Tiny World

Tiny World

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

Tiny World S01 E04 WebDL Bangla Subtitle
টাইনি ওয়ার্ল্ড এপিসোড ০৪ বাংলা সাবটাইটেল
টাইনি ওয়ার্ল্ড - বাংলা সাবটাইটেল [এপিসোড ০৪]
Tiny World Episode 04 Bangla Subtitle by Mr Dentist
A Commentary by Mr.Dentist
🛡 Runtime - 00:31:14 💥 বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে উপভোগ করুন সিরিজটি, ভালো লাগলে রেটিং দিন, অনুভূতি জানান বাংলা সাবটাইটেল সম্পর্কিত গ্রুপ গুলোতে 💥

Tags

webdl
web
WEBDL
Published on: 2021-01-08
Downloads: 35
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 108 lines.

পৃথিবীটা এতটাই সমৃদ্ধশালী,

যে, ছোট ছোট জিনিসগুলো চোখ এড়িয়ে যাওয়া সহজ।

কিন্তু ভালো করে দেখলেই,

চোখে পড়বে এক অদেখা জগত।

যে পৃথিবীতে ছোট্ট বীর

আর ক্ষুদ্র দানবদের

অসম্ভব শক্তির প্রয়োজন পড়ে,

বড় শক্তির প্রতিকূলে বেঁচে থাকার জন্য।

অনুবাদে - মিস্টার ডেন্টিস্ট

অস্ট্রেলিয়া উদ্ভট সৃষ্টিতে সমৃদ্ধ এক ভূমি।

কেবলমাত্র ক্যাঙ্গারু আর কোয়ালাসই নয়।

অস্ট্রেলিয়ায়, জঙ্গলগুলো ছোট ছোট আজব সব প্রাণী দিয়ে ভর্তি।

যারা টিকে থাকতে শিখেছে,

এমন বিরূপ পরিবেশেও।

করতল সমান সুগার-গ্লাইডার

গামগাছের মাঝেই প্রয়োজনীয় খাবার আর আশ্রয় পেয়ে যায়।

আর তার প্রতিবেশিরাও।

কিন্তু সুখের সময় গুলোতেও, চ্যালেঞ্জ আছে।

আর গ্রীষ্মের সময় সূর্যের তেজ বেড়ে গেলে,

কেবলমাত্র যারা তাপ সইতে পারবে

এখানে টিকে থাকবে।

শুষ্কতম অনুকূল মহাদেশে বাস করারও কিছু সুবিধা আছে।

অত্যাধিক সূর্যের আলো গামগাছকে প্রচুর পরিমাণে সুগার তৈরিতে বাধ্য করে।

বসন্তে, সেটা সুগার গ্লাইডারের খাবারের বড় একটা অংশ হিসেবে কাজ করে।

এই মুহূর্তে, জীবন বেশ সহজ-স্বাভাবিক।

পরবর্তী খাবারের উৎসের জন্য গামগাছের মধ্যে উড়াউড়ি করছে।

এক লাফে, প্রায় ২টা টেনিসমাঠ পরিমাণ দূরত্ব পাড়ি দিতে পারে।

সুগার, রেইনবো লোরিকিটসদেরও আকর্ষণ করে।

শতশত।

সবার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার আছে।

তাই দিনে তাপদাহের সময়, খাবার পাখিদের ছেড়ে দিয়ে,

শান্তিপূর্ণ কোথাও বিশ্রাম গিয়ে করে।

নতুন বাচ্চা, বয়স হয়েছে মাত্র ২ সপ্তাহ।

বৃদ্ধাঙ্গুলির সমান লম্বা।

আর মায়ের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।

কিন্তু গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ে, ওকে স্বনির্ভর হতে হবে...

আরও বেশি প্রতিকূল পৃথিবীতে।

এখন, জীবন এখানে এতটাই সুন্দর যে,

লোরিকিটস গুলো বাসা বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কিন্তু বাসা পাওয়া সহজ কাজ নয়।

অস্ট্রেলিয়ায় গাছে গর্ত করার জন্য কোনো কাঠঠোকরা নেই।

তাই নিরাপদ আশ্রয় অনেক দূর্লভ।

ভয়ঙ্কর, ঠান্ডা মাথার খুনি।

লেস মনিটর প্রায় বাচ্চাদের সমপরিমান ওজন তুলতে পারে,

আর খেতে পারে প্রায় সবকিছু।

হালকা ওজনের ফ্রিলড লিজার্ড,

এই দানবের জন্য সহজ শিকার হবে।

লুকানোর জন্য একটা গাছ লাগবে।

কিন্তু সবগুলোই দখল করা।

ফ্রিলড লিজার্ড নিজ বাসস্থান নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের সচেতন।

