নিয়েছে...
এই শহরের কেউ?
না।
বাইরের কেউ হবে, তাকে আগে কখনো দেখিনি...
আগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া যাক, তারপর...
সে কি আপনাদেরই সাথী?
কী বলছেন আপনি?
আপনার কতজন সাথী এই শহরে এসেছে?
কী বলতে চাচ্ছেন আপনি?
আপনি বেশ কিছু বন্দুক সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন মনে হচ্ছে।
এই বাচ্চাটাকে পর্যন্ত একটা বন্দুক দিয়েছেন।
ভিম!
বন্দুক?
বোলোনা যে তুমি...!
“তুমি কোনো জঞ্জাল নও।”
“ওদের কথায় কান দিওনা।”
“তোমার জন্মনোর কোনো কারণ অবশ্যই আছে।”
আপনি ওকে এসব কথা বলে উৎসাহ জুগিয়েছেন।
ও গুলি চালায়নি।
সবগুলো গুলি এখনো বন্দুকেই আছে।
ও আপনার দেওয়া শিক্ষার মান রেখেছেন।
সাবাশ, ভিম।
সব ঠিক আছে।
এখন সব ঠিক আছে, ভিম।
কিন্তু, পুরো শহরে মানুষের মৃতদেহে পড়ে আছে।
কতগুলো বন্দুক বিলিয়েছেন আপনি?
শহরের কতজন লোককে বন্দুক দিয়েছেন?
কতজন লোক আপনার থেকে বন্দুক নিয়েছে?
আমাকে আর রাগাবেন না!
আমাকে রাগালে ভয়ংকর কিছু একটা ঘটে যাবে!
ও দেখতে একদম আমাদের নাতির মতো ছিল!
কী?
ওকে অবিকল আমাদের মৃত নাতির মতো দেখতে।
"ও"?
ও আমাদের ব্যাপারে অনেক কিছু জানত।
ও আমাদের নাতির মতোই ছিল।
কে সে?
আপনি আপনার মৃত নাতিকে একটা চিঠি লিখছিলেন।
মানে আপনি "তার" কাছে তথ্য পাঠাচ্ছিলেন।
সে কে?
সে সম্ভবত আমার পেছনে পড়ে আছে।
তার লক্ষ্য সম্ভবত আমি।
হ্যাঁ।
ঠিক বলেছেন, মি. পপ্পে।
না।
ফ্রানৎস বোনাপার্টা।
দক্ষিণ জার্মানিতে ভারী বর্ষণের ফলে...
...বায়ার্ন রাজ্য বেশ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
–সেখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাওয়ায়...
আপনি একটু বেশিই সিগারেট খান!
চার নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখানো হচ্ছে।
তাতে কী? অন্তত মদ খাওয়া তো ছেড়ে দিয়েছি।
আপনার সিগারেট খাওয়াও ছেড়ে দেওয়া উচিত।
ডিটার।
কী আঁকছ তুমি?
কেমন হয়েছে? তার মতো দেখতে না?
কার?
তেনমা, তেনমা!
পরেরবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গেলে ওটা পুলিশকে দিয়ে দেবো।
ওরা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো বিশ্বাসই করছে না।
তাই আমি ওদেরকে এটা বলব...
যে এই লোকটার কথাই আমি বলছিলাম।
এই লোকটা নিজে নিজেই একটা মন্সটারকে মারতে বেরিয়ে পড়েছে।
তেনমা ফিরে আসবে তো?
এখন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর রিপোর্ট।
এলগা নদীতে বন্যার ফলে কয়েকটি জায়গার সড়কপথ বন্ধ হয়ে গেছে।
এবং সেসব জায়গায় ট্রেন চলাচলও বন্ধ আছে।
কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায়, সেসব এলাকায় ফোনে যোগাযোগ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে...
আমি তিনদিন আগে এই ই-মেইলটা পেয়েছি।
ডা. গিলেনের সাথে আলোচনা করার পর...
আমার মনে হলো যে তোমার কাছ থেকে এটা লুকানো উচিত হবে না।
প্লিজ আমাকেও দেখান।
"নিনা।"
"আমি রুহেনহাইমে তোমার জন্য অপেক্ষা করব।"
ইয়োহান...
তোমার মনে হয় এটা ইয়োহান?
ইয়োহান কী করতে চাচ্ছে, সেটা আমাদের আগে বলেছিলে।
একটা “নিখুঁত আত্মহত্যা”, তাই না?
তার সাথে, অনেক নিষ্পাপ মানুষ মারা যাবে।
রুহেনহাইম।
দক্ষিণ জার্মানিতে এই নামে একটা ছোট শহর আছে।
হতে পারে তেনমাও সেখানে গেছে।
আমাকে যেতে হবে।
আমাকে ওখানে যেতে দিন, প্লিজ।
আমার একটা অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে।
প্রথম প্রথম আমি ভেবেছিলাম কেবল একজন মানুষের কল্পনাতেই আপনার অস্তিত্ব আছে।
আপনার পিকচার বুকের সেই চরিত্রগুলোর মতোই কোনো একটা চরিত্র।
বহু বছর ধরে, আমি নিরপেক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত চালিয়ে আসছি।
কিন্তু, এবার সেসব তথ্য পুরোপুরি উপেক্ষা করে, আমি কেবল সেই লোকের কল্পনাকে অনুসরণ করেছি।
মূলত নিজের কৌতুহলেই, সূত্রগুলো অনুসরণ করতে করতে...
আমার চেক প্রজাতন্ত্রে এক লোকের সাথে দেখা হয়, যে বারবার রেড রোজ ম্যানশনে যেত।
সে হলো আপনার ছেলে।
আপনি তাকে এই হাতে আঁকা ছবিওয়ালা পোস্টকার্ডটা পাঠিয়েছিলেন।
নিজের আসল নাম ক্লাউস পপ্পে, কে. পি দিয়ে সাইন করে।
এই জায়গায় আসার পরেও...
আর আপনাকে নিজের চোখে দেখার পরেও...
আমার অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছিল।
মনে হচ্ছিল যেন, কোনো গল্পের বইয়ের একটা চরিত্র সেই বই থেকে পালিয়ে এসেছে।
কিন্তু, এটা গল্প নয়, বাস্তবতা।
চেকোস্লোভাকিয়ায় পালানো লোকদের যে তালিকা আমি পেয়েছিলাম...
No comments yet. Be the first to leave one.