The first 200 lines.
হ্যালো?
হ্যালো?
হ্যালো!
আমাকে যেতে দাও!
তুমি আবার কে?
যেমন ভেবেছিলাম তুমি তার থেকেও ছোটো,
যেটা অবাক করার মতো কারণ তুমি অনেকবার ঝামেলা করেছ
তোমার প্রশিক্ষকের সাথে আর সে কোনো বোকা** নয়।
হয়তো এটা প্রথমবার নয় যে তোমার বদমেজাজ তোমায় ঝামেলা জড়িয়েছে, তাই না?
সেজন্যই হয়তো তুমি আর্মিতে যোগ দিয়েছিলে, তাই না?
নাকি দেশপ্রেম থেকে?
আমি কোথায়?
তুমি কোথায় নেই?
তুমি ফোর্ট বেনিংয়ের ব্রিগে নেই
যেখানে তোমার কোর্ট মার্শাল হলে দুই বছরের সাজা হতো
মিলিটারি জেলে আর তোমার অবস্থা এর থেকেও খারাপ হতো।
যে অবস্থায় এখন তুমি।
তোমাকে সরিয়ে নিয়েছিলাম।
স্বাগত।
তো এসব কী?
বেশ, অনুমান করছি এটা গণিতের কোনো ক্লাস,
কারণ আমি কোনো র্যাঙ্ক বা কোনো ব্যাজ পরিনি,
আর এটা কোনো সেল নয়, তো...
স্পেশাল অপারেটিভস?
হেই, মারা খাও!
মারা খাব?
আমরা কয়েকদিন পর আসব, ছোকরা।
কী? তুমি যাচ্ছ কোথায়?
হেই!
হেই, শালা, ফিরে আয়!
হেই!
আমাকে যেতে দে!
~ B A N S H E E ~ অনুবাদে : সাফাত
তোমার সাথে দেখা হওয়া সম্মানের ব্যাপার।
যেমনটা বললাম, আমি বিশাল ভক্ত।
শালী, জানি না আমাকে তুই কে ভাবছিস...
তুমি জব। দ্য জব।
১৯৯১ সালে, তুমি ব্যাংঙ্কো ন্যাশনাল ডি কারাকাস হ্যাক করে
৭ মিলিয়ন ডলার মানবতার সেবায় অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ট্রান্সফার করে দিয়েছিলে।
পুরো দক্ষিণ আমেরিকা জুড়ে।
ছয় মাস পরে, তুমি উইং-লিঝুন শিপিংয়ের মেইন সার্ভার হ্যাক করেছিলে
বটনেট নামক ভাইরাস দিয়ে যেটার কারণে তাদের ১০০ মিলিয়ন খোয়া গিয়েছিল...
বুঝছি, তোমার মুখের ভাষা ইংরেজি,
কিন্তু এখনও বুঝছি না তুমি কী ব্যাপারে কথা বলছ।
আমি ৭ বছর ধরে সাইবার ক্রাইমে থেকে তোমাকে ট্র্যাক করেছি,
তোমার কাজ সম্পর্কে জেনেছি।
অস্ত্রাগার হ্যাক করা,
একদম সহজ ছিল তোমার মত কারো জন্য।
কিন্তু যেভাবে তুমি আমাদের পাওয়ার গ্রিডের টাইম রিভার্স করলে!
মানে, হয়তো এরকম ২ বা ৩ হ্যাকার আছে,
যারা এটা করতে পারে আর তারা চায়নার বাসিন্দা।
তো কেন তুমি ওখানে গিয়ে
তাদের এসব শুনিয়ে অতিষ্ঠ করছ না?
হুম?
১৯৯৪ সালে, তুমি এন.এস.এ. ডেটাবেজে অনুপ্রবেশ করেছিলে...
আর ৪০ জন কোভার্ট সেনার ব্যক্তিগত তথ্যাদি মুছে দিয়েছিলে।
আমার ধারণা,
তুমি মাত্র একজনকে গায়েব করতে চেয়েছিলে।
কিন্তু তুমি ভেবেছিলে সব শেষ,
বরাবরের মতো।
বেশ, ওটার জন্য তুমি সিআইএ'র নজরে আজীবনের জন্য পড়ে যাও।
আমি আবারও বলছি
তুমি আমাকে অন্য কেউ ভাবছ...
