Tiny World

Tiny World

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

Tiny World S01 E03 WebDL Bangla Subtitle
টাইনি ওয়ার্ল্ড - বাংলা সাবটাইটেল [এপিসোড ০৩]
টাইনি ওয়ার্ল্ড এপিসোড ০৩ বাংলা সাবটাইটেল
Tiny World Episode 03 Bangla Subtitle by Nurullah
A Commentary by Nurullah_Mashhur
🔷🔴এই বিশাল পৃথিবীর ক্ষুদ্র প্রাণীদের বিস্ময়কর কর্মকান্ড এবং জীবনযাত্রা নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারি সিরিজ "Tiny World" উপভোগ করুন মাতৃভাষায়। সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে রেটিং এবং ফিডব্যাক কাম্য। 🔴🔷

Tags

webdl
web
WEBDL
Published on: 2021-01-02
Downloads: 29
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 106 lines.

পৃথিবী নামক গ্রহটি এত এত দর্শনীয় জিনিসে ভরপুর,

যে জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জিনিসগুলো সহজেই চোখ এড়িয়ে যায়।

কিন্তু কাছ থেকে তাকান...

দেখবেন এখানে রয়ে গেছে পুরো এক অনাবিষ্কৃত জগৎ।

এমন এক দুনিয়া যেখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হিরো...

আর ছোট্টো ছোট্টো ভিলেনদের...

অসাধারণ সুপারপাওয়ারের প্রয়োজন হয়...

দানবীয় প্রতিকূলতার মাঝে টিকে থাকার জন্য।

:.:.: TINY WORLD :.:.: EPISODE 03

ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ।

স্বর্গের মতো দেখতে।

আর কিউবান বী হামিংবার্ডের জন্য বেশ সুন্দর আবাসস্থল।

মৌমাছির চেয়ে খুব একটা বড়ো নয়।

এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো পাখি।

দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন সব ধরণের ক্ষুদ্র প্রাণী

এই দ্বীপগুলোতে নিজেদের আবাস গড়েছে।

এদের মাঝে অনেকেই তাদের গোত্রের সবচেয়ে ক্ষুদ্র প্রজাতি এবং পৃথিবীর অন্য কোথাও এদের পাওয়া যায় না।

দ্বীপগুলোতে খাদ্য এবং বাসস্থান অত্যন্ত সীমিত।

বেশিরভাগ সময়ই এটা "ক্ষুদ্রতমের উদ্বর্তন" হয়ে দাঁড়ায়।

কিন্তু স্বর্গেরও একটা অন্ধকার দিক রয়েছে।

যখন ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম শুরু হয়,

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীদের পৃথিবীর অন্যতম প্রলয়ঙ্করী শক্তির মুখোমুখি হতে হয়।

"ISLAND (দ্বীপ)" অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

রৌদ্রোজ্জ্বল দিনগুলোতে, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে জীবন দারুণ সম্ভাবনাময়।

একটা পুরুষ বী হামিংবার্ড।

সঙ্গীর খোঁজ করছে...

আর তার মন জয়ের জন্য সুসজ্জিত হয়েছে।

কিন্তু স্ত্রী পাখিটি ব্যস্ত।

সে দুটো বাচ্চাকে লালনপালন করছে,

যারা মাত্রই ডিম ফুটে বেরিয়েছে, আকারে কফির বীজের সমান।

থাকছে একটা এসপ্রেসো কাপ আকারের ঘরে।

চারদিনের মধ্যেই, পোকামাকড় আর মধু খেয়ে তাদের আকার দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

এত খাবারের যোগান দেওয়া দুঃসাধ্য কাজ।

হামিংবার্ড অন্য সব প্রাণীর চেয়ে দ্রুত শক্তি খরচ করে।

তাই তাকে দিনে কয়েকশো ফুলে ভ্রমণ করতে হয়।

সে এতটাই ক্ষুদ্র যে পোকামাকড়গুলো তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

আর সে যখন খাবারের সন্ধানে যায়, তার বাসাটি হয়ে পড়ে অরক্ষিত।

একটি পিঁপড়াও বিরাট হুমকি।

আর দলে দলে আরও পিঁপড়া চলে আসায়, বাচ্চাগুলো এখন ভীষণ বিপদে।

একদম সময়মতো।

মা ফিরে এসে এবারের মতো তাদের বাঁচিয়েছে।

সময়ের পরিক্রমায়, ক্যারিবীয় প্রাণীসমূহ বিবর্তিত হয়েছে,

স্বল্প খাদ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য আকারে ক্ষুদ্রতর হয়েছে।

একটা সুতা সাপ,

একটা স্প্যাঘেটির চেয়েও সরু...

আর দৈর্ঘ্যে তার অর্ধেক।

সে এক প্রকার...

