The first 148 lines.
আমি তোমার জন্য একটা বাস টিকিট এনেছি।
তেনমা
পুলিশের হাতে ধরা দিয়ে, তোমার নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার এখনো সময় আছে।
আমি তোমাকে সাহায্য করব।
আমি...
আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য ইয়োহানের খোঁজ করছি না।
কী?
ধন্যবাদ, রুডি।
তেনমা...
তুমি কি ওকে...
ওহ, হ্যাঁ।
আমি তোমাকে ছোট করে দেখতাম না।
তোমাকে বেশ ভালো ছেলেই মনে হয়েছিল...
কিন্তু কখনো তোমার সাথে আলাপ করার সুযোগ পাইনি।
কিন্তু, আমরা এখন বন্ধু হয়ে গেছি।
কিন্তু...
তুমি আমাকে নকল করতে দেখে ফেলেছিলে...
আমিও তখন নকল করছিলাম।
তেনমা...
এখনই ঐ সাইনবোর্ডটা দেখলে?
সরি।
এই ম্যাপটা নিয়ে আমার একটু ঝামেলা হচ্ছে...
এই দিকে?
নাকি এই দিকে?
জানিনা আমরা কোনদিকে যাচ্ছি।
এই ম্যাপটা পেয়েছ কোথায়?
ওহ, প্লিজ।
যেখানে গাড়ি ভাড়া করেছি, সেখানেই অবশ্যই।
জানতাম।
যখন আমি বাথরুমে গেছিলাম, সেই সময় তো?
কোনো কাজের না।
আমার মতো বয়সের কারো এই ম্যাপ বোঝার সাধ্য নেই।
কারণ তুমি তোমার চশমা বিমানবন্দরেই ফেলে এসেছ।
নিপ্পেনহাউসেন...
আনওয়ের্টজহাউসেন...
গার্টেলজহাউসেন...
হাহ? কোনোটার নামই তো উচ্চারণ করার যোগ্য না।
মজার না?
জার্মানেরাও ইংল্যান্ডে আসলে এই একই জিনিস ভাবে নাকি ভাবছি।
আসল কথা হলো, পরের ক্রসিং কোথায়?
ওহ!
ওখানে কেউ আছে।
আমরা ওদেরকে জিজ্ঞাসা করতে পারি।
না, ঠিক আছে। আমি গাড়ি থামাব না।
আহা...
কিন্তু ওরা লিফট চাচ্ছে।
ওদেরকে গাড়িতে তুলে নাও।
হাহ!
অজানা অচেনা কাউকে গাড়িতে তুলে কোনো বিপদে পড়লে, তখন?
কিন্তু, দেখো...
লোকটার সাথে একটা বাচ্চাও আছে।
ওদের দেখে খারাপ লাগছে না?
ওদেরকে একটু লিফট দিলেই কী হয়?
ভালোই হয়েছে, তেনমা! ওরা থেমেছে।
হ্যাঁ।
Journey to Freiham
গুতেন তাগ, বিত্তে...
আমরা জার্মান বুঝিনা।
আপনি ইংলিশ বলতে পারেন?
ওহ, আপনারা ইংল্যান্ডের লোক?
আমরা ফ্রেইহাম যেতে চাচ্ছি। একটু লিফট দিতে পারবেন?
ম্যাপটা উনাকে দাও।
আচ্ছা।
কোথায় সেটা?
হাহ?
যেখানে আপনি যেতে চাচ্ছেন।
ওহ...
হুম...
আমরা এই জায়গার আশেপাশে আছি, তাই...
এখান থেকে দক্ষিণ দিকে।
ওহ...
আমরাও তো ওদিকেই যাচ্ছি!
উঠে পড়ো।
দাঙ্কে শুন! (ধন্যবাদ)
বায়ার্ন প্রদেশ
আপনাদের দুজনের মধ্যে কী সম্পর্ক?
বাবা আর ছেলে তো নয় নিশ্চয়।
আপনি এশিয়ান...
আর ছেলেটা জার্মান।
আহ, আসলে...
ও আমার বন্ধুর ছেলে।
আপনাকে দেখে ভালো কোনো চাকরি করেন বলেই মনে হচ্ছে, তাই না?
হাহ?
আপনার কথা বলার ধরণ, আচার-ব্যবহার...
সোনা।
থামো তো।
তোমার এই এক বাজে অভ্যাস।
দুঃখিত।
ও এখনো ওর পুরোনো অভ্যাস ছাড়তে পারেনি।
ও আগে পুলিশে চাকরি করতো।
তিনি কী বলছেন?
উনার স্বামী পুলিশে চাকরি করতেন।
চলো নেমে যাই, তেনমা!
না।
আ...
আম...
তাহলে আপনার স্বামী রিটায়ার করায়, আপনারা দুজনে বেড়াতে এসেছেন?
হ্যাঁ, তা বলতে পারেন।
ও কাজ নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকতো...
তাই কখনো দুজনে একসাথে ঘুরতে যাওয়া হয়ে ওঠেনি।
আপনাদের ব্যক্তিগত সময়ে এভাবে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত।
আপনাদের সমস্যা হলে, আমরা নেমে—
না। বিমানবন্দর থেকে একটা গাড়ি তো ভাড়া পেয়েছি, কিন্তু আমরা ম্যাপের কিছুই বুঝছি না।
কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে গেলেও ঝামেলায় পড়ছি।
সাথে একজন দোভাষী থাকলে মন্দ হয় না।
সত্যি।
সোনা...
এখন আমরা কী করবো?
এখন আমাদের করার মতোও কিছু নেই।
আমাদেরকে কাছের কোনো ফিলিং স্টেশনে যেতে হবে।
ওহ! একটা গাড়ি আসছে!
এই যে! থামুন!
থামুন!
কোনো সমস্যা?
আমাদের গাড়ির তেল শেষ।
ওহ, কপাল খারাপ!
এমন একটা জায়গায় তো কোনো সাহায্যও পাবেন না।
আমার গাড়িতে দুজন লোকের জায়গা হবে।
মি. জোনস...
ব্যাপার না। আপনারা দুজন উঠে পড়ুন।
কিন্তু...
আমাদের জন্য চিন্তিত হয়ে, এখানে থেকে যাওয়ার মানে হয়না।
আচ্ছা, তাহলে আমরা কোনো ফিলিং স্টেশনে পৌঁছালে...
আপনাদের কথা তাদের বলব।
হ্যাঁ।
তাহলে ভালোই হয়।
ভালোই হলো, তেনমা।
একবারে ঠিক সময়ে এই গাড়িটা পেয়ে গেলাম।
হ্যাঁ।
কোনো ফিলিং স্টেশন দেখলে থামাবেন প্লিজ।
আশেপাশে কোনো ফিলিং স্টেশন নেই।
অনেকটা দেরি হয়ে গেল।
হ্যাঁ।
লোকটা ফিলিং স্টেশনের লোকদের আমাদের...
...কথা বললে ওরা ওখানে আসবে,
তাই তো?
হ্যাঁ।
লোকটা...
হয়তো সে আমাদের কথা কাউকে বলবেই না।
সোনা?!
তা কেন হবে?
আমার মনে হয় লোকটা ভালোই।
কী জানি।
কী সুন্দর আকাশ।
এই সূর্যাস্তের কথা অনেকবার বলেছ।
আমিও এই সূর্যাস্ত অনেকবার দেখেছি।
আরে না, সূর্যাস্তের কথা বলিনি।
সূর্য তো ডুবেই গেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.