...কিন্তু তোমাকে বেশ উত্তেজিত লাগছে,
তাই তোমার মজা নষ্ট করতে চাই না, লিও।
তুমি আমার সোনার ডিম পাড়া হাঁস, জব।
আর আমি তোমাকে বেঁচে দিবো।
দুঃখিত।
তুমি একজন আবেগী এবং বেপরোয়া।
- তুমি আমার কথা শুনোনি। - ভেবেছিলাম, তোমার সাহায্য করছিলাম।
ধন্যবাদ, বার্টন।
গাড়ি নিয়ে এসো।
আমার ফ্রাজিয়ার আর মোরালসের মতো লোকদের সাথে উঠাবসা,
তোমার জন্মের আগে থেকে।
তুমি শিখবে, রেবেকা।
কিন্তু শিখবার জন্য, তোমাকে মানতে হবে যে
তুমি কিচ্ছু জানো না।
- এখনও না। - বুঝেছি।
এটা বলা সত্বেও, আমরা দুজনই ভুল করেছি,
ভুল যেগুলো আর কখনও যাতে না হয়।
তুমি কি ফিলাডেলফিয়ায় যাচ্ছ?
আমরা সবাই যাচ্ছি।
আরে মিয়া, সরো আমার থেকে।
হেই, যথেষ্ট হয়েছে!
ওটার কথা ভুলেও ভাবিস না, হারামী।
ধ্যাত, তুমি ঠিক আছ, জব?
এটা কোন ধরণের বেহুদা প্রশ্ন?
ও ঠিক আছে।
কোনো ধারণা আছে কীভাবে স্টো আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল?
আমরা ধরে পড়ে গিয়েছি।
বেশ, সে সবকিছু জানে না, আর এটাই একমাত্র যেটা
আমাদের বাঁচিয়ে রাখছে কোনো সাহায্য আসার আগে।
তাই? আর কে ওকে সাহায্য করবে?
ওই লোকের ৩টা বন্ধু আছে আর সবগুলোই এখানে।
বিশ্বাস রাখো, হাহ?
আমাকে চিনো তুমি?
সে আসবে।
ওহ, জানি সে আসবে।
সে অস্ত্র হাতে পুরো প্লাটুনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে।
হয়তো সামনের গেটও পার হয়ে যাবে।
কিন্তু সেখানে একগাদা ভাড়াটে সেনা চারিদিকে ছড়িয়ে আছে
একগাদা অস্ত্র হাতে, আমাদের আর তার মধ্যে।
কর্ণেল স্টো এর সাথে দেখা করব। আমরা পুরোনো বন্ধু।
আমি যাবো না যতক্ষণ না ওই মরার দরজা খুলছ।
- সে কোনো উপায় বের করবে। - মারা খাও, সে উপায় বের করবে।
সে তোমার কোনো পরী মা না যে তোমার সব স্বপ্ন সত্যি করে দিবে।
কতবার সে তোমার জন্য তার জীবনের ঝুঁকি নিবে,
যতক্ষণ না তার মাথা গুলি খেয়ে উড়ে যাচ্ছে?
- তুমি এর জন্য আমাকে দোষ দিচ্ছ? - আমি সে নই যে মার্ককে লাগিয়েছে!
- মারা খাও, জব। - না, তুমি মারা খাও, ক্যারি।
বা এনা। অথবা যে বা** নামে নিজেকে আজ পরিচয় দিচ্ছ।
- যদি তোমার এতই চিন্তা হয়... - তোমার বয়ফ্রেন্ড কীভাবে জানল...
...তুমি এই কাজ বন্ধ করতে পারতে। - ...আমাদের সবাইকে কীভাবে ধরতে হবে?
- আমি একজন পেশাদার। - আর কী বলেছ ওকে?
- কী বলেছ ওই হারামজাদাকে?! - আমি কিচ্ছু বলিনি।
- কত্ত বড় সাহস? - তোমরা দুজনই চুপ যাও!
যদি আমাদের কপালে মৃত্যু লিখা থাকে, তাহলে মরবই।
খোদার দোহাই লাগে, অন্তত মাথা উঁচু করে মরো।
জব...
যদি সে কিছু বলে থাকত, আমরা চারজন এতক্ষণে মরে ভুত হয়ে যেতাম।
আমরা এখান থেকে জীবিত বের হব,
আমাদের একসাথে থাকতে হবে।
হুম?
হ্যাঁ?
এসো।
- তুমি এখানে কী করছ? - আমি আশেপাশেই ছিলাম।
কাজের কথা বলো। যদি আমার সাথে তোমার কোনো কাজ থাকে, বলে ফেলো।
এখানে কী হচ্ছে, কর্ণেল? সব ঠিকঠাক?
দেখো, শেরিফ, আমি ধরে নিতে পারি
কতটা একঘেয়েমি আর আজাইরা জীবন তোমার,
কিন্তু সত্যি বলতে, এসবে আমি দুই পয়সারও দাম দিই না।
যদি তোমার এখানে আসার কোনো কারণই না থাকে, তো দূর হও আমার বেইজ থেকে।
আমার ৬ মিলিয়ন কারণ আছে।
শেরিফ একটা চোর।
আমি আসলে শেরিফও নই।
তুমি এখানে এসেছ দর-কষাকষি করতে?
