The first 101 lines.
পৃথিবীটা এতটাই সমৃদ্ধশালী যে,
ছোটো ছোটো জিনিসগুলো চোখ এড়িয়ে যাওয়া সহজ।
কিন্তু ভালো করে দেখলেই,
চোখে পড়বে সম্পূর্ণ অদেখা এক জগত।
যে পৃথিবীতে ছোট্ট হিরো
আর ক্ষুদ্র দানবদের
অসম্ভব শক্তির প্রয়োজন পড়ে
বড়ো শক্তির প্রতিকূলে বেঁচে থাকার জন্য।
জীবন বিপদে পরিপূর্ণ।
বিশেষ করে টাকোর (মেক্সিকান খাবার) সমান কাঠবিড়ালির জন্য।
সে আমেরিকার ক্যাকটাস বেষ্টিত সনোরান মরুভূমিতে বাসা তৈরি করে।
খাবার সংগ্রহের জন্য অনেক প্রতিকূল জায়গা।
এখানকার প্রায় অধিকাংশ জিনিস নখর সজ্জিত
কাঁটা,
অথবা বিষ।
কেবল বেঁচে থাকাই অনেক কঠিন।
বাচ্চা পালন তো দূরের কথা।
বসন্তের আগমনে,
মরুভূমির ছোট্ট প্রাণিরা তাদের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময় পার করে।
কিন্তু শত্রুর থেকে একধাপ এগিয়ে থাকলে,
আর কণ্টকিত পৃথিবীকে নিজের পক্ষে কাজ লাগালে
ক্ষুদ্র আকার আশীর্বাদও হতে পারে।
অনুবাদে - মিস্টার ডেন্টিস্ট
বসন্তের শেষভাগ।
একটা কাঠবিড়াল বাচ্চা জীবনের প্রথম নিজের মরুর বাড়ি দেখছে।
চার সপ্তাহ ধরে, সে মাটির নিচে তার আরও ছয় ভাইবোনের সাথে মায়ের
নিকট নিরাপদে ছিল।
কিন্তু এখন তাকে নির্মম ভূমিতে বেঁচে থাকা সম্পর্কিত অনেক জিনিস শিখতে হবে।
গ্রীষ্মের শেষে এই ছোট্ট বাচ্চাকে স্বাবলম্বী হয়ে চলতে হবে।
সৌভাগ্যক্রমে, ওর মা মরুভূমিতে বেঁচে থাকার বিষয়ে দক্ষ।
প্রথম পাঠ: আশপাশ সম্পর্কে জানা।
প্রথম পরিচয়? অতটা স্বাগতিক নয়।
১২ মিটার উচ্চতার বিশাল সাগুয়ারস টাওয়ার।
এখানে জন্মানো ৩০০ প্রজাতির মধ্যে এক প্রজাতির ক্যাকটাস।
এর ভয়ংকর গঠনটা বাদ দিলে,
সব ধরনের প্রাণিরা সবদিক থেকে এই কণ্টকাকীর্ণ গাছের উপর নির্ভরশীল।
একটা বেঁটে পেঁচা,
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম এই পেঁচাগুলো সাগুয়ারোর উপরদিকে বাসা তৈরি করে।
উপরের সূর্য আর নিচের শিকারির থেকে সুরক্ষিত।
তার নতুন বাচ্চাদের প্রতিপালনের জন্য উত্তম জায়গা।
মাটিতে, অন্য ক্ষুদ্র সৃষ্টিরা সকাল সকাল জেগেছে
গরম বাড়ার আগেই খাবারের খোঁজে ব্যস্ত।
এরা বুভুক্ষের দল।
এখানের এক বাসিন্দা সকালের নাস্তা হিসেবে সাপ খায়।
রোডরানার
নিজের নামের প্রতি সুবিচার করে বেঁচে থাকে।
প্রতি ঘন্টায় ৩০ কিলোমিটার দৌড়াতে পারে।
নিজ পরিবারের বাড়তি খিদে মেটাতে ওকে দৌড়াতেই হয়।
কণ্টকিত সুরক্ষা প্রাচীরে ঘেরা বাসায় থাকা তিনটে বাচ্চা।
রোডরানার ধরতে পারবে প্রায় এমন সবকিছু খাবে।
কিন্তু নিজ নাগালের বাইরের কোনো কিছুতে হাত দেবে না।