পিঁপড়া শিকারী।

পূর্ণবয়স্ক পিঁপড়াগুলো তার চোয়ালের তুলনায় বেশ বড়ো।

কিন্তু তাদের লার্ভাগুলো সে আরামসে গিলতে পারে।

এই ক্ষুদ্রাকৃতির বিস্ময়গুলোর মাঝে অনেকেই শুধু এই দ্বীপের অনন্য বাসিন্দা।

স্রেফ একটা ম্যাচের কাঠির অর্ধেক দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট,

এই বামন গেকো পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো লিজার্ডদের মধ্যে অন্যতম।

নিচের এই পাতার জঞ্জালের মাঝে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পোকা শিকারের জন্য পারফেক্ট সাইজ।

কিন্তু গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের বিরুদ্ধে সম্ভবত কিছুটা প্রতিকূল।

বৃষ্টির ফোটা বোমার মতো আঘাত হানে।

মা হামিংবার্ডটি তার বাচ্চাদের সুরক্ষার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।

অন্যরা আশ্রয়ের খোঁজে উড়ে বেড়ায়।

কিন্তু ঝড়ের মাত্রা এতটাই বেশি...

যে তার বাসা ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।

বনের মেঝেতে, বৃষ্টির জলধারা জোয়ারের রূপ ধারণ করে।

কিন্তু একটা বামন গেকো'র সুপারপাওয়ার হচ্ছে তার আকার।

এত ছোটো, এত হালকা, যে সে আক্ষরিক অর্থেই পানির ওপর দিয়ে হেঁটে বেড়ায়।

আর বন্যার ধারা থেমে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ভেসে থাকে।

প্রতি বছর ১৫টির বেশি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানায়,

স্বর্গ খুব দ্রুতই নরকে পরিণত হতে পারে।

হামিংবার্ডটির বাচ্চাগুলো ঝড়ে ভেসে গিয়েছে।

তাকে আবার নতুন করে সব শুরু করতে হবে...

পরবর্তী ঝড় আঘাত হানার পূর্বে।

ঝড়ের সময়, অনেক গাছপালা সমুদ্রে ভেসে যায়।

আর এর সাথে, অনেক প্রাণীও ভেসে ভেসে পাড়ি জমায়।

মাঝে মাঝে, কোনো কোনো জলযাত্রীর নতুন তীরে পৌঁছানোর সৌভাগ্য হয়।

এভাবেই অনেক প্রাণী নতুন নতুন দ্বীপে বসতি গড়ে।

ছোট্টো এবং দুঃসাহসী, এনোলিস লিজার্ড সফলভাবে তীরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

কিন্তু অন্যরা তার অনেক আগেই এখানে পৌঁছেছে।

হুটিয়া আর ইগুয়ানারা স্রোতের ধারায় যা ভেসে আসে তা খেয়েই বেঁচে থাকে।

তাকে সৈকত থেকে সরে যেতে হবে।

তার আর নিরাপদস্থলের মাঝে স্রেফ কয়েক মিটারের দূরত্ব।

নতুন একটা জনগোষ্ঠী সৃষ্টির জন্য স্রেফ অল্প কয়েকজন সাহসী অগ্রদূত প্রয়োজন।

ঝড় এই সৈকতের সব আকারের অধিবাসীদের জন্য উপহার বয়ে এনেছে...

হুটিয়া থেকে শুরু করে স্যান্ড হপার পর্যন্ত।

কিন্তু সবাই খাবারের খোঁজ করছে না।

এই হার্মিট কাঁকড়াটি নতুন আশ্রয় খুঁজছে।

তার খোলসটির বেশ দৈন্যদশা।

ঝড়ের ফলে নতুন এক গাদা খোলসের আগমন ঘটেছে।

কিন্তু নিজের মাপের খোলস খুঁজে পাওয়া সহজ নয়।

ওর সাইজ স্রেফ একটা গলফ বলের সমান।

কিন্তু হার্মিট কাঁকড়ারা একটা নারিকেলের সমান বড়ো হতে পারে

আর প্রতিনিয়তই তাদের আকারের সাথে মিল রেখে খোলস বদলাতে হয়।

বড়ো ঘরের এই অফুরন্ত চাহিদার জন্য,

হার্মিট কাঁকড়ারা একটি বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান আবিষ্কার করেছে।

যখন কোনো কাঁকড়া এমন কোনো খোলস খুঁজে পায় যা তার গায়ে লাগে না...

এটি অন্য কাঁকড়াদের এসে পরীক্ষা করার জন্য সংকেত দেয়।

আর যখন সঠিক আকারের হার্মিট আসে...

তারা একটা হাউজিং চেইন সৃষ্টি করে।

বড়ো থেকে ছোটো।

সবচেয়ে বড়ো কাঁকড়াটি সবার আগে চলে।

তারপর প্রত্যেকে নতুন খালি হওয়া এক সাইজ বড়ো সম্পত্তিটি দখল করে।

সে পার্টিতে আসতে দেরি করে ফেলেছে।

কিন্তু একটা খোলস সবসময়ই অবশিষ্ট থাকে।

সবচেয়ে ছোটোটা।

কোনোভাবে, একটা কাঁকড়া নিজের উপযুক্ত খোলস পেলে বুঝতে পারে।

অবশেষে, একটা উপযুক্ত আশ্রয়।

তার এটা দরকার পড়বে।

বছরের এই সময়ে, বাজে আবহাওয়া কখনোই খুব দূরে থাকে না।

দ্বীপের আরও ভেতরের দিকে, সর্বশেষ ঝড়ের ফলে নদীগুলো এখনও ফুঁসছে...

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left