আমি এসেছি এই বলতে যে, যদি আমার বন্ধুদের তুমি যেতে না দাও,
তুমি কখনও তোমার টাকার দেখা পাবে না।
আমি তোমাকে এখানে রেখে, তোমার আঙুল এক এক করে কেটে নিতে পারি,
যতক্ষণ না তুমি আমাকে আমার টাকার সন্ধান দিচ্ছ।
আমরা দুজনই জানি, আমি এখানে কোনো ইনস্যুরেন্স ছাড়া আসতাম না।
এই মুহূর্তে, আমার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই টাকা কোথায় আছে।
আর যদি আমি আধ ঘন্টার মধ্যে না ফিরি,
আমার ইনস্যুরেন্স সিআইডিকে কল করবে।
তুমি সৈনিক ছিলে।
আমার অনুমান, তুমি তোমার সব সুযোগ ভেস্তে দিয়েছ যেগুলো পেয়েছিলে,
হতাশ করেছ সবাইকে যারা তোমার উপর আশা রেখেছিল।
তোমার মতো অবাধ্য হারামজাদারা এসব খুব ভালো পারে।
- তোমরা তোমাদের যোগ্যতার সাথে প্রতারণা করো। - তুমি এসব খুব ভালো পারো।
- আমি আমার টাকা চাই! - আমি বেঁচে থাকার প্রমাণ চাই।
তৃষ্ণা পেয়েছে?
তুমি পানিশূন্যতায় ভুগছ।
তোমার শরীর কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে।
নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছ। মাথা ব্যথা, ঠান্ডা অনুভূত হওয়া।
শীঘ্রই তোমার হ্যালুসিনেশন এত তীব্র আকার ধারণ করবে যে,
তুমি আর তোমার নিজের মধ্যে থাকবে না।
আমাকে সত্য বলবে। তোমাকে পুরস্কৃত করব।
তোমার মায়ের নাম কী ছিল?
ক্যাথরিন।
ক্যাথরিন। সে কি একজন ভালো মা ছিল?
মনে হয়।
আমি চাই তুমি আরো ক্লিয়ার-কাট উত্তর দাও।
সে কি একজন ভালো মা ছিল?
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ।
- তুমি তাকে ভালোবাসতে? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ।
তোমার বাবার নাম ছিল ডেনিস।
ডেনিস।
- তাকেও কি ভালোবাসতে? - হ্যাঁ।
তোমার বাবা প্রতিনিয়ত তোমার মাকে মারধর করত।
তাকে হাসপাতালেও পাঠিয়েছিল ছয়বার। সে তোমাকেও মারধর করত, তাই না?
- না। - অবশ্যই সে মারত।
সেজন্য তোমার তাকে মারতে হয়েছে।
আমি তাকে মারিনি।
অবশ্যই মেরেছ।
সে একটা জঘন্য বাবা ছিল যে তোমার জীবনকে বিষিয়ে তুলেছিল।
তোমার এবং তোমার মা'রও।
তাই তুমি তাকে মেরে ফেলেছিলে। ব্যস বলো তুমি তাকে মেরেছিলে।
সত্য বলো, আমি চাই তুমি সত্যিটা বলো।
- আমি তাকে মারিনি। - ব্যস সত্যিটা বলো।
- না। - আমি তোমার মুখ থেকে শুনতে চাই,
"আমি আমার বাবাকে মেরেছি।" আমি চাই তুমি এটা স্বীকার করো।
বলো যে তাকে তুমি মেরেছ। তোমার কিচ্ছু হবে না।
তোমার কোনো ভয় নেই। তোমার তাকে প্রায়শ্চিত্ত করাতে হতো।
- আমি তাকে মারিনি। - ব্যস স্বীকার করো, তুমি তোমার বাবাকে মেরেছ।
সত্যিটা বলো। বলো তাকে তুমি মেরেছিলে।
- আমি মেরেছি। - কী?
- কী? - আমি তাকে মেরেছি।
কী?
আমি তাকে মেরেছি।
এই নাও। এই নাও।
খাও, খাও, খাও।
দেখতেই পারছ, তোমার বন্ধুরা সবাই বেঁচে আছে...
এখন পর্যন্ত।
যাও আমার টাকা নিয়ে এসো।
আমি তোমার সাথে দেখা করব।
আমাদের এখনও একে অপরকে ভালো করে জানাশোনা হয়নি, বারটেন্ডার।
হ্যালো, কার্ট।
- ক্যালভিন। - অনেকদিন পর।
বাড়িতে স্বাগত।
No comments yet. Be the first to leave one.