দেড় মিটার লম্বা র্যাটেলস্নেক অতিরিক্ত বড়ো হয়ে যায়।
বেশি বিপদজনক।
এই বিষাক্ত দানব আশেপাশে থাকা অবস্থায়
ছোট্ট প্রাণিদের সাবধানে থাকতে হবে।
মন্সটারও এই মরুভূমিতে পরিভ্রমণ করে।
হিলা মন্সটার।
ক্যাকটাস বাদ দিয়ে খোলা স্থানে তৈরি বাসা অধিক বিপদজনক।
গ্যামবেল কুয়েল নিজেদের ডিম বাঁচাতে ছদ্মবেশের আশ্রয় নেয়।
কিন্তু হিলা মন্সটার বাতাস থেকে
জিহ্বা দিয়ে গন্ধ শুঁকে শিকার করে।
মাটিতে এমন সহজ খাবার থাকায়,
ক্যাকটাস বেষ্টিত নার্সারিতে রোডরানারের বাচ্চা সুরক্ষিত থাকবে।
হিলা মন্সটার বড়ো হওয়ায় রোডরানার আক্রমণ করে না।
কিছু লেজার্ড অনেক ছোটো
কিন্তু ধরা কঠিন।
জেব্রা-টেইল অন্যতম দ্রুতগামী।
এছাড়াও এর অব্যর্থ পালানোর পরিকল্পনা আছে।
মৃত ক্যাকটাসের ঢিবি অনেক মরুভূমি প্রাণির
আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।
আর এটা কেবল লুকানোর স্থানের থেকেও বেশি কিছু।
এটা একটা প্যাক ইঁদুরের
আবাসস্থল।
ওই এই দুর্গের স্থপতি।
ক্যাকটাস দিয়ে ঘর তৈরিতে সুদক্ষ শ্রমিক।
তার সুরক্ষার যেকোনো ফাটল সহজে সংস্কার করা যায়।
এই ধারালো কাঁটার বলের অভাব নেই।
একটা স্বাভাবিক প্যাক ইঁদুরের গর্ত শিকারির জীবন কঠিন করে তোলে।
ক্যাকটাস মরুভূমিতে এত বেশি অভেদ্য লুকানোর স্থান আর
সংরক্ষিত আশ্রয়স্থল রয়েছে যে,
একাকী হ্যারিস ঈগল শিকার ধরতে রীতিমতো সংগ্রাম করে।
কিন্তু এই শিকারির মারাত্মক ব্যাকআপ পরিকল্পনা আছে।
তরুণ কাঠবিড়ালিকে অবশ্যই আশ্রয় থেকে দূরে না যাওয়ার বিষয়ে শিখতে হবে।
কিন্তু মা ওকে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেবে।
ক্যাকটাসের ওজনের চারভাগের তিনভাগ পানি।
অনাবৃষ্টির সময় ওগুলো নির্ভরযোগ্য পানির ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।
বাচ্চারা জলদি শিখে।
কিন্তু সবসময় মনোযোগ দেয় না।
ডায়মন্ডব্যাক র্যাটেলস্নেক মানুষ মেরে ফেলার মতো যথেষ্ট বিষ
বহন করা গুপ্ত ঘাতক।
মা সবসময় সতর্ক থাকে।
কিন্তু তাকে বাচ্চাদের সতর্কতাও নিশ্চিত করতে হবে।
আর তাদের দেখাতে হবে নিজের থেকে ১০গুন বড়ো শত্রুর মোকাবিলা কীভাবে করতে হয়।
লেজ নড়ানো বাচ্চাদের বিপদ সম্পর্কে সচেতন করে
আর সাপকে জানিয়ে দেয় যে আচমকা আক্রমণ ব্যর্থ হয়েছে।
সাহসী পদক্ষেপ,
কিন্তু কাজ করে।
এখানে পৃথিবীর সবচে' বেশি র্যাটেলস্নেক থাকায়
এই শিক্ষাটা বাচ্চাদের ভোলা চলবে না।
গ্রীষ্মের প্রথমভাগে, তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিনের সমাপ্তি তাপ থেকে মুক্তি আর
No comments yet. Be the first to leave one.