মাথা নাড়ানো অর্থ, সতর্ক করা।

কিন্তু নবাগতের যাওয়ার মতো জায়গা নেই।

ক্ষত এড়াতে, লিজার্ডগুলো ঝালর দিয়ে মারামারি করে।

যত উজ্জ্বল, তত ভালো।

কিন্তু রঙ কাছাকাছি হলে,

লড়াই হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

অনুপ্রবেশকারীকে শক্তিশালী মনে হচ্ছে না।

পরাজিত হয়ে ভয়ে পালাচ্ছে,

মালিক ওকে বিতারিত করেছে।

প্রতিপক্ষের তাড়া খাওয়ার পর,

আপাতত এটাতে কাজ চালাতে হবে।

কিন্তু শীঘ্রই, ওর আরও নিরাপদ স্থান লাগবে।

সামনে কঠিন সময় আসছে।

পিঁপড়ার দল ইতোমধ্যে খাদ্য জোগাতে ব্যস্ত।

কিন্তু খাদ্যের খোঁজ করা বিপদজনক হতে পারে।

আউটব্যাক আজিব সব দানবে পরিপূর্ণ।

বড় বড় নখর,

কাঁটা আর লম্বা আঠালো জিহ্বা ওয়ালা,

একিডনা।

হয়তো দেখাতে তেমন ভয়ানক নয়।

কিন্তু পিঁপড়ার কাছে, প্রাণঘাতী।

১০ মিনিটে ৬০ হাজার পিঁপড়ে খেয়ে ফেলতে পারে।

গাছে খাদ্য জোগাতে সময় বেশি লাগে।

গাম গাছের পাতা এতটাই বিষাক্ত,

যে, গুটিকতক স্তন্যপায়ী কেবল ওটা খেতে পারে, কোয়ালাস তার মধ্যে একটা।

কিন্তু হজম করতে এতটা শক্তি খরচ করে যে,

কোয়ালাস দিনের ১৫ ঘন্টা ঘুমিয়ে কাটায়।

এমনকি জেগে থাকা অবস্থাতেও ঝিমাতে থাকে।

এটা কোনো স্বপ্ন নয়।

এই জিনিসটা বাস্তব।

নাম ম্যাড হেটারপিলার।

মাথার উপর থাকা আগে বদলানো মাথার চামড়াগুলো ব্যালেন্স করছে।

আশ্চর্যকর, কিন্তু রক্ষাকারী।

অ্যাসাসিন বাগ শিকারকে শরীরের ভেতরে থাকা বিষের সাহায্য হত্যা করে।

কিন্তু উদ্ভট ছদ্মবেশের সাহায্য,

ম্যাড হেটারপিলার শত্রুর থেকে একধাপ এগিয়ে থাকে।

ছোট্ট প্রাণীরা গাম পাতা বেশি ভালোভাবে হজম করতে পারে।

একটা পোকাকে এমনকি পাতার মতোই দেখা যায়।

চতুর ছদ্মবেশ, যেন শিকার না হয়েই শিকার করতে পারে।

প্রতিদিন গাছের পাতা খেয়েই সময় কাটিয়ে দেয়।

বাচ্চা প্রতিপালনের সময় নেই।

পরিবর্তে, খোলা পৃথিবীতে ছেড়ে দেয়।

সুস্বাদু বীজের ছদ্মবেশে,

ডিমগুলো পিঁপড়ার সাহায্য উদ্ধার হয়।

কিন্তু ডিমের উপরের অংশই কেবল ভোজ্য।

বাকি অংশ বাসায় পড়ে থাকবে।

আর ওখানে সেটা,

এখন থেকে অনেক মাস পরে,

ফোটার আগ পর্যন্ত নিরাপদে থাকবে।

সূর্যের তাপ বাড়ছে।

সুগার গ্লাইডারের প্রতিবেশির ডাকাডাকিও বাড়ছে।

কিন্তু এটা স্বাভাবিক ডাকাডাকি নয়।

সতর্ক বার্তা।

সূর্যের শক্তি পেয়ে,

লেস মনিটর হয়ে ওঠে দুর্দান্ত শিকারি।

কাঁটাওয়ালা জিহ্বা লুকানো শিকারের সন্ধান পেয়ে যায়।

শক্ত নখরের সাহায্য, এই মনিটর লিজার্ডগুলো গাছেও উঠতে পারে।

এখন ছোট্ট গ্লাইডারকে নিয়ে বয়ে বেড়ানো প্রায় অসম্ভব।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left